Logo
শিরোনাম

ইরানে হামলা : ইস্ফাহান কেন টার্গেট?

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ |

Image

গত সপ্তাহে ইসরাইলি ভূখণ্ডে তেহরানের নজিরবিহীন হামলার ছয় দিনের মাথায় একটি ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র ইরানে আঘাত করেছে বলে দাবি করছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

মার্কিন কর্মকর্তারা বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগী সিবিএস নিউজকে জানিয়েছে, একটি ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র ইরানে আঘাত হেনছে। শুক্রবার সকালে ইরানের কেন্দ্রীয় শহর ইস্ফাহানের চারপাশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে ইরানের গণমাধ্যমে এসেছে। ইরানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করার মাধ্যমে তিনটি ড্রোনকে ধ্বংস করা হয়েছে।

ইরানি গণমাধ্যম এবং দেশটির কর্মকর্তারা ইস্ফাহান এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তাবরিজ শহরে হামলার খবরটিকে হালকাভাবেই উপস্থাপন করছেন।
ইরানিয়ান স্পেস অ্যাজেন্সি একজন কর্মকর্তা হোসেইন দালিরিয়ানের দাবি, সীমান্তের বাইরে থেকে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়নি।

এই বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বক্তব্যের পুরোপুরি বিপরীত। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, একটি ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র ইরানে আঘাত হেনেছে।

কিন্তু ইস্ফাহানকে কেন টার্গেট করা হয়েছে?

একজন পারমাণবিক এবং রাসায়নিক বিশেষজ্ঞ বিবিসিকে বলেছেন, সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে ইরানের দ্বিতীয় শহর ইস্ফাহানকে বেছে নেয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ

যুক্তরাজ্য ও ন্যাটোর পারমাণবিক বাহিনীর সাবেক কমান্ডার হামিশ ডি ব্রেটন গর্ডন উল্লেখ করেছেন, শহরটির আশপাশে অনেকগুলো সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। সেগুলোরই একটি ছিল লক্ষ্যবস্তু।

(আলোচিত আক্রমণ) যথেষ্ট নিকটে ছিল, যেখানে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে, বলে আমরা ধারণা করি সেই স্থানটির। সুতরাং এটা তাদের জন্য একটা ঝাঁকুনি, বিবিসিকে বলেন তিনি।

ডি ব্রেটন হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে বলেন, মূলত সামর্থ্যের এবং সেইসাথে সম্ভবত লক্ষ্য সম্পর্কেও জানান দেয়ার চেষ্টা।

ইরান ইসরাইলের দিকে তিন শর বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে, প্রায় সবগুলোকেই ভূপাতিত করা হয়। ইসরাইল ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে ছুঁড়েছে মাত্র একটি বা দুটি - যা প্রতিরক্ষা ভেদ করে আঘাত হেনেছে এবং ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে।

তিনি আরো দাবি করেন, প্রথাগত সামরিক সক্ষমতার বিচারে ইসরাইল ইরানের চেয়ে এগিয়ে আছে। সেই জন্যই তেহরান প্রক্সি ওয়্যারে (ছায়াযুদ্ধ) বেশি আগ্রহী এবং ইসরাইলের সাথে সরাসরি যুদ্ধ এড়িয়ে চলে। কারণ, তারা জানে নিদারুণ পরাজয় হবে তাদের।

ইরানিদের পক্ষ থেকে হামলার গুরুত্বকে খাটো করে দেখা প্রসঙ্গে ডি ব্রেটন গর্ডন বলেন, তারা স্বীকার করতে চাইবে না যে কোনো ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র তাদের পুরনো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করেছে এবং লক্ষ্যে আঘাত হেনেছে


আরও খবর



দাম বাড়ল জ্বালানি তেলের

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ |

Image

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চলের জন্য সৌদি আরবের তেলের দাম বাড়ানো হয়। ইসরায়েলের সঙ্গে গাজার যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা আরও কমে যাওয়ায় তেলের এ দাম বেড়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, বিশ্বের বৃহত্তম এই তেল উৎপাদনকারী অঞ্চলে ইসরায়েল-হামাস সংকট ছড়িয়ে পড়তে পারে।

রয়টার্সের এক সংবাদে বলা হয়েছে, সোমবার (৬ মে) সকালে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।

 ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৮ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৮৩ দশমিক ২৪ ডলারে উঠেছে। এ ছাড়া ইউএস টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের (ডব্লিউটিআই) দাম ব্যারেলপ্রতি ২৯ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ৭৮ দশমিক ৪০ ডলারে উঠেছে।

গত সপ্তাহে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ায় জ্বালানি তেলের দাম ৭ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছিল। আজ সপ্তাহের শুরুতে সেই ধারা ভেঙে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বাড়ল।

গত সপ্তাহে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই উভয় ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমেছে ৭ শতাংশের বেশি আর ডব্লিউটিআই ক্রুডের ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার পাশাপাশি আরও কিছু কারণে দাম কমে বলে রয়টার্সের সংবাদে বলা হয়েছে।

গাজায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলছিল গত সপ্তাহে। কিন্তু যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা আরও কমে গেছে। হামাস দাবি করেছিল, বন্দী বিনিময়ের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হোক; কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এদিকে টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো যুক্তরাষ্ট্রে সক্রিয় তেল ও গ্যাসের খনির সংখ্যা কমেছে, বিশেষ করে তেলের খনির সংখ্যা কমেছে বেশি। এক সপ্তাহের ব্যবধানে সাতটি কমে গিয়ে সক্রিয় খনির সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৯৯টিতে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসের পর আর কখনো এক সপ্তাহের ব্যবধানে এতগুলো খনি উৎপাদনের বাইরে চলে যায়নি।


আরও খবর

১২০ টাকায় উঠল ডলারের দাম

শুক্রবার ২৪ মে 20২৪




পঞ্চম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট পুতিন

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ |

Image

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে আবারও শপথ নিয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। মঙ্গলবার দুপুরে মস্কোর গ্র্যান্ড ক্রেমলিন প্যালেসের সুসজ্জিত সেইন্ট অ্যান্ড্রু হলে শপথ নেন তিনি।

এর মধ্যে দিয়ে টানা পঞ্চমবারের মতো রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হলেন ৭১ বছর বয়সী ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি গত মার্চে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৮৭ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন।

শপথ গ্রহণের পর প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ। আমরা সম্মিলিতভাবে সকল বাধা অতিক্রম করব, আমাদের সকল পরিকল্পনা সফল করব এবং জয়ী হবো।

সোভিয়েত ইউনিয়নের গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবির সাবেক এজেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন ১৯৯৬ সালে। পরে তৎকালীন রুশ প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলেৎসিনের বদন্যতায় ১৯৯৯ সালে প্রথমাবরের মতো রাশিয়ার অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হন তিনি। ওই বছর পুতিনের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করে রাজনীতি থেকে অবসরে গিয়েছিলেন ইয়েলেৎসিন।

পরে ২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৫৩ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেতেন পুতিন। ২০০৪ সালের নির্বাচনে ৭১ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট পেয়ে ফের প্রেসিডেন্ট হন।


আরও খবর



সুন্দরবনে খালে ভাসছে বাঘের দেহ !

প্রকাশিত:বুধবার ০১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ |

Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট: সাধারণত উল্টো খবরটিই বেশি পাওয়া যায়। সুন্দরবন এলাকায় বাঘের আক্রমণে মৃ্ত্যু হয়েছে সাধারণ মানুষের বা মধু সংগ্রহের সময়ে বাঘের অতর্কিত আক্রমণে প্রাণ গিয়েছে স্থানীয় মানুষের। কিন্তু বাঘের মৃত্যু? সেই খবরই মিলল এবার। 

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় সুন্দরবনের জোংড়া আর মরাপশুর খালের মাঝামাঝি এলাকা জোংড়া খালের অন্তর্গত আন্ধারিয়া খালের মুখ থেকে ভাসমান অবস্থায় মিলল এক রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মৃত দেহ। মৃত দেহটি উদ্ধারে গেছেন বনরক্ষীরা।

সুন্দরবনের কনজারভেটর অফ ফরেস্ট (সিএফ) মিহির কুমার দো বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, খবর পাওয়ার পর বনরক্ষীরা গেছেন। বাঘটিকে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে বেশ কয়েক দিন আগে মারা গেছে বাঘটি। 

তিনি আরো বলেন,বাঘটির মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। পাশাপাশি, মৃত্যুর কারণ জানার জন্য বাঘটির বয়স-সহ অন্যান্য বিষয়গুলিও বন বিভাগ অনুসন্ধান করবে বলে জানা গেছে।


আরও খবর



ফিলিস্তিনের বিপক্ষে জাতিসংঘে ভোট দিল ৯ দেশ

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ |

Image

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্য পদের প্রস্তাব ব্যাপক সমর্থন নিয়ে পাস হয়েছে। ১৪৩টি দেশ প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দিয়েছে।

আর্জেন্টিনাসহ নয়টি দেশ বিপক্ষে ভোট প্রদান করেন। ২৫টি দেশ ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল।

শুক্রবার ভোটাভুটি হয়। জাতিসংঘের এ প্রস্তাব ফিলিস্তিনকে বিশ্বসংস্থাটিতে বাড়তি কিছু অধিকার দেবে। দেশটি বর্তমানে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক সদস্য হিসেবে রয়েছে।

যে নয়টি রাষ্ট্র ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে দেখতে চায় না, তারা এর আগে ২০১২ সালেও দেশটিকে সংস্থার অ-সদস্য পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা দেওয়ার বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল। রাষ্ট্রগুলো হলোআর্জেন্টিনা, চেচনিয়া, হাঙ্গেরি, ইসরায়েল, মাইক্রোনেশিয়া, নাউরু, পলাউ, পাপুয়া নিউগিনি এবং যুক্তরাষ্ট্র।

ইসরায়েল যে ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের সদস্য হতে দিতে চায় না, সেটা অনুমেয়। দেশটি ধারাবাহিকভাবে জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের সদস্য হওয়ার বিপক্ষে ভোট দিয়ে আসছে। ইসরায়েলের বন্ধু দেশ যুক্তরাষ্ট্রও ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে আগে ঘোষণা দিয়েই।

শুক্রবার (১১ মে) ভোটের আগে যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা করেছিল, তাদের প্রতিনিধি সাধারণ পরিষদে প্রস্তাবের ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে ভোট দেবে। ভোটের আগে, জাতিসংঘে মার্কিন মিশনের মুখপাত্র নেট ইভানস বলেছিলেন, ফিলিস্তিনের সদস্য পদের প্রস্তাবে ওয়াশিংটন না ভোট দেবে। অন্যান্য দেশগুলোকেও একই সিদ্ধান্ত নিতে উত্সাহিত করবে।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ পরিষদ যদি এই রেজুলেশন গ্রহণ করে ও ফিলিস্তিনের সদস্যপদের আবেদন নিরাপত্তা পরিষদে পাঠায়, গত এপ্রিলে যা ঘটেছিল তা আবারও ঘটবে বলে আশা করি।

উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল ফিলিস্তিনকে পূর্ণ সদস্য করার ব্যাপারে নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

চেক প্রজাতন্ত্র ঐতিহাসিকভাবে অনেক বেশিই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলপন্থী। হাঙ্গেরিও ইউরোপে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের একটি রাষ্ট্র। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বহু বছরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এর আগে গত অক্টোবরে গাজায় মানবিক যুদ্ধবিরতির বিরুদ্ধে ভোট দেয় হাঙ্গেরি।

আরব ও ইসরায়েলের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে আর্জেন্টিনার। যদিও ২০১০ সালে ফিলিস্তিনকে ১৯৬৭ সালে বিদ্যমান সীমানার মধ্যে মুক্ত ও স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। তবে, গত ফেব্রুয়ারি আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্ট জাভিয়ের জেরার্ডো মিলেই ইসরায়েল সফর করেন এবং নিজ দেশের দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর করার প্রতিশ্রুতি দেন। যা বুয়েনস আইরেসের বৈদেশিক নীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

এর মধ্যে জাভিয়েও ঘোষণাও দেন, তার সরকার হামাসকে একটি নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ঘোষণা করবে। কেননা, গত ৭ অক্টোবর থেকে হামাসের হাতে জিম্মি শত শত মানুষের মধ্যে আর্জেন্টিনার নাগরিকও ছিলেন।


আরও খবর



পাকিস্তানে ফের মেয়েদের স্কুল উড়িয়ে দিলো সন্ত্রাসীরা

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:

পাকিস্তানে ফের মেয়েদের স্কুলে বোমা হামলা করেছে জঙ্গিরা। শুক্রবার দেশটির খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের একটি মেয়েদের স্কুলের বোমা হামলা করেছে জঙ্গিরা। এর আগেও গত ৯ মে একটি মেয়েদের স্কুলে বোমা হামলা করা হয়েছিল।


জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ব্যাপক সন্ত্রাসী হামলার কবলে রয়েছে। বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বিভিন্ন জেলার মেয়েদের স্কুল এই ধরনের হামলার অন্যতম লক্ষ্যবস্তু।



শুক্রবার হামলার শিকার স্কুলটি ওয়ানা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত। এটি সোফিয়া নূর স্কুল নামে পরিচিত।


৯ মে উত্তর ওয়াজিরিস্তানের শেভা শহরে ইসলামিয়া গার্লস স্কুলে বোমা হামলা করা হয়। তবে বোমা হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


পরপর দুটি স্কুলে বিস্ফোরণের পর আতঙ্কে রয়েছেন প্রদেশের বাসিন্দারা। অতীতেও তারা বহুবার এ ধরনের হামলা দেখেছে।


পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম দ্য নিউজ অনুসারে, স্কুলের কয়েকটি ব্লকে নির্মাণকাজ চলছিল। খবর অনুযায়ী, ভোর ৩টার দিকে বিস্ফোরণে ভবনটির একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, স্কুলের প্রশাসন চাঁদাবাজির চিঠি পেয়েছিল। কিন্তু স্থানীয়রা তা অস্বীকার করেছেন।


ওয়ানা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘যারা স্কুলে হামলা করেছে তারা ওয়াজিরিস্তানের জনগণকে শিক্ষা ও উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রাখতে চায়। তবে এতে আমারা দমে যাব না। আমরা নতুন প্রজন্মকে শিক্ষিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।’


তিনি বলেন, তাদের সংগঠন প্রায় এক মাস আগে একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর কাছ থেকে চাঁদাবাজির চিঠি পেয়েছিল।


অ্যাসোসিয়েশনের একজন সিনিয়র সদস্য এএফপিকে বলেন, ‘এর কিছুদিন পর আমাদের অফিসে আরেকটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে ১ কোটি রুপি দিতে বলা হয়। এর পরে আমাদের কাছে আফগান নম্বর থেকে হুমকিমূলক কল আসতে শুরু করে। তারা কলে টাকা দাবি করতো।’


সদস্যদের অভিযোগ, স্থানীয় তালেবান গোষ্ঠীর থেকে চাঁদা দাবি করা হতো বলে স্কুল প্রশাসনকে বলা হয়েছিল। স্থানীয়ভাবে এই জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তা ব্যর্থ।


নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একজন জেলা সরকারি কর্মকর্তা এএফপিকে বলেছেন, তালেবান দলগুলো ওই এলাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করে। 


যারা টাকা দিতে রাজি না হয় তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়, তাদের বাড়িঘরে হামলা বা তাদের নিজেদেকেই হত্যা করা হয়। গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও হত্যা করা হয়েছে।




আরও খবর