Logo
শিরোনাম

খালি পেটে কাঁচা রসুন কেন খাবেন

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

সকালে উঠে অনেককেই উষ্ণ জলে লেবু খেতে দেখেছেন। অনেকেই আবার লেবু-মধুর ফর্মুলায় বিশ্বাসী। কেউ গ্রিন টি খান। অনেকে আবার খালি পেটে (Empty Stomach) রসুনের (Garlic) খাওয়ার পরামর্শ দেন। এর অনেক উপকারিতাও আছে। বলা হয় কয়েকশো রোগ সারিয়ে তুলতে পারে রসুন। সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন অব্যর্থ ওষুধ। এর উপকারিতা কী কী তা অনেকেরই অজানা। বহু রোগ নিরাময় করে কাঁচা রসুন। আর ভাজা রসুন ঠিক ততটাই ক্ষতিকর।

জেনে নিন প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক এই কাঁচা রসুনের কী কী উপকারিতা। রোজ সকালে এক কাপ চা দিয়ে দিন শুরু না করে রসুন দিয়ে করুন। তাহলে কী কী উপকারিতা পাবেন? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও সকালে কাঁচা রসুন খাবার পরামর্শ দেন, কেন জানেন?


১. পেট পরিষ্কার করতে
রসুনে শরীর থেকে টক্সিন পরিষ্কার করার বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর পাশাপাশি এটি পাকস্থলীতে উপস্থিত ব্যাকটেরিয়া দূর করতেও সহায়ক। বিশেষ করে যখন এটি খালি পেটে খাওয়া হয়।

২. হাত ঝনঝন করলে
অনেক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে খালি পেটে রসুন খেলে হাতের শিরায় ঝনঝন করার সমস্যা চলে যায়।


৩. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় উপশম
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তাদের জন্য খালি পেটে রসুন খাওয়া খুবই উপকারী। এটি রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়াতে কাজ করে। এর পাশাপাশি রসুন খাওয়া হার্টের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।


৪. কোলেস্টেরলের জন্য
খালি পেটে রসুন খেলে তবে এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

৫. ইমিউনিটি বাড়ায়
হ্যাঁ, রসুন খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। এর ফলে আমাদের শরীর আরও ভালোভাবে রোগ মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়।

 


আরও খবর

যোগাসনে ব্যায়াম হবে পুরো শরীরের

সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

হাঁটলে আয়ু বাড়বে

মঙ্গলবার ৩০ আগস্ট ২০২২




লক্ষ্মীপুরে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি নগদ টাকাসহ স্বর্ণলঙ্কার লুট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ঃ

লক্ষ্মীপুরে এক সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধষ ডাকাতির ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতদল ৮ ভরি স্বর্ণসহ নগদ ১৮ হাজার টাকা লুটে নিয়ে যায়। সোমবার দিবাগত রাতে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউপির আব্দুল্লাহ্পুর গ্রামের প্রবাসী নাছির উদ্দিনের ঘরে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। 

প্রবাসী শশুর আবু তাহের ও চাচা দলিল উদ্দিন দুলাল জানান,রাতে ডাকাত দল ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙে ঘরে ঢুুুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একটি রুমে আটকিয়ে রাখে প্রবাসীর স্ত্রী রীনা বেগম ও ৬ বছরের সন্তান ফাবিহাকে। এসময় তারা ঘরে থাকা নগদ ১৮ হাজার টাকা, ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ ঘরের মালামাল নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর থেকে তাদের মাঝে আতংক দেখা দিয়েছে। নিরাপ্তার জোরদার করতে টহল পুলিশের তৎপরতা বৃদ্ধির জোর দাবী জানিয়েছেন ভোক্তভোগীরা। 

সদর থানার ওসি মো :মোস্তফা কামাল জানান,ডাকাতি রোধে লক্ষ্মীপুর পৌর শহরসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ কাজ করছে। তবে ভবানীগঞ্জ ইউপির আব্দুল্লাহ্পুর এলাকায় প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির বিষয়ে তিনি শুনেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছেন। তবে মামলা হয়নি বলে জানান এ কর্মকর্তা। 


আরও খবর



চালের বাজারে শুল্ক কমার প্রভাব নেই

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

অস্থিতিশীল চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া রেগুলেটরি ডিউটি বা নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৫ শতাংশ কমানো হয়েছে। এর ফলে ব্যবসায়ীরা সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানি করতে পারবে মাত্র ১৫ শতাংশ শুল্ক দিয়ে।

সরকারের প্রত্যাশা এবার বাজারেও চালের দাম কমবে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা বলছে, বাজারে এর প্রভাব পড়তে কমপেক্ষ এক সপ্তাহ লাগবে। নতুন আমদানি করা চাল বাজারে না এলে দাম কমার সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ রাইস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহ আলম বাবু গণমাধ্যমকে বলেন, চাল আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আরো আগে নেয়া উচিত ছিল। কারণ ডলার ও ডিজেলের দাম বাড়ায় এখন আমদানিতেও খরচ বেশি। তিনি বলেন, আমদানি চাল বাজারে আসতে সপ্তাহ খানেক সময় লাগবে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মহাখালী ও বাড্ডা-রামপুরার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবচেয়ে মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা প্রতি কেজি। ২৮-২৯ নম্বর চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজিতে। মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৯৫ টাকা (মান ভেদে) কেজিতে। নাজির বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে। আর চিনিগুড়া চাল বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৫০ টাকা কেজিতে। বাসমতি, আতপ চাল বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। বাজারে অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির বিষয়টি স্বীকার করেছে সরকারের বাজার মনিটরিং প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ ,

আর পাইজাম চালও কেজি প্রতি ১ থেকে ৪ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬২ টাকা কেজিতে। যা এক সপ্তাহ আগেও বিক্রি হয় ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে। এছাড়াও আগে ৬৫ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া সরু নাজির চাল এ সপ্তাহেও একই দরে বিক্রি হচ্ছে।

প্রতিটি বস্তায় (৫০ কেজি) ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছে। চালের দাম বাড়ানো কিংবা শুল্ক বাড়ানোর কোনো হুজুগ পেলে সঙ্গে সঙ্গেই দাম বাড়ে। আর শুল্ক কিংবা দাম কমানোর নির্দেশনার পর আমাদের সেই মাল আসতে আসতে এক থেকে দুই সপ্তাহ কিংবা এক মাসও পার হয়ে যায়। তারপর সাধারণ মানুষ পায়। সুতরাং চালের দাম কমতে সময় লাগবে।

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত রোববার আমদানি শুল্ক মওকুফ করা হয়েছে। পাশাপাশি রেগুলেটরি ডিউটি বা নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৫ শতাংশ করা হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। এর আগে গত ২৪ জুন চালের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছিল। এখন আরও ৫ শতাংশ কমিয়ে দেয়া হলো। নতুন আদেশ অনুযায়ী চাল আমদানিতে এখন রেগুলেটরি ডিউটি বা নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৫ শতাংশ, আগাম আয়কর ৫ শতাংশ এবং অগ্রিম কর ৫ শতাংশসহ মোট ১৫.২৫ শতাংশ শুল্ক-কর দিতে হবে। এই আদেশ অটোমেটেড চাল ছাড়া সব ধরনের চাল আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




রাজধানীর বাড্ডায় পানির তীব্র সঙ্কট

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এখনো তীব্র পানির সংকট রয়েছে। এ নিয়ে ওয়াসার কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোন সমাধান মিলছে না। 

উত্তর বাড্ডার বেশকিছু এলাকাজুড়ে প্রায় একমাসজুড়ে তীব্র পানির সংকট রয়েছে। সারাদিন পানির অপেক্ষায় থেকেও, অধিকাংশ সময় হতাশ হতে হয় বাসিন্দাদের। মধ্যরাতে কিছু সময়ের জন্য পানি আসলেও,তা অপ্রতুল। 

পানির সংকটের কারণে গোসল, পানিপান, দৈনন্দিন সকল কাজ ব্যহত হচ্ছে। যাদের পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই, তাদের অবস্থা আরও ভয়াবহ। 

যদিও ঢাকা ওয়াসার তথ্য বলছে, রাজধানীতে দৈনিক সর্বোচ্চ ২৬৫ কোটি লিটারের চাহিদার বিপরীতে ২৭৫ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

বাড্ডার বাসিন্দারা বেশ কিছু দিন ধরে দূষিত পানি ব্যবহার করে ভয়াবহ পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার কবলে রয়েছে বলে মৌখিক অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

দূষিত পানি পানের কারণে মানুষ ডায়রিয়া, কলেরা, জন্ডিস, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস, কিডনি, লিভারসহ নানা জটিল ও প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় ধাবিত হচ্ছে।

বাড্ডার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওয়াসার পানিতে মাত্রাতিরিক্ত দুর্গন্ধ ও ময়লা পাওয়া যায়। দীর্ঘ সময় ফোটানোর পরেও কিছু কিছু এলাকার পানি থেকে দুর্গন্ধ দূর হয় না। ওই পানি পুরোপুরি পানের অযোগ্য।গোসলে পানি ব্যবহার করে ইতিমধ্যে অনেকে চুলকানি চর্ম রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসকদের দারস্ত হচ্ছেন। বিশুদ্ধ পানির সংকট দিন দিন প্রকট হচ্ছে।
২০১০ সালের মধ্যে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করার বিষয়ে সরকার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু আজও বাস্তবায়ন হয়নি। দূষিত পানি পান করে লাখ লাখ মানুষ, বিশেষ করে শিশুরা অধিক হারে পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
মাঠ পর্যায়ে কর্মরত বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রতিদিন ১০ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানির ঘাটতি রয়েছে। রাজধানীতে প্রতিদিন ২২০ থেকে ৩০০ কোটি লিটার পানির প্রয়োজন।

গত তিন দশকে ভূগর্ভস্থ পানির জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয় করা হলেও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়নি। বর্তমানে সারাদেশে বছরে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষ পানি সংকটে ভুগছে।

কেবল বিশুদ্ধ ও পরিচ্ছন্ন পানি ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পানিবাহিত রোগ এবং এ কারণে মৃত্যুঝুঁকি প্রায় ২১ শতাংশ পর্যন্ত কমানো যেতে পারে বলে মত দিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরো বলছে, উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোতে প্রতি ৫ জনে ৩ জন নিরাপদ খাবার পানি পায় না। স্বল্পমাত্রায় পানি সরবরাহ ও অপ্রতুল স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য এসব দেশে ৮০ শতাংশ রোগব্যাধি হয়ে থাকে।

একটি বিশেষ মাধ্যমে সংশ্নিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে মানুষের প্রতিদিন সুপেয় পানির যে চাহিদা রয়েছে, ভূগর্ভস্থ পানি থেকে সেই চাহিদা পুরোপুরি মেটানো সম্ভব নয়। অপরিকল্পিতভাবে পানি উত্তোলনের কারণে প্রতি বছরই ভূর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নামছে। 

বিশেষ করে এই গরমের মৌসুমে তীব্র ভোগান্তি হয় পানি নিয়ে।যেমন এই বছর মাঘ মাসের শেষ দিক থেকে শুরু হয়েছে দুর্গন্ধযুক্ত পানি। যাও মধ্যরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করে পানি সংগ্রহ করি তাও অত্যন্ত ব্যবহার অনুপযোগী।

  কিন্তু কি করার পানির তো দৈনন্দিন প্রয়োজন রয়েছে।অপর এক বাড়িওয়ালা বলছেন গত কয়েক মাস ধরে এসব দূষিত পানি ব্যবহার করে পরিবারের সবাই অতিষ্ঠ হয়ে গেছে ।

তার উপরে সুপেয় পানি সরবরাহের দামে গত কয়েক মাস ধরে দূর্গন্ধযুক্ত পানি ব্যবহার করে সুপেয় পানির বিল দিতে হচ্ছে এ ভাবে কতো দিন আমরা ভোগান্তিতে ভুগবো।

 


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




মুক্ত চিন্তার নাগরিক ঐক্য পরিষদের আত্মপ্রকাশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

লালমনিরহাটে মুক্ত চিন্তার নাগরিক ঐক্য পরিষদের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।  সারাদেশের ছিন্নমূল ও ঝরে পড়া মানুষের কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্যে এই অসাম্প্রদায়িক, অরাজনৈতিক সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করেছে।  লালমনিরহাট জেলার পরিচ্ছন্ন সাংবাদিক, সংস্কৃতিজন ও ৭১ টেলিভিশনের প্রতিনিধি উত্তম রায়ের প্রস্তাবে উপস্থিত সকলের  সম্মতি ক্রমে  লালমনিরহাট পৌরসভার কার্জীটারি মিলন কফি হাউজে বৃহস্পতিবার রাত সোয়া দশটায় ১৭ সদস্যের আহবায়ক কমিটি করে আত্মপ্রকাশ করেছে।  এসময় উত্তম রায়ের সভাপতিত্বে সবার সম্মতি ক্রমে মোঃ রুহুল আমিন মুন্সিকে আহবায়ক,সুজিত চন্দ্র সরকারকে যুগ্ম আহবায়ক ও মোঃ রুহুল আমিন মুন্সিকে আহবায়ক, সুজিত চন্দ্র সরকারকে যুগ্ম আহবায়ক ও রশিদুল ইসলাম রিপনকে  সদস্য সচিব করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট মুক্ত চিন্তার নাগরিক ঐক্য পরিষদ গঠন করা হয়েছে । এই সংগঠনটি সম্পূর্ণরুপে অরাজনৈতিক,সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক সংগঠন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন,মোঃ শামীম হোসেন,নিপেন কার্জী ( অবঃ পুলিশ সদস্য), আব্দুল হাই, হরেকৃষ্ণ মোহন্ত, মিলন রায়,সুমন চন্দ্র,জয়ন্ত,রবিউল ইসলাম,মিলন মোহন্ত, হরিচন্দ্র চন্দ্র ও আবু বক্কর সিদ্দিক প্রমুখ।


আরও খবর



পাংশায় সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

সৈকত শতদল, রাজবাড়ী  ঃ 

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে একই মঞ্চে সকল ধর্মের মানুষ একই সাথে র‌্যালি ও আলোচনা সভায় অংশ গ্রহন করেন।

বৃহঃবার সকালে  র‌্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পাংশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ফদিন হাসান ওদুদ,পাংশা পৌর মেয়র ওয়াজেদ আলী , পাংশা মডেল থানার ওসি মোহাম্মাদ মাসুদুর রহমান, পুজা উদযাপ পরিষদের আহবায়ক সুব্রত কুমার দাশ সাগর, পাংশা সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসার সহকারী অধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সজ্ঞালনা করেন পাংশা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ সামুদুর রহমান রুবেল।

বক্তাগণ বলেন পাংশায় ইতিপূর্বে ধর্ম পালনে সমস্যা হয় নাই, সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বাস করছে। আগামীতে সামাজিক সম্প্রতি যাতে বিনষ্ট না হয় সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। আসন্ন দূর্গা পুজা উপলক্ষে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধারা  বজায় থাকবে বলে আশা প্রদাশ করেন। 

অনুষ্ঠানে উপজেলার কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান গণ, মন্দির কমিটির প্রধানগণ, মসজিদের ইমাম গণ উপস্থিত ছিলেন। 


আরও খবর