Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

ফের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন ছলিম উদ্দিন তরফদার

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের এমপি সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব মোঃ ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম এমপি আবারও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট করবেন। সোমবার ২৭ নভেম্বর বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এমপি'র জ্যেষ্ঠপুত্র সাকলাইন মাহমুদ রকি।

রকি সংবাকর্মীদের জানান, আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রত্যেক প্রার্থীর বিপরীতে একজন করে ড্যামি প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে ভোটে অংশ নেয়ার জন্য দলের হাইকমান্ড এর নির্দেশ এর পরিপ্রেক্ষিতে এমপি ছলিম উদ্দিন তরফদার এবারও ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হবেন। 

গত রবিবার এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নতুন মুখ সাবেক সিনিয়র সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্ত্তী সৌরেনের নাম ঘোষণা করায় তিনি এ সিদ্ধান্ত নেয়। 

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের তদানিন্তন সাংগঠনিক সম্পাদক ও চেরাগপুর ইউপির সাবেক একাধীক বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম ২০১৪ সালে আগের বার নির্বাচিত সদ্য প্রয়াত এমপি ড. আকরাম হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কলস প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হোন। পরে তাকে আবার দলে ফিরিয়ে নেয়া হয়। ২০১৮ সালে তাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হলে নৌকা প্রতিক নিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী হোন ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম। এসময় তিনি এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করে দলের ও সাধারণ মানুষের ভালবাসা অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি মহাদেবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। দলের ৯০ টি ওয়ার্ডের নেতাকর্মী তার প্রতি আস্থাশিল। হাইকমান্ডের নির্দেশে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে দল মত নির্বিশেষে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হিসেবে আবারো বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন বলে আশা করছেন। এজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা, নিরপেক্ষ নির্বাচনের যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও যে কেউ যেন অযথা হয়রানির শিকার না হন সেই ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।


আরও খবর

কাদের-চুন্নুকে পদ থেকে সরানো হয়েছে

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

 জামালপুর প্রতিনিধি : বকশীগঞ্জ নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ক্লিনিকের উদ্যোগে ২০২৪ সালে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় উর্ত্তীন্ন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধণা দেয়া হয়েছে শুক্রবার সকালে নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ক্লিনিকে জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়

 সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের উপ সচিব মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন সভাপতিত্ব করেন নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ক্লিনিকের অন্যতম কর্নধার পঙ্গু হাসপাতালের (নিটোর) স্পাইন অর্থোপেডিক সার্জন অধ্যাপক ডা.রেজাউল করিম রেজা বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রীবরদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ হাসান বিন রফিক, অর্থোপেডিক সার্জন ডা.মোহাম্মদ নাদের হোসেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা আফছার আলী,বাট্টাজোর নগর মাহমুদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশিদ,কৃতি শিক্ষার্থী হৃদয় ইসলাম, তাসনিমা হাসনাইন,আবরার জাওয়াদ রাইয়ান তালুকদার,তাহমিদ হাসান,জান্নাতুল ফেরদৌসি, নিশাত তাসনিম ছোয়া, জান্নাতুল ফেরদৌসি মীম,আদিবা মুয়িম্মাহ নূর আফজা মোহনা

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ক্লিনিকের অন্যতম কর্নধার ইসলামী ব্যাংক বকশীগঞ্জ শাখা ব্যাবস্থাপক আনোয়ার হোসেন ফুয়াদ কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট মেডিকেলের বই তুলে দেন অতিথিবৃন্দ


আরও খবর



জোট গঠনে মরিয়া নওয়াজ শরিফ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)। কিন্তু সরকার গঠন করতে কমপক্ষে ১৩৪ আসন দখল করতে হবে। তাই জোট গঠন করতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোকে।

আর এ কারণেই জোট গঠন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন পিএমএল-এন সুপ্রিমো নওয়াজ শরিফ। তিনি বলেছেন, জোট সরকারের জন্য তার দল পিপিপি, এমকিউএম-পি, জেআইআই-এফের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

নওয়াজ শরিফ বলেছেন, তিনি তার ছোট ভাই শাহবাজকে জোট সরকার গঠনের জন্য পির আসিফ আলী জারদারি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ফজলুর রেহমান এবং এমকিউএম-পির খালিদ মকবুল সিদ্দিকীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছেন।

পিএমএল-এন নেতা আরও বলেছেন, পাকিস্তান বর্তমানে যে সমস্যার মধ্যে রয়েছে তা থেকে বের করে আনতে সব রাজনৈতিক দলের একসঙ্গে বসে সরকার গঠন করা দরকার।

পাকিস্তানকে এই সংকট থেকে বের করে আনতে দেশের সব প্রতিষ্ঠান, প্রত্যেকের একসঙ্গে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করা উচিত উল্লেখ করে নওয়াজ বলেন, এটা সবার পাকিস্তান, শুধু পিএমএল-এনের নয়। সবার উচিত মিলেমিশে বসে পাকিস্তানকে সমস্যা থেকে বের করে আনা।

এর আগে ইমরানপন্থি স্বতন্ত্র প্রার্থীদেরকে তার দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। নির্বাচনে জয়লাভের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের তাদের অভিনন্দনও জানিয়েছেন নওয়াজ শরিফ।


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




মস্তিষ্ক-হৃৎপিণ্ড-রক্তে জটিলতা বাড়ায় করোনা টিকা

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

করোনা টিকা ফাইজার-মডার্না ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার ডোজের প্রভাবে মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড ও রক্তে জটিলতা বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ে বলে জানা গেছে এক গবেষণায়। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বহুজাতিক সংস্থা গ্লোবাল ভ্যাকসিন ডেটা নেটওয়ার্কের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়েছে গবেষণাটি।

গবেষণা কাজের অংশ হিসেবে বিশ্বের ১৩টি দেশের ৯ কোটি ৯০ লাখ মানুষের তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করেছে ডেটা নেটওয়ার্ক। গত সপ্তাহে গবেষণা প্রবন্ধটি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ভ্যাকসিন। প্রবন্ধে গবেষকরা বলেছেন, এই ৯ কোটি ৯০ লাখ মানুষের মধ্যে যারা এমআরএনএ টিকা ফাইজার এন বায়োএনটেক কিংবা মডার্না টিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন, তাদের একাংশ ইতোমধ্যে মায়োকার্ডিটি নামে হৃৎপিণ্ডের সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই সমস্যায় আক্রান্তরা হার্টের মাংসপেশির সার্বক্ষণিক প্রদাহে ভোগেন।

আর অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৃতীয় ডোজ যারা সম্পূর্ণ করেছেন, তাদের একাংশ আক্রান্ত হয়েছেন পেরিকার্ডিটিতে। এই সমস্যায় আক্রান্ত হলে হৃদপিণ্ডের কার্ডিয়াক মাংসপেশিতে প্রদাহ হয়। গ্লোবাল ভ্যাকসিন ডেটা নেটওয়ার্কের গবেষকদের মতে, ফাইজার এবং মডার্নার দ্বিতীয় ডোজ মায়োকার্ডিটির ঝুঁকি ২ দশমিক ৯ গুণ এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৃতীয় ডোজ পেরিকার্ডিটির ঝুঁকি ৬ দশমিক ন গুণ বৃদ্ধি করে।

মায়োকার্ডিটি ও পেরিকার্ডিটি উভয়ই বেশ বিরল শারীরিক জটিলতা।

এছাড়া অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও অন্যান্য ভাইরাল-ভেক্টর করোনা টিকা এবং এমআরএনএ টিকা ফাইজার-মডার্নার ডোজে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়া, গুলিয়ান-ব্যারে সিন্ড্রোম এবং মায়েলিটিসের মতো শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে ২ দশমিক ৫ গুণ। গুলিয়ান ব্যারে সিন্ড্রোমে আক্রান্ত রোগীরা স্নায়বিক সমস্যায় ভোগেন আর মায়েলিটিসে আক্রান্তরো ভোগেন মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের প্রদাহে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে বিশ্বের প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটিও ঘটেছিল চীনে।

তারপর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

কিন্তু তাতেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অবশেষে ওই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।

মহামারি শুরু হওয়ার অবিশ্বাস্য দ্রুততার সঙ্গে ২০২০ সালের আগস্টে প্রথম করোনা টিকা স্পুটনিক ৫ বাজারে আনে রাশিয়া। তবে জরুরি অবস্থায় এই টিকার ব্যবহার বিষয়ক ছাড়পত্রের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সস্থার কাছে আবেদন করেনি মস্কো। ডব্লিউএইচওর ছাড়পত্র পাওয়া প্রথম করোনা টিকার নাম ফাইজার এন বায়োএনটিক। ২০২০ সালের নভেম্বরে এই টিকাটি বাজারে আসে।

এরপর একে একে বাজারে আসে মডার্না, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জনসন অ্যান্ড জনসনসহ বিভিন্ন করোনা টিকা।

টিকা আবিষ্কারের পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন মোট ১ হাজার ৩৫০ কোটি ডোজ ব্যবহার করা হয়েছে বলে গবেষনা প্রতিবেদনে জানিয়েছে গ্লোবাল ভ্যাকসিন নেটওয়ার্ক।

ডব্লিউএইচওর অন্যতম গবেষণা অংশীদার নিউজিল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা জিভিডিভি জানিয়েছে, করোনা টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে এ পর্যন্ত ১৩ ধরনের শারীরিক জটিলতা ও সমস্যা তারা রেকর্ড করেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে টিকা নেওয়ার পর এসব সমস্যায় রোগীরা আক্রান্ত হয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন জিভিডিভির গবেষণকারা।

গ্লোবাল ভ্যাকসিন ডেটা নেটওয়ার্কের যে বিজ্ঞানী দলটি এ গবেষণা পরিচালনা করেছে, সেই দলের অন্যতম সদস্য এবং ডেনমার্কের স্টাটেন্স সিরাম ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ক্রিস্টিনা ফেকসোভা এক বিবৃতিতে নিজেদের গবেষনা প্রবন্ধ সম্পর্কে বলেন, ব্যাপারটি এমন নয় যে আমরা করোনা টিকার ডোজকে ক্ষতিকর বলে প্রচার করছি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কোটি কোটি মানুষ বিভিন্ন করোনা টিকার ডোজ নিয়েছেন এবং তাদের অধিকাংশই হয়তো কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুভব করেননি।

কিন্তু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভুগেছেন বা ভুগছেন এমন মানুষের সংখ্যা কম হলেও তারা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তাদের এসব সমস্যা টিকা প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোকে এই বার্তা দেয় যে, করোনা টিকাগুলো আরও নিরাপদ ও নিখুঁত হওয়া প্রয়োজন।

সূত্র : ব্লুমবার্গ. দ্য নিউইয়র্ক পোস্ট


আরও খবর

থাইরয়েড রোগী কী খাবেন

সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




লালমনিরহাটে রবিউলের মরদেহ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিনিধি,লালমনিরহাট:

 ভারতীয় বিএসএফ'র গুলিতে নিহত রাবিউল ইসলাম ওরফে টুকলুর মরদেহ ২৪:ঘন্টাপর ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। গতকাল রবিবার  দিবাগত রাতে  পাটগ্রাম উপজেলার তিনবিঘা করিডোরে  হস্তান্তর করে। 

পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রাবিউলের মরদেহ ভারতীয় পুলিশ ময়নাতদন্ত শেষে বিএসএফ'র মাধ্যমে দুই দেশের পুলিশের উপস্থিতিতে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। লাশ গ্রহণের পরপর নিহত রাবিউলের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় রবিবার বিকেলে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজিবি।

উল্লেখ্য, রোববার ভোর ৪টার দিকে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার আঙ্গরপোতা বিওপি সীমান্তের ১নং মেইন পিলারের কাছাকাছি ভারতীয় অংশে বিএসএফের একটি টহল দলের গুলিতে নিহত হয় রাবিউল। পরে বিএসএফের সহযোগিতায় কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়। তার ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ ফেরত দেয়।


আরও খবর

রোজার আগে পেঁয়াজ-চিনি আমদানি নিয়ে আলোচনা

শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাংলাদেশি দক্ষ কর্মীর অভিবাসন বেড়েছে

শুক্রবার ১২ জানুয়ারী ২০২৪




স্থানীয় নির্বাচনে যেতে চায় বিএনপির তৃণমূল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

২০২১ সালের পর মার্চের পর থেকেই নির্বাচন পুরোপুরি এড়িয়ে চলছে বিএনপি। নির্বাচন এলেই সরব, তবু গত দুই বছরে একটিও নির্বাচনে অংশ নিতে দেখা যায়নি দলটিকে। উলটো দলের যে নেতাই এ সময়ে নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে নাম লিখিয়েছে, হাইকমান্ড থেকে তার উপরই নেমে এসেছে বহিষ্কারাদেশ; যার সর্বশেষ নজির সদ্য সমাপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

এরই মধ্যে ঘনিয়ে এসেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। তৃণমূলে সক্রিয়তা জানান দিতে এ নির্বাচন অন্য যেকোন দলের চেয়ে বিএনপির জন্য আলাদা গুরুত্ব বহন করছে এই মুহূর্তে- এমনই মত দলটির একাংশের। নির্বাচন ঘিরে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন দলটির তৃণমূলের অনেক নেতা, যদিও এ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত আসেনি বিএনপি হাইকমান্ড থেকে।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর এখন ৪৮৫টি উপজেলা পরিষদে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। গত ১৬ জানুয়ারি ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানিয়েছেন, ধাপে ধাপে এসব নির্বাচন হবে। রোজার আগেই প্রথম ধাপের নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া আগামী ৯ মার্চ ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচন এবং কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে উপ-নির্বাচন। একই দিন কয়েকটি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে তফসিল ঘোষণা করা হবে।

তাছাড়া আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকার এবার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না রাখার নীতিগত সিদ্ধান্তও হয়েছে। এ ব্যাপারটাই বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের আরও বেশি প্রলুব্ধ করছে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য। তাদের বড় একটি অংশ মনে করছে, দলীয় প্রতীক না থাকায় ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার জোরে স্থানীয় সরকারে জনপ্রতিনিধি হওয়ার ভালো সুযোগ আছে তাদের সামনে। একইসঙ্গে তাদের মত, পরপর দুইটি জাতীয় নির্বাচন বর্জনের পর এমনিতেই অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে দেশের অন্যতম বৃহত্তম দলটি। দুই বছর ধরে ভোটের মাঠে উপস্থিতি নেই তাদের। এবারও যদি নির্বাচনের ট্রেন না ধরার সিদ্ধান্তে অটল থাকে বিএনপি হাইকমান্ড, তবে একেবারে বিলীন হতে হবে দলটিকে।

এমনও গুঞ্জন আছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নিলে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অনেকেই অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেবে, অনেকে পেশাজীবী হয়ে যাবে, নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে রাজনীতিতে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে যেসব নেতা, তাদের দাবি, বিএনপির মূল শক্তি তৃণমূল। আর এখন তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ধরে রাখতে হলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিকল্প নেই তাদের জন্য। সরকারবিরোধী আন্দোলন যদি বেগবান করা না যায়, বিশেষ করে বাংলাদেশ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের ভূমিকা যদি আন্দোলনের পক্ষে না থাকে, সেক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ধরে রাখতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়া উচিত।

এ অংশের নেতারা মনে করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিভক্তি বিএনপির প্রার্থীর জন্য সহায়ক হবে। সরকার-বিরোধী দলগুলোর নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হলে অন্তত দুইশ' উপজেলায় উপজেলা চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করার মতো সক্ষমতা এখনো রয়েছে বিএনপির।

তারা বলছেন, এ ইস্যুতে বিএনপির হাইকমান্ডের নমনীয় থাকা উচিত। যেহেতু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে না, তাই যাদের সক্ষমতা আছে তারা নির্বাচন করলে প্রকাশ্য না হলেও অভ্যন্তরীণভাবে দল থেকে উৎসাহ দেওয়া উচিত। স্থানীয় নির্বাচনে যেহেতু সরকার পরিবর্তন হয় না, তাই আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া উচিত। নির্বাচনে গেলে আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে আসার সুযোগ পাবেন, যা চলমান আন্দোলনকে আরও গতিশীল করবে।

এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিপক্ষেও মত আছে বিএনপির নেতাদের একাংশের মধ্যে। তাদের দাবি, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের পর একই কমিশনের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিলে তাতে বিএনপির নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। সেটি সরকারের প্রতি সমর্থন জানানোও হবে।

বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকার এবং বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে বিএনপি জাতীয় এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেবে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য আগে অনেককেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের কাছে দল কী জবাব দেবে? তাছাড়া উপজেলা নির্বাচনে যে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ হয় তা বহন করার সামর্থ্য এ মুহূর্তে বিএনপি নেতাকর্মীদের নেই। অনর্থক নেতাকর্মীদের হয়রানির শিকার করতে নির্বাচনে অংশ নেওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন নির্বাচনের বিপক্ষ অংশ। এমনকি বিএনপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নিলে আওয়ামী লীগের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল আরও প্রকট হবে বলেও মোট এ পক্ষের।

দলটির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, বিষয়টি নিয়ে দলের মধ্যে আলোচনা থাকলেও সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম, স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। ওই ফোরামের বৈঠকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এছাড়া সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন কখনোই শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও সুষ্ঠু হবে না। সুতরাং তার অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপি যাবে না, সে সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া আছে। বিএনপি এখনো সে সিদ্ধান্তে অটল। উপজেলা পরিষদের ভোটে দলীয় প্রতীক নৌকা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। সে ক্ষেত্রে দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হলে বিএনপি কী করবে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এ সরকারের অধীনে নির্বাচনই তো সুষ্ঠু হয় না। সেখানে দলীয় প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।


আরও খবর

কাদের-চুন্নুকে পদ থেকে সরানো হয়েছে

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪