Logo
শিরোনাম

নওগাঁয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি করায় ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় র‌্যাবের অভিযানে,অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সামগ্রী তৈরি করায় ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা।

সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব কাম্প থেকে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার ২৪ আগস্ট সকাল ৯ টা হতে দুপুর পর্যন্ত র‌্যাব-৫, জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ রফিকুল ইসলাম ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোসাঃ আতিয়া খাতুন, বদলগাছী, নওগাঁ এর নেতৃত্বে নওগাঁ জেলার বদলগাছী থানা এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরীর ভেজাল কাঁচামাল, মিষ্টি, কেক, রুটি ও বিস্কুট উৎপাদন ও বিপণন করার অপরাধে বিপাশা বেকারী এর মালিক মোঃ আব্দুল হামিদ কে ১০ হাজার টাকা, সুমন ফুড বেকারী এর মালিক মোঃ বজলুর রহমান কে ৫ হাজার টাকা, রিভা বেকারী এর মালিক ফরিদুল ইসলাম কে ২ হাজার টাকা, সাদিয়া বেকারী এর মালিক মোঃ শাহিনুর রহমান কে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা সহ মোট ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং উক্ত মিষ্টি, কেক, রুটি ও বিস্কুট তৈরীর ভেজাল কাঁচামাল ও উপাদানসমূহ ধ্বংস করেন।


আরও খবর



সৌদি পৌঁছেছেন ৮২ হাজার ৭৭২ জন হজযাত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


চলতি বছর পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৮২ হাজার ৭৭২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী।


বুধবার (১২ জুন) হজ পোর্টালে আইটি হেল্প ডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।


হেল্প ডেস্কের তথ্যমতে, মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট ২০৯টি ফ্লাইটে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৮২ হাজার ৭৭২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১০৫টি, সৌদি এয়ারলাইনসের ৭২টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ৩২টি ফ্লাইট রয়েছে।


এ বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে গোলাম কুদ্দুস (৫৪) নামে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ ও একজন নারী। এর মধ্যে মক্কায় ১১ জন এবং মদিনায় চারজন মারা গেছেন।



গত ৯ মে বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম ডেডিকেটেড ফ্লাইট ৪১৫ জন হজযাত্রী নিয়ে সৌদির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এর মাধ্যমেই চলতি বছরের হজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। শেষ হচ্ছে আজ বুধবার।


উল্লেখ্য, আগামী ১৬ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ২০ জুন এবং শেষ হবে ২২ জুলাই।



আরও খবর



বাড়তে পারে মেট্রোরেলের ভাড়া

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বিডি ডিজিটাল ডেস্ক:বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। সেখানে ভ্যাট মওকুফের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

৩০ জুনের মধ্যে মেট্রোরেলের টিকিটে ভ্যাট মওকুফের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না জানালে ১ জুলাই থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপিত হবে। তাহলে মেট্রোরেলের ভাড়া বেড়ে যেতে পারে। 

উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু হয়েছিল ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে। গত বছর থেকে পুরোদমে মতিঝিল পর্যন্ত চলছে মেট্রোরেল। বর্তমানে প্রতিদিন কমবেশি আড়াই লাখ যাত্রী পরিবহন করে এই নগর পরিবহনব্যবস্থা। 

২০২৩ সালের শুরু থেকেই মেট্রোরেলের টিকিটের ওপর ভ্যাট আরোপের উদ্যোগ নেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ওই বছরের ২২ জানুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার শওকত আলী ভ্যাট আরোপের আহ্বান জানিয়ে ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডকে (মেট্রোরেল কোম্পানি) চিঠি দেন। 

পরে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এনবিআরের একাধিক বৈঠকও হয়। তবে ভ্যাট আরোপ থেকে এনবিআর শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে আসে। ২০২৩ সালের মে মাসে এনবিআর প্রজ্ঞাপন জারি করে জানায়, ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত মেট্রোরেলের টিকিটের ওপর ভ্যাট মওকুফ থাকবে। 

মেট্রোরেলের টিকিটের ওপর বর্তমানে ভ্যাট মওকুফ আছে, যার সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত। এরপর ভ্যাট আরোপ না করার জন্য এনবিআরকে অনুরোধ করেছিল ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড। কিন্তু এনবিআর এই মওকুফ সুবিধা আর অব্যাহত রাখতে আগ্রহী নয়। 

কারণ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুসারে সব ধরনের করছাড় কমাতে হবে। ফলে এনবিআর ভ্যাট মওকুফে অপারগতা প্রকাশ করে। গত ৪ এপ্রিল এনবিআরের ভ্যাট বিভাগ আদেশ জারি করে জানায়, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে মেট্রোরেলের টিকিটে ১৫ শতাংশ ভ্যাট বসবে। 

ভ্যাট বিভাগের আদেশে বলা হয়, রূপকল্প-২০৪১ অনুযায়ী উন্নত দেশের কাতারে যাওয়ার লক্ষ্য সামনে রেখে দেশে বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলছে। সে জন্য সরকারকে প্রতিনিয়ত অর্থের জোগান দিতে হচ্ছে, যা মূলত আহরণ করা হচ্ছে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের মাধ্যমে।

 উন্নয়নের বিপুল কর্মযজ্ঞে অর্থের জোগান অব্যাহত রাখাসহ দেশের এলডিসি উত্তরণ এবং কর-জিডিপি অনুপাত কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় উন্নীত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন খাতের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে প্রদত্ত অব্যাহতি- সুবিধা ক্রমান্বয়ে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।


আরও খবর



১০ বছরের অপেক্ষার প্রহর শেষে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন কলকাতা

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

অনলাইন ডেস্ক:

এবারের আইপিএল টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বেশি আলো ছড়ানো দুই দলই গিয়েছে ফাইনালে। তবে সেই তুলনায় খুব একটা উত্তাপ ছড়ালো না টুর্নামেন্টের সতেরোতম আসরের ফাইনাল।


 মৌসুমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এসে পুরোদমে খেই হারিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। 


২০১৪ সালে শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স।এবার প্রতিপক্ষের দুর্বলতার চেয়ে অনেক বেশি নিখুঁত ছিল কলকাতা। বোলিং-ব্যাটিং সবই আজ ছিল তাদেরই পক্ষে।


 একপেশে সেই ফাইনালে ৮ উইকেটের জয় কেকেআর শিবিরকে এনে দিল তাদের তৃতীয় আইপিএল শিরোপা। ২০১২ এবং ২০১৪ সালের পর আবার চ্যাম্পিয়ন হলো শাহরুখ খানের দল। 



ফাইনালে হায়দরাবাদের দেওয়া ১১৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে আগ্রাসী কলকাতাকে খেলতে হলো মোটে ১০.৩ ওভার। ভেঙ্কেটশ আইয়ারের আগ্রাসী অর্ধশতক আর রহমানউল্লাহ গুরবাজের সময়োপযোগী ইনিংসে সহজেই লক্ষ্যমাত্রা পেরিয়ে যায় চন্দ্রকান্ত পন্ডিতের শিষ্যরা।


 গুরবাজ দলীয় ১০২ রানে আউট হলেও দলকে ঠিকই জয়ের কাছে রেখে এসেছেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে ভেঙ্কেটশের সঙ্গে তার ৯১ রানের জুটি নিশ্চিত করেছে কলকাতার জয়। 


আর শেষটা করেছেন অধিনায়ক শ্রেয়াশ আইয়ার। ২৪ বলে ফিফটি করা ভেঙ্কেটশ অপরাজিত ছিলেন ৫২ রান করে। দলের জয়সূচক রানটাও এসেছে তারই ব্যাট থেকে।


১১৪ রানে প্রতিপক্ষকে থামাতে যেমন আগ্রাসী বোলিং দরকার ছিল, তার কিছুই দেখাতে পারেননি হায়দরাবাদের বোলাররা। ব্যাটিং ইউনিটের পর বোলিং ইউনিটও পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে বড় ম্যাচে এসে। ভুবেনেশ্বর, প্যাট কামিন্স কিংবা থাঙ্গারাসু নটরাজনের কেউই স্বস্তি পাননি বোলিংয়ে এসে।


 পাওয়ার প্লের ছয় ওভারেই কলকাতা স্কোরবোর্ডে তুলেছে অর্ধেকের বেশি রান। ১ উইকেট হারিয়ে ৭২ রান তোলে ওই ছয় ওভারেই। জয়ের জন্য বাকি ১৪ ওভারে তাদের দরকার ছিল ৪২ রান। সেই রানটাও এসেছে অনায়াসে। ওভারপ্রতি ১০ এর কাছাকাছি রান তুলে নিশ্চিত করেছে নিজেদের তৃতীয় শিরোপা।  



অবশ্য কলকাতার জয়ের ভিত পুরোপুরি গড়ে দিয়েছিলেন বোলাররা। ফাইনালে এসেই যেন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। পুরো আসরেই নিজেদের ব্যাটিং দিয়ে প্রতিপক্ষ বোলারদের নাজেহাল করেছিল তারা।


 আর দেখতে হলো একেবারেই উল্টো এক চিত্র। এবারের আসরে যে দলটি দুবার দলীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছিল, তারাই ফাইনালে কলকাতার পেসারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি। 


শুরটা করেছিলেন মিচেল স্টার্ক। পরে সেটাই ধরে রেখেছেন আন্দ্রে রাসেল-হার্ষিত রানারা। রাসেল পেয়েছেন তিন উইকেট, বাকি দুজন শিকার করেছেন দুটি করে। অধিনায়ক প্যাট কামিন্স শেষদিকের লড়াইয়ে দলকে কিছুটা হলেও বলার মতো পুঁজি এনে দিয়েছেন। তার ৩০ রানের ইনিংসে ভর করেই ১১৩ রান দাঁড় করিয়েছে হায়দরাবাদ। 


২৪ কোটি ৭৫ লাখ রুপিতে মিচেল স্টার্ককে কেন কিনেছিল কলকাতা, সেটা বোধকরি আজ আবার প্রমাণ পেলো ক্রিকেট দুনিয়া। রোববারের ফাইনালে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে একপ্রকার চালকের আসনেই বসিয়ে দিলেন এই অজি পেসার।


 পাওয়ারপ্লেতে কলকাতা তুলে নেয় তিন উইকেট।  এরপর মার্করাম এবং নীরিত রেড্ডী কিছুটা আশা দেখিয়েছেন। দুজনের কাছ থেকে কিছুটা চার-ছয় দেখেছেন দর্শকরা। 



কিন্তু দলীয় ৪৭ রানে তাদের জুটি ভাঙ্গেন হার্ষিত রানা। এবার তার কুইকার ডেলিভারিতে বিভ্রান্ত নীতিশ। বল ব্যাট ছুঁয়ে চলে যায় উইকেটের পেছনে গুরবাজের হাতে। এইডেন মার্করাম ফাইনালে ২০ রানে ফিরে যান। মাঝে বরুণ চক্রবর্তীর বলে শাহবাজ আর রাসেলের বলে ইম্প্যাক্ট হিসেবে নামা আব্দুস সামাদ আউট হলে দলীয় ১০০ পার হওয়া নিয়েই শঙ্কায় পড়ে যায় হায়দরাবাদ। 


সেখান থেকে তাদের পথ দেখান অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। জয়দেব উনাদকাটকে নিয়ে পার করেন দলীয় শতরান। 


তবে আইপিএলের ফাইনালে সবচেয়ে কম রানের পুঁজি নিয়ে এমন দলের বিপক্ষে শিরোপা জেতা ছিল প্রায় অসম্ভব। হায়দরাবাদও পারেনি। কলকাতা নাইট রাইডার্স ঠিকই তুলে নেয় ৯ উইকেটের সহজ এক জয়। 


আরও খবর



রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিতে প্রস্তুত জাপান

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করতে জাপান প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিশিদা ফুমিও।


তিনি বলেন, বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর দ্রুত পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে আমরা প্রস্তুত। এই কঠিন সময় থেকে বেরিয়ে আসার জন্য জাপান সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে।


ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো এক শোক বার্তায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।


ফুমিও বলেন, বাংলাদেশে প্রবল ঘূর্ণিঝড় আঘাত করেছে। অনেক প্রাণহানি হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণের উপকূলীয় অঞ্চলে বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা গভীরভাবে দুঃখিত।



জাপানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপান সরকারের পক্ষ থেকে আমি নিহতদের আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।


পাশাপাশি যারা দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের প্রতিও সহমর্মিতা জানান জাপানের প্রধানমন্ত্রী। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য শুভকামনা জানান তিনি।


এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদের কাছে পাঠানো পৃথক এক বার্তায় জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কামিকাওয়া ইয়োকো বলেন, জাপান সবসময় বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পাশে রয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।



ইয়োকো বলেন, আমি এটা জেনে গভীরভাবে দুঃখিত যে বাংলাদেশে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়ের ফলে বিশেষ করে, দেশটির দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলে অনেক মূল্যবান প্রাণহানি হয়েছে এবং বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। 


আমরা আন্তরিক সমবেদনা জানাই। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনরুদ্ধার ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার দ্রুত পুনর্গঠন কামনা করছি। বাসস।



আরও খবর



ভূমিকম্প সহনীয় নগরায়নে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বিডি  রিপোর্ট:


ভূমিকম্প সহনীয় নগরায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, অভিবাসনের সঙ্গে সঙ্গে দিন দিন ঢাকায় ভূমিকম্পসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে।



শনিবার (১ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল সেমিনার অন আর্থকোয়েক রেজিলিয়েন্স’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন তিনি।



মন্ত্রী বলেন, ভূমিকম্প সহনীয় স্থাপনা নির্মাণ এবং ভূমিকম্প সহনশীল নগরায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকার এবং জনগণ সবাইকে একসঙ্গে একযোগে কাজ করতে হবে। সরকারের একার পক্ষে এ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।


 ভূমিকম্প সহনীয় নগরায়নে সমাজের প্রত্যেক স্তরের অংশীজনকে সম্পৃক্ত হতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।


দ্রুত নগরায়ন, নির্মাণ নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং নৈতিকতার অভাবের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের সব জেলা শহর ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও আইনের সঠিক প্রয়োগের অভাবে শহরের উন্মুক্ত স্থানসমূহ বেদখল হয়ে যাচ্ছে।


 ঢাকার দ্রুত বৃদ্ধি এবং অভিবাসনের ফলে ভূমিকম্প এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপদের ঝুঁকি ক্রমাগত বাড়ছে বলে জানান তিনি।


মন্ত্রী আরও বলেন, ভূমিকম্পের ঝুঁকি হ্রাসের জন্য বিল্ডিং কোডের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন, তৃতীয় কোনো পক্ষের মাধ্যমে অবকাঠামোগত নকশা পরীক্ষা ও পরিদর্শন এবং গুণগত ও নিরাপদ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে।


 এ জন্য সরকার, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে একযোগে কাজ করতে হবে। সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সবাই মিলে একটি উন্নত সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।


অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। তিনি তার বক্তব্যে সেমিনার থেকে প্রাপ্ত পরামর্শ ও দিকনির্দেশনাসমূহ ঢাকা ও ঢাকার বাইরের সব জেলা ও উপজেলা শহরে প্রয়োগের জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।


রাজউক চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নবিরুল ইসলাম।


এ ছাড়া গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. শামীম আখতার, স্থাপত্য অধিদফতরের প্রধান স্থপতি মীর মঞ্জুরুর রহমান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বাংলাদেশ পুলিশ, বিশ্বব্যাংক, ইউএসএআইডি, জাইকা, এডিবি, আইইবি, বিআইপি,  আইডিইবির প্রতিনিধিসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর