Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

অবরোধেও রাজধানীতে গাড়ির চাপ

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

সারাদেশে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। বুধবার অষ্টম দফার এ অবরোধ কর্মসূচিতে ঢাকার সড়কে সকাল থেকে চলছে বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেটকার, রিকশাসহ বেশকিছু যানবাহন। তবে রাজধানী ছেড়ে যাচ্ছে না দূরপাল্লার বাস। বাড্ডা, রামপুরা, মহাখালী ও মগবাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র।

সকাল থেকেই অফিসগামী মানুষের ব্যস্ততা চোখে পড়ে। বাসের চাপ বাড়ায় ও থেমে থেমে যাত্রী নেওয়ায় কিছু কিছু এলাকায় গাড়ির জটলাও তৈরি হয়। যদিও অবরোধ ছাড়া সাধারণ দিনের তুলনায় কিছুটা কম।

এদিকে, মিরপুর, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, শ্যামলী ও গাবতলী এলাকায় অবরোধের কিছুটা প্রভাব পড়েছে। সড়কে যানজট নেই। বেশ কিছু পাবলিক ও ব্যক্তিগত পরিবহন চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে দূরপাল্লার পরিবহন চলছে না। এতে বিপাকে পড়েছেন ঢাকার বাইরের যাত্রীরা।

অন্যদিকে, সকাল থেকে গুলিস্তান, টিকাটুলী, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা, কাজলা, শনির আখড়া ঘুরে দেখা গেছে, গাড়ি চলাচল একেবারেই স্বাভাবিক। রাস্তায় পর্যাপ্ত বাস, মিনিবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, রিকশা, মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, পণ্যবাহী গাড়িসহ অন্যান্য যানবাহন রয়েছে।


আরও খবর

ফুটপাতের চাঁদার টাকা খায় কারা ?

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বায়ুদূষণে নীরবে ধুঁকছে ঢাকা

শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রানে ফিরেছেন সাকিব

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

চলমান বিপিএলে প্রথম পাঁচ ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারেনি সাকিব আল হাসান। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজের চেনা রূপে ফিরেছেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। রংপুর রাইডার্সের হয়ে নিজেদের শেষ চার ম্যাচে ১৯৬ রান করেছেন এই টাইগার অলরাউন্ডার।

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে ৩৯ বলে ৬১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন তিনি। এরপর সংবাদ সম্মেলনে সাকিবের ব্যাটিং সাফল্য নিয়ে কথা বলেছেন রংপুরের কোচ সোহেল ইসলাম।

তিনি বলেন, সাকিবের পারফরম্যান্স তো আপনারা সবাই দেখছেন। আলাদা করে কিছু বলার নেই। ফিরে আশার লড়াইয়ের সময় আমরা সবাই মিলে সাহায্য করেছি। দল মালিকরাও ব্যাক করেছে। সাথে যারা কোচিং স্টাফ প্লেয়ার ছিল সবাই ছিল।

চোখের সঙ্গে ফিটনেসেরও সমস্যা ছিল সাকিবের এমনটা জানিয়েছেন রংপুরের কোচ। তিনি বলেন, শুধু যে চোখের সমস্যা ছিল তা না ফিটনেস লেভেলেও আপ টু দ্য মার্ক ছিল না। এটার জন্য আসলে সময় দরকার ছিল। আমরা সেই সময়টা বের করার চেষ্টা করেছি। সে যেন আসলে ওই সময়টা মানসিকভাবে ডাউন না হয়ে যায়। আমরা জানতাম সাকিব যদি ফিট হয়ে যায় তাহলে পারফরম্যান্সের যে পুরনো ঝলকটা আছে, সেটা সে দেখাতে পারবে।

সাকিব ছাড়াও ব্যাটিং ও বোলিংয়ে আলো ছড়াচ্ছেন আরেক অলরাউন্ডার শেখ মাহেদী। এই তরুণ ক্রিকেটারকে নিয়ে সোহেল বলেন, তাকে যখন যেখানে নামানো হচ্ছে তার সেই দায়িত্ব বেশ ভালোভাবে পালন করছে। মেহেদী তো আমি বলব না যে শুধু বোলার। ব্যাটিংয়েও তার পারফরম্যান্সটা ভালো। দলে এখন জায়গা আছে তাকে উপরে খেলানোর। এটা অবশ্যই দলের জন্য ভালো।


আরও খবর

মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মোস্তাফিজ

রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




প্রতিদিনই বাড়ছে পেঁয়াজের দাম

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

রোকসানা মনোয়ার : ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ। আমদানি না থাকায়  হু হু করে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। গত দুদিনে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ২০ টাকা।  ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা দরে, যা ছিল ১০০ টাকা। আর গত এক সপ্তাহে বেড়েছে ৪০ টাকা। তার আগের সপ্তাহে কেজি ছিল ৮০ টাকার মধ্যে।

পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, মুড়ি কাটা পেঁয়াজের মৌসুম শেষ। বেশির ভাগ এলাকার কৃষকরা ওই পেঁয়াজ তুলে ফেলেছেন। আর হালি পেঁয়াজের ভরপুর মৌসুম শুরু হতে কিছুদিন বাকি রয়েছে। মাঝখানের এ সময়ে চলছে সরবরাহ ঘাটতি। যে কারণে বাজারে দাম বাড়ছে।

এদিকে আমদানির সবচেয়ে বড় বাজার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ। আমদানি না থাকায় কয়েক মাস ধরে আগাম জাতের এ পেঁয়াজ দিয়ে চাহিদা মেটানো হচ্ছে। ফলে দেশীয় এ পেঁয়াজের সরবরাহ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

অন্যান্য বছরের এ সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে এখন পেঁয়াজের দর থাকার কথা ৩০ থেকে ৩৫ টাকার মধ্যে। কিন্তু সে চিত্র এখন আর নেই। এত চড়া দামে পেঁয়াজ কিনতে বিরক্ত ক্রেতারা। তাদের বেশির ভাগ পেঁয়াজের এ বাড়তি দামে উষ্মা জানিয়েছেন।

কারওয়ান বাজারে পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী গফুর মন্ডল বলেন, গত শুক্রবার রাতে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের কেজি ছিল ৭৮ থেকে ৮২ টাকা। বৃহস্পতিবার সকালেই কেজিতে ১৫ টাকার মতো দর বেড়ে বিক্রি হয়েছে ৯৩ থেকে ৯৭ টাকা পর্যন্ত।

মূলত পাইকারি বাজারে দর বাড়ার কারণে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। কিছু কিছু পাড়া মহল্লার দোকানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৩০ টাকা দরেও বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ভারতের রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ থাকলেও গত দুই মাসে চীন ও পাকিস্তান থেকে কিছু পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। যা চাহিদার তুলনায় একেবারেই নগন্য। ফলে তাতে বাজারে কোনো প্রভাব ফেলতে পারছে না।

শ্যামবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাজেদ জানান, ডলারের বাড়তি দামের কারণে অন্য দেশ থেকে আমদানি করলে প্রতি কেজিতে পেঁয়াজের দাম পড়ে যায় ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। এর সঙ্গে অন্যান্য খরচ ও মুনাফা হিসাব করলে ১০০ টাকার কাছাকাছি খরচ পড়ে যায়। তাই আমদানিকারকদের বড় লোকসানের মুখে পড়তে হবে। এ জন্য ব্যবসায়ীরা আমদানি করতে চান না।

তিনি বলেন, হালি পেঁয়াজ উঠতে আরও এক থেকে দেড় মাস লাগতে পারে। সেজন্য সরকারের উচিত ভারত থেকে পেঁয়াজ আনার উদ্যোগ নেওয়া। কারণ প্রতিবেশী দেশ হওয়ায় ভারত থেকে দুই-তিন দিনেই পেঁয়াজ আমদানি করা সম্ভব।

এদিকে শনিবার রাজধানীর বাজার ঘুরে আরও দেখা গেছে, দীর্ঘদিন চড়া থাকার সবজির দাম কিছুটা কমেছে। বিশেষ করে শিম, মুলা, শালগম, ফুলকপি ও টমেটোর মতো শীতের সবজিগুলোর দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা কেজি প্রতি কমে বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে গ্রীষ্মের করলা-বেগুনের মতো সবজি আগের মতো ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে বাজারে কমেনি ফার্মের মুরগির ডিমের দাম। বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা দরে। যা দুই সপ্তাহ আগে আরও ১০-১৫ টাকা কম ছিল। একই ভাবে কিছুটা বাড়তি দামে ব্রয়লার মুরগি ২১০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।


আরও খবর

চড়া দাম অধিকাংশ পণ্যের

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসকে ঘিরে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের কাছে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। তারপরও পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের নিরাপত্তা হুমকি বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বইমেলায় রয়েছে। সেখানে একটা কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে ক্যামেরার মাধ্যমে সব ধরনের সিকিউরিটি ইকুইপমেন্ট এবং সিকিউরিটি ইউনিট কাজ করছে।

 তিনি আরো বলেন, আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গের মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারি যেহেতু গভীর রাত এবং ঢাকা শহরের মানুষ এদিকে আসবেন তাই যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কিছুকিছু জায়গায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে। কোনো কোনো জায়গা দিয়ে গাড়ি একদিকে ঢুকতে পারবে। সাধারণত পলাশীর মোড় দিয়ে শহীদ মিনারে আসার রাস্তাটা রাখা হয়েছে। বের হওয়ার রাস্তাটাও নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, যারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আসবেন তাদের প্রতি আমাদের অনুরোধ, সবাই পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এখানে আসবেন এবং শৃঙ্খলা মেনে চলবেন। সব নাগরিকের কাছ থেকে পুলিশ সহনশীল আচরণ প্রত্যাশা করে।


আরও খবর



অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডের তথ্য ভবনে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনলাইন পত্রিকা ও নিউজ পোর্টালের জন্য সরকারি বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণে নীতিমালা থাকা দরকার। এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বর্তমান সরকারের সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে। বিগত দিনে যখন সামরিক শাসন ছিল ও সামরিক শাসন থেকে উদ্ভূত দল যখন এ দেশ শাসন করেছে এবং তাদের সাথে বিভিন্ন সময় যখন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তি ছিল, সে সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার যে বাস্তবতা ছিল, সে জায়গা থেকে এখন আমরা কতটুকু এগিয়েছি, কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে, সংখ্যাগত দিক থেকে এবং গুণগত দিক থেকে, এ তুলনামূলক বিষয়গুলো নিয়ে প্রকাশনা বের করতে হবে।

মতবিনিময়ে তিনি আরও বলেন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম দেশের মানুষের কাছে এবং বিশ্ববাসীর কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। এখন প্রযুক্তি অনেক অগ্রসর হয়ে গেছে, মানুষের চিন্তাভাবনার পরিবর্তন এসেছে। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে অধিদপ্তরের কাজে নতুন নতুন বিষয় সংযোজন করতে হবে।

ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন ১৯৭৩ প্রয়োজনবোধে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

সভায় উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়া, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. নিজামূল কবীর, বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা বেগমসহ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

 


আরও খবর



পাকিস্তানে সরকার গঠন কোন পথে

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও ইমরান খান আগামী সরকার গঠনের দাবি করেছেন। তবে বিশৃঙ্খলা ও মেরুকরণ এড়াতে ঐক্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির ক্ষমতাধর সেনাপ্রধান। বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থিতিশীল সরকার গঠন করা সম্ভব না হলে পাকিস্তানের সংকট ও অস্থিতিশীলতা আরও বাড়বে।

২৬৫ আসনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ২৫৬ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে ইমরান খানের দল পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরাই সবচেয়ে বেশি ৯৩টি আসনে জয়ী হয়েছেন। আসনসংখ্যায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এন পেয়েছে ৭৩টি আসন। তৃতীয় স্থানে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পিপিপি পেয়েছে ৫৪টি আসন। এ ছাড়া অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৩৩টি আসন। দেশটিতে এবার সরকার গঠনে প্রয়োজন হবে ১৩৪টি আসনে জয়লাভ।

সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়া পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গহর খান জানিয়েছেন, তারা পিএমএল-এন ও পিপিপির সঙ্গে জোট গড়বেন না। অন্য দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরুর কথা জানিয়েছেন তিনি। কেন্দ্র ও প্রাদেশিক সরকার গঠনের লক্ষ্যে এই আলোচনায় ব্যারিস্টার গহর খানের সঙ্গে থাকবেন আসাদ কায়সার, আলি মুহাম্মদ খান প্রমুখ।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, কেন্দ্র ও পাঞ্জাবে সরকার গঠনে সম্মত হয়েছে পিএমএল-এন ও পিপিপি। পিএমএল-এন নেতা শাহবাজ শরিফ পাঞ্জাবের তত্ত্বাবধায়ক মুখ্যমন্ত্রী মোহসিন নাকভির বাড়িতে পিপিপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। পিপিপি নেতা আসিফ আলি জারদারির সঙ্গে ওই বৈঠকে পিএমএল-এন নেতা নওয়াজ শরিফের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ৪৫ মিনিট স্থায়ী ওই বৈঠকে উভয় দল তাদের মতামত পরবর্তী বৈঠকে তুলে ধরতে সম্মত হয়েছে।

তবে ২০১৭ থেকে ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা পিএমএল-এন নেতা শহিদ খাকান আব্বাসি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, নওয়াজ শরিফের পরামর্শ মতো পিটিআইকে বাদ দিয়ে জোট সরকার গঠন করা হলে মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতা ও অসন্তোষ বাড়বে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আব্বাসি বলেন, এসব নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে মারাত্মক সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ফলে মানুষের চোখে তাদের কোনো বিশ্বাস যোগ্যতা থাকবে না। বৈধতা পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো ইমরান খানকে যুক্ত করা। ইমরানকে বাদ রেখে যে কোনো সমাধান কাজে আসবে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এস্টাবলিশমেন্ট কি সেটা গ্রহণ করবে?

আব্বাসি এস্টাবলিশমেন্ট বলতে সেনাবাহিনীকে বুঝিয়েছেন। অনেকে মনে করেন সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতা হারিয়েছিলেন ইমরান খান। এবারের নির্বাচনে তার দল-সমর্থিত প্রার্থীদের ব্যাপক বিজয়ে সামরিক বাহিনীতে অস্বস্তি তৈরির আশঙ্কা করছেন অনেকে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক বিশ্লেষক বলেছেন, পাকিস্তানে কোনো জোট সরকার গঠন হলে তাকে একাধিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় হিমশিম খেতে হবে। ওয়াশিংটনের মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের আফগানিস্তান ও পাকিস্তান স্টাডিজের পরিচালক মারভিন ওয়েনবাউম কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে বলেন, জোট সরকার সম্ভবত অস্থিতিশীল ও দুর্বল হবে এবং সবচেয়ে বেশি পরাজিত হবে সেনাবাহিনী। কারণ এই ভোট করতে দেওয়ার ক্ষমতার ওপর সেনাবাহিনী সত্যিই তার সুনাম বাজি ধরেছে।

নির্বাচনের আগে পিটিআই নেতাকর্মীদের ওপর যে ধরনের নিপীড়ন চলেছে, তাতে নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকদের কেউ কেউ। কলামিস্ট দানিয়েল আদম খান বলেন, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন সম্পূর্ণ নজিরবিহীন নয়, তবে পাকিস্তানে নির্বাচনের আগে যেটা হয়েছে সেটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপহাস। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিরোধীপক্ষকে অপমানের সংস্কৃতি প্রসারে পিটিআইয়ের নিজস্ব ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে তাদের সফলতা জনগণের সিদ্ধান্তের বিষয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক বেনজির শাহ পাকিস্তানের নির্বাচনে জালিয়াতির ইতিহাস মেনে নেওয়ার পরও বলেন, এবারের নির্বাচনে তরুণ ভোটাররা তাদের রায় শুনতে বাধ্য করেছেন। আল জাজিরাকে তিনি বলেন, পাকিস্তানের ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটারের মধ্যে ৪৫ শতাংশের বেশি হচ্ছে ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। ঐতিহাসিকভাবে নির্বাচনে তারা বিপুল প্রভাব রাখেননি, কিন্তু এবারে ছিল তাদের ঝলক দেখানোর ও মতামত প্রকাশ করার মুহূর্ত।

ইতোমধ্যে নির্বাচনের কোনো স্পষ্ট ফলাফল না থাকার জেরে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির সব রাজনৈতিক দলকে পরিপক্বতা ও ঐক্য প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ২৫ কোটি জনসংখ্যার কোনো প্রগতিশীল দেশের জন্য রাজনৈতিক মেরুকরণ ভালো কিছু নয়। নির্বাচন কেবল প্রতিযোগিতায় জয় বা পরাজয় নয়, এটা জনগণের রায় নির্ধারণের এক ধরনের চর্চা।

এদিকে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন বলেছে, নতুন সরকার যারাই গঠন করুক তাদের একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। সবচেয়ে আগে যে চ্যালেঞ্জ নতুন সরকারের সামনে রয়েছে তা হলো, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পরিপালন। নতুন করে ঋণ পেতে হলে দেশটিকে বেশ কয়েকটি অগ্রগতি অর্জন করতে হবে। তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও ধীর প্রবৃদ্ধির কারণে এসব শর্ত পূরণে মারাত্মক চ্যালেঞ্জে পড়বে সরকার।

গত আগস্ট থেকে কারাগারে বন্দি রয়েছেন ইমরান খান। বিভিন্ন মামলায় প্রায় ২৪ বছরের দণ্ড দেওয়া হয়েছে তাকে। নির্বাচনের ফলে এগিয়ে থাকার পরও সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী জেলে থাকলে নিশ্চিতভাবে ক্ষুব্ধ হবেন সমর্থকরা। তবে গতকাল শনিবার ইমরান খানের বিরুদ্ধে থাকা নয়টি মামলায় জামিন দিয়েছেন আদালত। সহিংসতার এসব মামলায় জামিন পেলেও তার মুক্তি এখনো সম্ভব নয়। নতুন সরকারকে এই রাজনৈতিক চাপও সামাল দিতে হবে।

নির্বাচনী প্রচারের সময়েও পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদের উত্থান ঘটতে দেখা গেছে। গত ১৮ মাসে দেশটিতে সন্ত্রাসী হামলা বেড়েছে। তবে পাকিস্তানের দুর্বল আর্থিক অবস্থা নতুন করে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনার খরচ জোগানো কষ্টসাধ্য করে তুলবে। এ ছাড়া আফগানিস্তান সীমান্তে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় সীমান্ত সামাল দিতেও হিমশিম খেতে হবে।


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪