Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

খরচ কমিয়ে হজ প্যাকেজ ঘোষণা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

২০২৪ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান। আগামী বছর বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের জন্য ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন সৌদি আরবে যেতে পারবেন। এক্ষেত্রে সরকারি সাধারণ প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা।

তিনি জানিয়েছেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যেতে পারবেন ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। এর মধ্যে সরকারি কোটা ১০ হাজার ১৯৮ জন। এছাড়া বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে হজ পালনের কোটা ১ লাখ ১৭ হাজার জন।

হজ প্যাকেজের মূল্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারি সাধারণ প্যাকেজ মূল্য ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারিভাবে সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় গত বছরের তুলনায় ৯২ হাজার ৪৫০ টাকা কম।

এ ছাড়া বিশেষ প্যাকেজের মূল্য ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

বিমান ভাড়া কমানোর কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বিমান ভাড়া ২ হাজার ৯৯৭ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, সরকারি মাধ্যমে সাধারণ প্যাকেজের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেসরকারি মাধ্যমে হজ প্যাকেজ ঘোষণা করবে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন (হাব)।

২০২৪ সালের ১৬ জুন পবিত্র হজ্জ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন ফরিদুল হক খান। তিনি বলেন, আগামী ১ মার্চ থেকে হজ ভিসা ইস্যু শুরু হবে। আর হজ ফ্লাইট শুরু হবে ৯ মে থেকে


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




আইনের কঠোর প্রয়োগ না থাকায় বাড়ছে চালের দাম

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

চলতি বছরের শুরু থেকেই অস্থিরতা লেগে আছে দেশের মানুষের প্রধান খাদ্যপণ্য চালের বাজারে। মন্ত্রী-সচিবদের হুমকি-ধমকি এবং মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের অভিযানসহ সরকারের নানা পদক্ষেপেও স্বস্তি ফিরছে না। অভিযানের পর পাইকারি চালের বাজারে তাৎক্ষণিক নামমাত্র দাম কমলেও এর প্রভাব নেই খুচরা বাজারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধু ভয় দেখালে হবে না, আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মোটা চাল (স্বর্ণা ও চায়না ইরি) বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০-৫৩ টাকায়। মাঝারি মানের চাল (পাইজাম ও বিআর ২৮) ৫২-৫৭ টাকা এবং সরু চাল (মিনিকেট ও নাজিরশাইল) ৬৫ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছু হাস্কিং মিলের মোটা চাল ৪২-৪৫ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। অথচ চলতি জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকেও এসব চালের দাম প্রতি কেজিতে ১০ টাকা কমে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে জোরেসোরেই মাঠে নেমেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। চালের অবৈধ মজুত প্রতিরোধে নিয়মিত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সারাদেশে কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। মাগুরা জেলায় ৩৭টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ফুডগ্রেইন লাইসেন্স না থাকায় ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জয়পুরহাটে ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। অতিরিক্ত মজুত রাখায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া দিনাজপুরে ৬২টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ফুডগ্রেইন লাইসেন্স না থাকায় চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নেত্রকোণায় ২২টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এসময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মূল্যতালিকা ও ফুডগ্রেইন লাইসেন্স না থাকায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি মাঠে কাজ করছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। দাম নিয়ন্ত্রণে নিজেই সরাসরি বাজারে যাচ্ছেন অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জামান। সম্প্রতি অভিযান পরিচালনার সময় তিনি বলেন, সরকারকে বিব্রত অবস্থায় ফেলতেই অযৌক্তিকভাবে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে। ডিসেম্বরের পর হঠাৎ চালের দাম বেড়ে গেছে। এটি উত্তরাঞ্চলের মিলগুলো থেকে করা হয়েছে। মিল মালিকরা বলতে চাচ্ছেন ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা এটা করেছে। তবে ধানের দাম বাড়লেও সেই ধানের চাল বাজারে আসার কথা বৈশাখ মাসে। একটি অসাধু চক্র এর আগেই দাম বাড়িয়েছে। আর যারা এটা করছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশালের ফরিয়াপট্টি, চকবাজার এলাকার পাইকারি বাজার পরিদর্শন করেন এ এইচ এম শফিকুজ্জামান। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি বলেন, এসএমএসের (ক্ষুদে বার্তা) মাধ্যমে ডিম, ব্রয়লার মুরগির মতো চালের বাজারও অস্থির করে দেওয়া হচ্ছে। মাঝে মাঝে সুযোগ নিয়ে ১৭ কোটি ভোক্তাকে প্রতারিত করছে ক্ষুদ্র কয়েকটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী। এর আগে আলু, ব্রয়লার মুরগি, ডিম নিয়ে যা করছে আজ চাল, কাল পেঁয়াজ নিয়েও তা করা হচ্ছে। আর এদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান রয়েছে আমাদের।

এদিকে না শোধরালে মজুতদারদের জেলে পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। রোববার নওগাঁয় এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, দেশে খাদ্য শস্যের কোনো ঘাটতি নেই। সাধারণ মানুষের জন্য সরকারিভাবে ওএমএস চালু আছে। ডিজিটাল কার্ড প্রস্তুত হয়েছে। শিগগিরই ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে ওএমএস বিতরণ করা হবে। এতে এক ব্যক্তি বারবার চাল নিতে পারবেন না। চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে হলে ব্যবসায়ীদের অধিক লাভের মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে। চালের দাম বৃদ্ধির পেছনে মিলার, পাইকারি, খুচরা ব্যবসায়ী ও করপোরেট সবার দায় রয়েছে। ফুডগ্রেইন লাইসেন্স স্পটে গিয়ে দেওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে। অনেকেই আবার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটা লাইসেন্স নিয়ে কোটি কোটি টাকার পণ্য মজুত করে ফেলেন। এটা তো হতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন ২০২৩ পাস হয়েছে। বিধি প্রণয়নের কাজ চলছে। এটি সংসদে অনুমোদন পেলে অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে আরও শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া যাবে। শুধু জরিমানা করেই ছাড় নয়, অবৈধ মজুতদারেরা না শোধরালে তাদের জেলে যেতে হবে।

চালের মূল্য বৃদ্ধির মধ্যে বাজারে সরবরাহের কোনো সংকট নেই জানিয়ে খাদ্যসচিব ইসমাইল হোসেন বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে আসতে বাধ্য। না আসার কোনো কারণ নেই। সারাদেশে খাদ্যের কোনো সংকট নেই। আমন মৌসুম শেষ হলো। সুতরাং ভরা মৌসুমে চালের সংকট নেই। খাদ্যের সংকট হবে এমনটিও ভাবার কোনো কারণ নেই। যদি পরিস্থিতি এমন হয় মজুতদারেরা মূল্য কমাতে চাচ্ছে না, তাহলে জিরো ট্যাক্স করে আমরা বিদেশ থেকে চাল আমদানির অনুমতি নিয়ে নেব। তাহলে মজুতদারেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অপরদিকে, বাংলাদেশ রাইস মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জাকির হোসেন রনি  বলেন, দীর্ঘদিন আইনের কঠোর প্রয়োগ না থাকার কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তাদের লাগাম টানতে হবে।

এ বিষয়ে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস চেয়ারম্যান এস এম নাজের হোসাইন বলেন, এখনও চালের বাজারে কোনো নিয়ন্ত্রণ নাই। এখন খাদ্য মন্ত্রণালয় যে অভিযান চালাচ্ছে তার কোনো ইম্পেক্ট খুচরা বাজারে নাই। তারা যে পরিসরে অভিযান পরিচালনা করছে তা খুবই নগণ্য।

তিনি আরও বলেন, আমরা সরকার দুইটা বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছি। একটা হচ্ছে এই অভিযানটা খাদ্য মন্ত্রণালয় একা না করে জেলা প্রশাসক, ভোক্তা অধিদফতরসহ যেসব সংস্থা আছে তাদেরকে নিয়ে সমন্বিতভাবে যদি এটা করতো তাহলে এটার ফলোআপ থাকত। এখন মন্ত্রণালয় থেকে যেখানে যাচ্ছে পরবর্তীতে সেখানে আর কোনো ফলোআপ নাই। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, ব্যবসায়ীদেরকে লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসতে হবে এবং আইনে যে বিষয়গুলো বলা আছে তার কঠোর প্রয়োগ করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে আইন প্রয়োগ হয় নাই। যার কারণে তারা বেপরোয়া হয়ে গেছে। এখন যে হাঁকডাক দেওয়া হচ্ছে, ব্যবসায়ীরা তো জানে এই হাঁকডাক দুই-চার দিন থাকবে, তারপর আবার স্বাভাবিক। এজন্য আর হাঁকডাক না দিয়ে যদি অ্যাকশনে যাওয়া যায় তবে এর সুফল পাওয়া যাবে।


আরও খবর



কেমন আছেন ভাষা সৈনিক অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image
  1. মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):

হাতে গোণা যে ক'জন মানুষকে এখনো গুরুজন বলে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে ইচ্ছে করে তাদের মধ্যে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ভাষা সৈনিক অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক (ডলার মল্লিক) চাচা অন্যতম। প্রিয়ভূমি ধামরাইয়ের এই কৃতি সন্তান পঞ্চাশের দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে রাজশাহী কলেজের একজন তুখোড়  ছাত্রনেতা হিসাবে প্রগতিশীল ও বামধারার রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রভাষার দাবি রাজশাহীর ছাত্র জনতার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং সংস্কৃতির অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অনন্য অবদান রেখেছেন। যা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়েছে। রাজশাহীর ঐতিহাসিক ভুবন মোহন পার্কে নির্মিত ভাষা সৈনিক স্মারক স্মৃতিস্তম্ভে তাঁর নাম সগৌরবে স্থান পেয়েছে। পেশাগত জীবনে অধ্যাপনা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে কাজ করেছেন। ব্যাংকিং সেক্টরে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের অর্থনীতিবিদদের সংগঠনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এখন অবসর জীবন যাপন করছেন। এই মানুষটির কাছে গেলে মনে হয় খর রৌদ্রে বটের ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছি। তিনি শুধু আমাদের গুরুজন নন, অকৃত্রিম শুভাকাঙ্ক্ষীও বটে। দেখা হলেই বুকে জড়িয়ে ধরে আদর করেন, কপালে একটা চুমু দেন। ত্রিকালদর্শী এই গুণী মানুষটির স্নেহ সান্নিধ্যে সময় কাটাতে পারাটাও সৌভাগ্যের। তাঁর  পাশে বসলে অনায়াসে ঘুরে আসা যায় ইতিহাসের নানা বাঁকে। আলাপচারিতায় তাঁর জ্ঞানগর্ভ কথাবার্তা সেদিন শুনছিলাম আর অনুপ্রাণিত হচ্ছিলাম। প্রখর জীবন বোধের মানুষ অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক। এমন জ্ঞানী প্রাজ্ঞজনের মুখোমুখি মাঝে মধ্যে বসলে নিজেকে বিশুদ্ধ করার তালিম পাওয়া যায়। আমাদের জাতীয় চেতনার স্মারক অমর একুশে ফেব্রুয়ারিতে আমাদের ধামরাইবাসীর অহংকার ও গর্বের প্রতিক ইতিহাসের জীবন্ত কিংবদন্তি অধ্যাপক এল. আর. মল্লিকের প্রতি অতল শ্রদ্ধা জানাই আর প্রার্থনা করি তিনি শতায়ু হোন..


আরও খবর



মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ মাভাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মো হৃদয় হোসাইন মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :

সম্প্রতি মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে মাত্রাতিরিক্ত হারে বেড়েই চলছে মশার উপদ্রব।প্রতিবছরের ন্যায় এবছর ও মশার উপদ্রপের অন্ত নেই।  এতে করে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে ।

মশার উপদ্রব রোধে  সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি। কেননা মশার অত‍্যাচারে রীতিমতো অতীষ্ঠ জনজীবন। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে তাদের অত‍্যাচারের মাত্রা তীব্র হয়ে ওঠে। সন্ধ্যায় কোথাও একটু স্থির হয়ে বসা তো দূরের কথা দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মশা নামক এই ক্ষুদে প্রাণীটি তার পরিবারসহ আক্রমণে নামে। শুধু সন্ধ্যা বা রাতে নয় বরং  এদের উপদ্রব এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে, দিনের দুপুরেও তাদের ভোঁ ভোঁ শব্দ থেকে রেহাই নেই। মশার মাধ্যমে ডেঙ্গু চিকুনগুনিয়া ছাড়াও ম‍্যলেরিয়া, ফাইলেরিয়া, জিকা, পীতজ্বর ইত্যাদি রোগসহ নানা মারাত্মক রোগে সংক্রমিত হতে পারে। মশার উপদ্রব রোধে ক্যাম্পাস পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। বিশেষ করে, হলের আবাসিক এলাকাসহ অনেক জায়গায় নোংরা পরিবেশে এডিস মশার উৎপাত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে । বিষয়টি  কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে বলে প্রত্যাশিত।

ফলে শিক্ষার্থীরা দিনেরবেলা ক্যাম্পাসে  ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে দুঃসহ যন্ত্রণার মুখে পড়ছেন।  আর রাতে হলে পড়াশোনা ও ঘুমে ব্যাঘাত ঘটছে। এতে মশার কামড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কয়েকজন।

জানা গেছে, হলের আশপাশের এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানের ড্রেনগুলো পরিষ্কার না করা ও ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থাকায় মশার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ ছাড়া প্রতি বছর শীতের শুরু থেকে বিভিন্ন সময় একাধিকবার মশক নিধন অভিযান হয়ে থাকলেও এ বছর তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। ফলে দিনের পর দিন মশার উপদ্রব বেড়েই চলছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছি। এছাড়া শিক্ষার্থীদের উচিত পানি, ময়লা আবর্জনা নির্দিষ্ট স্হানে ফেলা। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন করা।


আরও খবর



লালমনিরহাটে পৃথক অভিযানে ৯ মাদক কারবারি আটক

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিনিধি,লালমনিরহাট: 

জেলা সদর লালমনিরহাট থানা পুলিশের পৃথক পৃথক তিনটি অভিযানে ৩৫ বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সহ ০২ জন, ১০ বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিলসহ ০২ জন, এবং ০২ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মাদকদ্রব্য পরিবহনে ব্যবহৃত ০১টি ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সা জব্দ।

পুলিশ সুপার লালমনিরহাট এর দিক নির্দেশনায় লালমনিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ  মোঃ ওমর ফারুক এর নের্তৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযানে লালমনিরহাট থানা পুলিশের অভিযান টিম এর এসআই দীপ্ত কুমার সিং সঙ্গীয় ফোর্সসহ ১নং মোগলহাট ইউনিয়নের দুরাকুটি মৌজাস্থ বিষবাড়ী এলাকার সামনে মোগলহাট টু লালমনিরহাট গামী পাকা রাস্তার ওপর হইতে আসামী মিস্টার আলী(৩৮), পিতা-মৃত-জহুরুল হক, সাং- দুর্গাপুর, থানা- আদিতমারী, জেলা -লালমনিরহাট,মোঃ সাজ্জাদ কবির @ রতন (৪১), পিতা-মোঃ ফারুক হোসেন, সাং- মিয়াপাড়া দোয়ানীটারী, থানা- হারাগাছ, জেলা -রংপুরদ্বয়কে হাতে নাতে গ্রেফতার করেন। 

এছাড়াও থানা পুলিশের অপর অভিযানে এসআই মোঃ আশরাফুল ইসলাম ফোর্সসহ লালমনিরহাট থানাধীন ০৮ নং গোকুন্ডা ইউনিয়নের তিস্তা এলাকা হইতে আসামী মোঃ আব্দুর রহিম(২৮), পিতা-মোঃ আজিজার রহমান, গ্রাম- দুলালী, ইউপি-গোরল ০৬নং ওয়ার্ড , থানা- কালীগঞ্জ, জেলা -লালমনিরহাট, মোঃ মামুন শেখ (২২), পিতা-তছির উদ্দিন, মাতা-মোছাঃ মাছুদা বেগম, গ্রাম- বেড়াভাঙ্গা, থানা- পলাশবাড়ী, জেলা -গাইবান্ধাদ্বয়কে হাতে নাতে গ্রেফতার করেন।


একই এলাকায় আরেকটি অভিযানে এসআই মোঃ রুহুল ইসলাম ০২ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ আসামী মোঃ আনিছুর রহমান, পিতা- মোঃ আলেফ উদ্দিন, সাং-রতিপুর বাতানটারী, থানা ও জেলা- লালমনিরহাটকে হাতে নাতে গ্রেফতার করেন। এসময় মাদকদ্রব্য গাঁজা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারী চালিত পুরাতন অটো রিক্সা জব্দ করে।

 মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক মাদক মামলা রুজু করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ও ওমর ফারুক।


আরও খবর



নওগাঁয় এক নারীর গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন,সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর মহাদেবপুরে বাড়ির বাথরুমের ভেতর থেকে নার্গিস বেগম নিপুন (৪৩) নামের এক নারীর গলা কাটা মৃতদেহ উদ্ধার করেছে মহাদেবপুর থানা পুলিশ। নিহত নার্গিস বেগম মহাদেবপুর উপজেলার চক দৌলত গ্রামের মৃত নাসির উদ্দীন এর মেয়ে ও মহাদেবপুর উপজেলা সদরের মৃত আনোয়ার হোসেন সোনারের স্ত্রী ছিলেন। সে দীর্ঘদিন থেকে সদরের মডেল স্কুল মোড়ে মায়ের বাসায় মায়ের সাথে থাকতেন।

নিহতের মা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৭ টার দিকে বাসার ভিতরেই বাথরুমে যায় নিপুন। ফিরতে অনেক দেরী হওয়ায় তার মা মেরিনা বেওয়া বাথরুমে গিয়ে মেয়ের গলাকাটা মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে। এ সময় তিনি কোরআন শরীফ পড়ছিলেন বলে ও জানান তিনি। 

তিনি আরো জানান, তার মেয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। তার মেয়েকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোস্তফা আলীমের কাছে চিকিৎসা করাচ্ছিলেন। এর আগেও সে দু' বার আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। মঙ্গলবার সকালে রান্নাঘর থেকে বটি নিয়ে এসে সে নিজেই নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা করেছে এমনটি তার ধারণা করছেন তিনি। মাস তিনেক আগে স্বামীর সাথে ডির্ভোস হয় নার্গিসের। ডির্ভোসের মাস দেড়েক পর ওই স্বামীর মৃত্যু হলে সে আরো বেশি মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। 

মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, প্রাথমিক সুরতহাল শেষে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।


আরও খবর