Logo
শিরোনাম

নওগাঁয় নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ছাত্রকে পেটালেন এক শিক্ষক

প্রকাশিত:রবিবার ২১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ১৮৯জন দেখেছেন

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোটার :

নওগাঁয় নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ৮ম' শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্রকে পিটিয়ে রাগ নিয়ন্ত্রণ করলেন এক শিক্ষক। পরে ছাত্র ও তার অভিভাবকের কাছে নিজের ভুল শিকার করে গোপনে ঘটনাটি মিমাংসা ও করেছেন মারপিটকারি শিক্ষক।

শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রকে মারপিট করার ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার হাটচকগৌরী উচ্চ বিদ্যালয়ে। 

মারপিটের শিকার ছাত্র নাহিদ ইসলাম ওরফে অপু মহাদেবপুর উপজেলার পাতনা গ্রামের আমিনুল ইসলাম এর ছেলে ও হাটচকগৌরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুই জন শিক্ষার্থী জানান, ঘটনার দিন গত মঙ্গলবার দুপুরে ৮ম' শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্র নাহিদ ইসলাম ওরফে অপু (১৪) টিউওবয়েল পাড়ে গিয়ে পানি তুলে চোখমুখ ধোয়ার সময় পানি ছিটকে অপর শিক্ষার্থীদের শরীরে পরে। এসময় বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোকলেছুর রহমান পানি ছিটানোর অপরাধে ক্ষিপ্ত হয়ে রুম থেকে বেত এনে নাহিদ ইসলাম ওরফে অপুকে বেদম মারপিট করেন।

মারপিটের শিকার ছাত্র নাহিদ ইসলাম ওরফে অপু'র দুলাভাই প্রতিবেদক কে রবিবার মুঠোফোনে কলদিয়ে জানান, একজন শিক্ষক হলেন জাতি গড়ার কারিগড়। আর সেই জাতিগড়ার কারিগড় শিক্ষক নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কোন ছাত্রকেই অমানবিক ভাবে মারপিট করতে পারেন না। মারপিটের ঘটনাটি অমানবিক। তিনি আরো বলেন, কিভাবে মারপিট করা হয়েছে শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখলে যে কেউ হতবাক হবেন।


এব্যাপারে বক্তব্য নিতে হাটচকগৌরী উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক এনামুল হক এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রকে মারপিট করার ঘটনাটি তিনি জানেন না বলে জানান।

বক্তব্য নিতে সহকারি শিক্ষক মোকলেছুর রহমান এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, সহকারি শিক্ষক মোকলেছুর রহমান মারপিট করার কথা শিকার করে বলেন, আমি রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে মারপিট করেছি। মারপিট করা ঠিক হয়নি জন্যই ঘটনাটি পরের দিন বুধবার মিমাংসা করা হয়েছে। 

ছাত্রের অপরাধ কি ছিলো যে কারনে আপনি তাকে বেদম মারপিট করলেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ঐ ছাত্র শিক্ষার্থীদের শরীরে পানি ছিটাচ্ছিলেন এমন দৃশ্য দেখে আমি রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে মারপিট করেছি এবং পরে ভেবে দেখেছি মারাটা ঠিক হয়নি এজন্য মিটিয়ে ফেলেছি।

অপরদিকে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আতাউর রহমান প্রতিবেদক এর মুঠোফোনে কলদিয়ে জানান, মারপিট এর যে ঘটনা ঘটেছে তা ইতি মধ্যেই মিমাংসাও করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, যেহতু ঘটনাটি মিমাংসা করা হয়েছে, এজন্য এবিষয়ে কোন সংবাদ প্রকাশ করার দরকার নেই। অপরদিকে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রকে মারপিট করার ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়ার পর অভিভাবকদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। অপরদিকে রবিবার দুপুরে সরজমিনে হাটচকগৌরী উচ্চ বিদ্যালয়ে গেলে এসময় প্রধান শিক্ষক তার অফিস কক্ষে মারপিট এর শিকার শিক্ষার্থী ও মারপিটকারি শিক্ষককে ডেকে নিয়ে বলেন, আসলেই ঘটনাটি আমি আগে জানতাম না। এক পর্যায়ে প্রতিবেদক মারপিটের শিকার ছাত্রের বক্তব্য নিতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন, কারো কোন অভিযোগ নেই। তারপর বক্তব্য নিলে এখানেই (অফিস রুমে নেন)। এসময় প্রধান শিক্ষক ও মারপিটকারি শিক্ষক এর সামনে কিছুটা বাধ্য হয়েই মারপিট এর শিকার ছাত্র প্রতিবেদক কে জানান, আমি হয়তটা দুষ্টুমি করেছি বলেই স্যার আমাকে মেরেছেন, পরে স্যার ডেকেনিলে আমি স্যারকে জড়িয়ে ধরি স্যারও আমাকে জড়িয়ে ধরেন। এসময় তার নির্যাতনের কয়েকটি ছবি দেখিয়ে তার ছবি কিনা ছাত্রকে জিজ্ঞাসা করলে বলেন, হাঁ মারপিট করার পর বাড়িতে গেলে আঘাতের ছবিগুলো ফোনে তুলেছিলো জানিয়ে তিনি বলেন আমি ও স্যার সব ভুলে মিমাংসা হয়েছি।


আরও খবর



অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত ‘মোখা’

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ জুন ২০২৩ | ৭৩জন দেখেছেন

Image

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি আজ (শুক্রবার) ভোর ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১০২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১০২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও আরও ঘনীভূত হতে পারে।

এ ছাড়া অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।

এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।


আরও খবর

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় তেজ

রবিবার ০৪ জুন ২০২৩




ইমরান খানের জামিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ জুন ২০২৩ | ১১৩জন দেখেছেন

Image

আল কাদির ট্রাস্ট মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান ইমরান খানকে দুই সপ্তাহের জামিন দিয়েছেন ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। ১২ মে সংক্ষিপ্ত শুনানির পর বিচারপতি মিয়াঁগুল হাসান আওরঙ্গজেব ও বিচারপতি সামান রাফাত ইমতিয়াজের সমন্বয়ে গঠিত ইসলামাবাদ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ইমরান খানকে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে নেওয়া হয়। এ কারণে রাজধানী ইসলামাবাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। টেলিভিশনে প্রচারিত ফুটেজে পুলিশ ও রেঞ্জার্স কর্মকর্তাদের আদালত প্রাঙ্গণের বাইরে মোতায়েন থাকতে দেখা গেছে এবং আদালতের গেটের সামনে কাঁটাতারের বেড়া দেখা গেছে। ইসলামাবাদ হাইকোর্টের (আইএইচসি) বাইরের ফুটেজে দেখা গেছে, পিটিআই প্রধানের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে স্লোগান দিচ্ছেন বিপুল সংখ্যক আইনজীবী।

দুর্নীতির মামলায় গত মঙ্গলবার ইসলামাবাদ হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে নাটকীয়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয় ইমরান খানকে। তার সেই গ্রেপ্তার পারমাণবিক অস্ত্রধারী এদেশে মারাত্মক অস্থিরতা সৃষ্টি করে এবং এরই একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট ইমরানের গ্রেপ্তারকে অবৈধ এবং বেআইনি বলে রায় দেয়।

বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদ হাইকোর্ট ইমরান খানের গ্রেপ্তারকে বেআইনি বলে আখ্যায়িত করেন।

ইমরান খানকে হাজির করা উপলক্ষে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে বাড়তি পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। আদালতের মূল ফটকে পেচানো কাঁটাতার ফেলে নিরাপত্তা বুহ্য সৃষ্টি করা হয়েছে।

এদিন আদালত কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পিটিআই প্রধান জানান, গ্রেপ্তারের পরে ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবলিটি ব্যুরোর (এনএবি) কর্মকর্তারা ল্যান্ডফোনের মাধ্যমে স্ত্রীর সঙ্গে তাকে কথার বলার অনুমতি দিয়েছিলেন।

গ্রেপ্তার হবেন ভেবেছিলেন কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে ইমরান খান বলেন, আমি শতভাগ নিশ্চিত ছিলাম, আমাকে গ্রেপ্তার করা হবে।

সূত্র : খবর দ্য ডন ও আলজাজিরা।


আরও খবর



নওগাঁয় মরিচের গুড়ো ছিটিয়ে ৩জন নারীকে পিটিয়ে আহত করলেন শিক্ষিকা

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ২৩১জন দেখেছেন

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁর মহাদেবপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর একজন শিক্ষিকা, তার স্বামী, শ্বাশুড়ি ও ভাসুড়ের বিরুদ্ধে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ এর জের ধরে চোখে মরিচের গুড়ো ছিটিয়ে ৩ জন নারীকে বেদম পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ।

শনিবার ৩ জুন দুপুরে মারাত্মক আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার চাঁন্দাশ ইউনিয়ন এর বাগডোব বাজারের মৃত হবিবর রহমানের স্ত্রী বৃদ্ধা মাজেদা বেওয়া (৬০) জানান, তিনি তার দুই মেয়ে সুফিয়া বেগম (৩৫) ও রুবিয়া বেগম (৩০) কে নিয়ে তার স্বামীর পৈত্রিক ভিটায় বসবাস করে আসছেন। এরমধ্যে তার ২জন মেয়ে ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করতে যায়। এসময় তিনি একা সে বাড়িতে থাকেন। এই সুযোগে তার প্রতিপক্ষ আহম্মদ আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম মুকুল, তার স্ত্রী গুড়হাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর শিক্ষিকা নাজমা আকতার, নাজমার শ্বাশুড়ি ছফেরা বেগম ও জ্যাঠাতো ভাসুর মৃত ফজর মাস্টারের ছেলে গঙ্গারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর শিক্ষক বকুল হোসেন জমিজমা নিয়ে বিরোধ তৈরি করে তাদেরকে বাড়ি ভিটা থেকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা করছেন। এনিয়ে আদালতে একের পর এক মামলা দায়ের করে তাদেরকে হয়রানী করছেন। তাদের মাটির বাড়ির দেয়াল ও ধারি সংলগ্ন স্থানে পানি উত্তোলনের মর্টার বসানোর ফলে পানি জমে দেয়াল ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। দেয়ালের পাশ দিয়ে যাবার রাস্তা বন্ধ করে দেয়ায় দেয়াল ও ধারি মেরামতের জন্য বাড়ির পিছনে যেতে পারেন না। এছাড়া ঘরের দীর্ঘদিনের পুরনো টিন দিয়ে পানি পড়তে থাকায় টিন মেরামত করতে গেলে বাঁধা দেন।

বৃদ্ধা মাজেদা আরো অভিযোগ করেন, শনিবার ৩ জুন বেলা ১১টার দিকে প্রতিপক্ষ মুকুল বিরোধীয় জমিতে লাগানো গাছের আম পাড়তে গাছে ওঠেন। গাছের ডাল মাজেদা বেওয়ার বাড়ির টিনের উপর পড়ায় টিন ফুটো হয়ে যায়। তাই তিনি ও তার দুই মেয়ে সেখানে গিয়ে খাঁচি দিয়ে আম পাড়ার পরামর্শ দেন। এতে মুকুল রেগে গিয়ে গাছ থেকে নেমে তাদেরকে লাঠি দিয়ে বেদম প্রহার করেন। এনিয়ে হৈচৈ শুরু হলে মুকুলের স্ত্রী আগে থেকে তৈরি করে রাখা মরিচের গুড়ো প্রতিপক্ষদের চোখে ছিটিয়ে দিয়ে মারামারিতে লিপ্ত হন। এসময় নামজার শ্বাশুড়ি ও ভাসুরও সেখানে এসে মারামারিতে যোগ দেন।

হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে এব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন বলেও তিনি জানান।

বিকেলে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গেলে শিক্ষিকা নাজমা আকতার বিরোধীয় জমির আমগাছ থেকে আম নামানোর কথা স্বীকার করে জানান ওই ৩জন নারী উল্টো তাকে ও তার শ্বাশুড়িকে মারধর করেছেন। 


আরও খবর



পানগুছি নদীর ভাঙনের মুখে ৬শ’ পরিবার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ জুন ২০২৩ | ৮২জন দেখেছেন

Image

এম.পলাশ শরীফ,বাগেরহাট:

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের পানগুছি নদীর অব্যাহত ভাঙনের মুখে ৬শ’ পরিবার। প্রতিনিয়ত শত শত বিঘা ফসলী জমি, বসত বাড়ি গাছপালা, রাস্তাঘাট নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে। বন্যা, জলোচ্ছাস এলেই আতংকে থাকতে হয় নদীর তীববর্তী বাসিন্দাদের। সন্ন্যাসী হয়ে ঘষিয়াখালী পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার স্থায়ী ভেড়িবাঁধের দাবি স্থানীয়দের।  

সরেজমিনে খোজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার নদীর তীরবর্তী ৮টি ইউনিয়নের ২০টি গ্রাম নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে নিঃস্ব হচ্ছে শত শত পরিবার। প্রতিদিনই ভাঙ্গছে নতুন নতুন এলাকা।  

মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের গাবতলা, কাঠালতলা নদীর তীরবর্তী এ দুটি গ্রামে এক সময়ে ৩/৪ হাজার পরিবার বসবাস ছিলো। বর্তমানে সেখানে দাড়িয়েছে ৬শ’ পরিবারের। তাও আবার ভাঙ্গনের মুখে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছে গত ৪০ বছরে বিলীন হয়েছে এ এলাকার ৩শ’ একর ফসলি জমি। শত শত পরিবারের বসতবাড়ি, গাছপালা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ একাধিক স্থাপনা প্রতিবছর হারিয়েছে যাচ্ছে। অব্যাহত এ ভাঙন থেমে নেই।  

গাবতলা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম বলেন, এ গ্রামের অনেকেই নদীগর্ভে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে অন্যত্র চলে গেছে।  

জেলে পল্লীর বাসিন্দা সেলিম তালুকদার, গফফার তালুকদার, শহিদ বেপারী বলেন, ছোট বেলা থেকেই শুনে আসছি ভেড়িবাঁধ হবে। এ পর্যন্ত ৩/৪ বার বসতবাড়ি ভেঙ্গে গেছে। আবার নতুন করে গড়েছি। এখন আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। বাপ দাদার অনেক জমি ছিলো, এখন নিঃস্ব হয়ে গেছি। নদীতে মাছ ধরে তা বিক্রি করে পরিবারের সকলকে নিয়ে দু’মুটো খেয়ে পড়ে বেঁচে আছি। ঘূর্ণিঝড় বন্যা এলেই আতংকে থাকতে হয় আমাদের। কবে হবে স্থায়ী ভেড়িবাধ?।

অপরদিকে কাঠালতলায় আশ্রয়ন প্রকল্পের ১১টি পরিবারের নেই কোন যাতায়েতের রাস্তা। কথা হয়, আশ্রয়নের বাসিন্দা সাফিয়া বেগম, মাহিনুর, নূরজাহান, চম্বা বেগমসহ একাধিক বাসিন্দারা বলেন, সরকারিভাবে ৪ মাস হয়েছে ঘর পেয়েছি। এখান থেকে যাতায়েতের কোন রাস্তা নেই। বন্যা হলে পরিবারের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে ঘরেই থাকতে হবে আাদের। মাটির রাস্তার কাজ শুরু করেও মাঝপথে তাও আবার বন্ধ হয়ে গেছে।  

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম তারেক সুলতান বলেন, এ উপজেলার সন্যাসী হয়ে ঘষিয়াখালী পর্যন্ত স্থায়ী ভেড়িবাঁধের জন্য ইতোমধ্যে সংসদ সদস্য’র মাধ্যমে পানিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের একটি টিম সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। কাজটির অগ্রগতিও রয়েছে। সকল আশ্রয়ন প্রকল্পের যোগাযোগ ব্যবস্থা রাস্তা নির্মাণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে পরিকল্পনা রয়েছে। 


আরও খবর



বিজ্ঞান মেলায় মুন্সীগঞ্জ জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করল জিস্ট পলিটেকনিক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ জুন ২০২৩ | ৫২জন দেখেছেন

Image

সৈয়দ মোহাম্মদ শাকিল নিজস্ব প্রতিবেদক :

আজ পহেলা জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে ৪৪তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিজ্ঞান মেলায় মুন্সীগঞ্জ জেলা পর্যায়ে আবারও প্রথম স্থান অর্জন করেছে গজারিয়া ইন্সটিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি জিস্ট পলিটেকনিক।

জেলা প্রশাসন মুন্সীগঞ্জের আয়োজনে ৪৪তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ইয়াজ উদ্দিন মডেল স্কুল এন্ড কলেজে প্রাঙ্গনে আয়োজিত বিজ্ঞান মেলা এবং ৭ম জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (৩১ মে থেকে ০১ জুন ২০২৩ খ্রি.) অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজিত বিজ্ঞান মেলায় বরাবরের মত গজারিয়া ইন্সটিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি জিস্ট পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট জেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করে মুন্সীগঞ্জ জেলার শীর্ষ স্থান ও প্রযুক্তিগত শিক্ষায় গুণগতমান বৃদ্ধির ক্রমবর্ধমান ধারা অব্যাহত রেখেছে।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জিস্ট প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যেই গজারিয়া উপজেলা পর্যায়ে প্রথম হওয়ার পর জেলা পর্যায় অংশগ্রহণ করেও প্রথম স্থান অর্জন করে জেলার শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসাবে নিজেদের মান অক্ষুন্ন রেখেছে।

প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক জিতু রায় এর সঞ্চালনায় ৪৪ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদযাপন সমাপনী  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ তৌহিদ এলাহী মুন্সীগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন গজারিয়া ইন্সটিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি রেজিস্ট্রার সৈয়দ মোহাম্মদ শাকিল সহ বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহনকারী মুন্সীগঞ্জ জেলার বিভিন্ন বিদ্যাপীঠ থেকে আগত শিক্ষকবৃন্দ ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর