Logo
শিরোনাম

রামগড় থানায় ৩৬ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভূমি জালিয়াতির ঘটনায় মামলা

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মোহাম্মদ শাহেদ হোসেন রানা,

রামগড়(খাগড়াছড়ি) :

পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়ে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি খাস খতিয়ানের প্রায় ২৬ একর ভূমি ছয়টি ভুয়া হোল্ডিং সৃজন করে ভূমি অধিগ্রহণে সুবিধা নেয়ার অভিযোগে ৩৬ ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় ভূমি জালিয়াতির ছয়টি মামলা রুজু করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের নির্দেশে রামগড় উপজেলা ভূমি অফিসের অফিস সহকারী কবির আহম্মদ বাদী হয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে এসব মামলা দায়ের করেন। জেলা প্রশাসকের তদন্তে জালজালিয়াতির প্রমান পাওয়ায় গত ২০ সেপ্টেম্বর ওই ছয়টি ভুয়া বন্দোবস্তি মামলা বাতিল করেন জেলা প্রশাসক। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ছয়টি ভুয়া বন্দোবস্ত হওয়া ৩৬ জন কথিত ভূমির মালিক, ক্রেতা ও বিক্রেতার বিরুদ্ধে রামগড় থানায় পৃথক পৃথকভাবে ছয়টি মামলা রুজু করা হয়। বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ধারা ৪৬৫, ৪৬৮, ৪৭১, ১০৯ ও ৩৪ পেনাল কোডে এই ছয়টি মামলা রুজু করা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়,  বারৈয়ারহাট-হেঁয়াকো-রামগড় সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণে সরকারের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের জন্য একটি ভূমি জালিয়াত চক্র ভূমি বিভাগের উপজেলা ও জেলা অফিসের অসাধু কর্মচারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে ছয়টি ভুয়া হোল্ডিংয়ে ২৫ দশমিক ৯১ একর ভূমির ভুয়া বন্দোবস্ত নেয়। রামগড় পৌরসভার ২২৯ নং রামগড় মৌজার অধীনে বারৈয়ারহাট-হেঁয়াকো-রামগড় সড়কের সোনাইপুল থেকে রামগড় বাজার পর্যন্ত এলাকায় রাস্তার দুইপাশের ১ নং সরকারি খাস খতিয়ানভূক্ত ২৫ দশমিক ৯১ একর ভূমি দুর্নীতি ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ছয়টি ভুয়া হোল্ডিং সৃজন করে। 

জালিয়াত চক্রটি ২০২১ সালের জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে রামগড় উপজেলা ভূমি অফিস ও ২২৯ নং রামগড় মৌজার হেডম্যানের কার্যালয়ের জমাবন্দিতে কাটাকাটি, ঘঁষামাজা ও ওভাররাইটিং করে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে ভুয়া বন্দোবস্ত মামলা উল্লেখ করে ভুয়া হোলিংয়ে বিভিন্ন পরিমাণে ২৫ দশমিক ৯১ একর ভূমি বন্দোবস্তের ভুয়া নোটিং করা হয় এবং মালিকানা স্বত্বের প্রতিবেদনে ওই ভূমি সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পে অধিগ্রহণভূক্ত করা হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, ভূমি জালিয়াতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগ, সংবাদপত্র ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের খবরের পরিপ্রেক্ষিতে খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসকের গঠিত কমিটির তদন্তে এসব জাল-জালিয়াতির ঘটনার সত্যতা প্রমাণ হয়। ওই তদন্তে  উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের মহাফেজখানা শাখায় উল্লেখিত ছয়টি বন্দোবস্ত মামলার মূল নথি, কবুলিয়তসহ অপরাপর রেকর্ডপত্রের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

মামলায় রামগড় পৌরসভার মেয়র পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল আলম কামাল ও তার তিন ভাই, সাবেক মেয়র মো. শাহজাহান কাজী রিপন সহ তার ৭ভাই বোন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাফেজ আহাম্মদ ভূঁইয়া সহ তার ভাই ভাতিজা, খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও খাগড়াছড়ি স্থানীয় সরকার পরিষদের সাবেক সদস্য ভুবন মোহন ত্রিপুরা সহ সংশ্লিষ্ট ১০ জন ছাড়াও নুরুল ইসলাম, মোস্তফা ভুইয়া, নুরের নবী চৌধুরী, দীলিপ চন্দ্র রক্ষিত, কামিনী রঞ্জন ত্রিপুরাসহসহ অন্যান্যদের আসামী করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) মঞ্জুরুল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, জাল জালিয়াতির সাথে জড়িত থাকায় রামগড় ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মো. জাহাঙ্গীর আলম, জেলা কানুনগো দেলোয়ার হোসেন ও রামগড় ভূমি অফিসের চেইনম্যান নুরুল আফসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ২২৯ নং রামগড় মৌজার হেডম্যান মংসাপ্রু চৌধুরীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সার্কেল চিফকে চিঠি দেয়া হয়েছে। 

রামগড় থানার ওসি (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম ছয়টি মামলা রুজুর বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তিনজন আইও এসব মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।


আরও খবর



মহা কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রয়াণ দিবস আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৪৮তম প্রয়াণ দিবস আজ।


 ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন আলিপুর জেনারেল হাসপাতালে অর্থাভাবে তিনি মারা যান।


ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি মধুসূদন ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।


মধুসূদন সাত বছর বয়সে কলকাতা যান। খিদিরপুর স্কুলে দুই বছর পড়ার পর ১৮৩৩ সালে কবি হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। 


বাংলা, ফরাসী ও সংস্কৃত ভাষায় শিক্ষা লাভ করেন। ১৮৪৪ সাল থেকে ১৮৪৭ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতার বিশব কলেজে অধ্যায়ন করেন। 


সেখানে তিনি গ্রিক, ল্যাটিন ও সংস্কৃত ভাষা শেখেন। তিনি মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভুক্ত হাইস্কুলে শিক্ষাকতা করেন। মাদ্রাজ থেকে প্রকাশিত পত্রিকা মাদ্রাজ স্পেক্টেটর এর সহকারি সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। 


১৮৬২ সালের ৯ জুন ব্যারিষ্টারি পড়ার জন্য তিনি বিলেত যান। ১৮৬৬ সালে তিনি ব্যারিষ্টারি পাশ করেন। মাইকেল মধুসূদন বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। তিনি বাংলা সাহিত্যের পাশাপাশি ইংরেজি সাহিত্যেও অসামান্য অবদান রাখায় বিশ্ববাসী এই ধীমান কবিকে মনে রেখেছে কৃতজ্ঞচিত্তে।


যদিও তার প্রথম ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ ‘The Captive Ladie’ কে ইংরেজরা তখন সাদরে গ্রহণ করেনি। পাশ্চত্যের প্রতি আর্কষিত মধুসূদন ১৮৪৩ সালে খ্রিষ্টধর্মে দীক্ষিত হয়ে ‘মাইকেল’ উপাধি ধারণ করেন।


 তিনি ইংরেজদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এটি রচনা করলে গ্রন্থটি তৎকালীন ইংরেজ সাহিত্যিকদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করে। মধুসূদন থাকলে তাদের সাহিত্যকর্ম স্থান পাবে না এই সংশয় তাদের মাঝে প্রকটভাবে দানা বাধতে থাকে। 


ইংরেজি সাহিত্যে তার কীর্তির যথাযথ মূল্যায়ন না হওয়ায় তিনি মনক্ষুন্ন হয়ে পড়েন। তখনই বুঝতে পারেন শেকড় ভোলার জ্বালা।


ইংরেজি সাহিত্য থেকে ছিটকে পড়ে বন্ধু মহলের পরামর্শে মধুসূদন বাংলাভাষায় সাহিত্য রচনায় মনোনিবেশ করেন। 


তিনি বাংলা সাহিত্যে উপহার দেন শর্মিষ্ঠা, পদ্মাবতী, তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য, কৃষ্ণকুমারী, মেঘনাদবদ কাব্য, ব্রজঙ্গনা কাব্য, বীরঙ্গনা কাব্য, চতুর্দশদপদী কবিতাবলী, হেক্টরবধ এর মতো বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।


মধুসূদন দত্ত নাট্যকার হিসেবেই প্রথম বাংলা সাহিত্যের অঙ্গনে পদার্পণ করেন। ১৮৫৯ সালে তিনি রচনা করেন ‘শর্মিষ্ঠা’ নাটক। এটিই প্রকৃত অর্থে বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক নাটক। 


১৮৬০ সালে রচনা করেন দুটি প্রহসন : ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ এবং ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ এবং পূর্ণাঙ্গ পদ্মাবতী নাটক। পদ্মাবতী নাটকেই তিনি প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেন। 


একের পর এক রচনা করেন ‘মেঘনাদ বধ কাব্য’ (১৮৬১) নামে মহাকাব্য, ‘ব্রজাঙ্গনা’ কাব্য (১৮৬১), ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটক (১৮৬১), ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্য (১৮৬২), চতুর্দশপদী কবিতা (১৮৬৬)।


মধুসূদনের শেষ জীবন চরম দুঃখ ও দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়। আইন ব্যবসায় তিনি তেমন সাফল্য লাভ করতে পারেননি। তা ছাড়া অমিতব্যয়ী স্বভাবের জন্য তিনি ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েন। 


সাগরদাঁড়ির মধুসূদন একাডেমির পরিচালক কবি ও গবেষক খন্দকার খসরু পারভেজ বলেন, করোনার কারণে কবির মৃত্যুবার্ষিকী পালনে এবার উন্মুক্ত কর্মসূচি নেওয়া সম্ভব হয়নি। 


তবে আজ সকালে সাগরদাঁড়ির মধুপল্লীতে কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ এবং সন্ধ্যায় কবির সাহিত্যকর্ম ও জীবনীভিত্তিক ভার্চুয়াল আলোচনা, মধুসূদনের কবিতা থেকে আবৃত্তির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




চলেই গেলো বিদ্যুতে দগ্ধ ফাহিমা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি :

রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিটিউটের আইসিইউতে টানা ৮ দিন চিকিৎসা শেষে পরপারে পাড়ি জমালেন কিশোরী ফাহিমা(১২)। এর আগে  গত ২৪ জুন সোমবার দুপুরে নিজ ভাড়া বাসায় বিদ্যুতাযিত হযে দগ্ধ হন ফাহিমা। ঘটনাটি  চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন প্রফেসর পাড়ার সানা ডাক্তারের বাসার তৃতীয় তলায়। এতে ফাহিমার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে। গত মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাতে ফাহিমাকে  দাফন করা হয়।  সে ঐ ভবনের ভাড়াটিয়া আবুল কালামের ছেলে। 


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সানা ডাক্তারের বাসার তৃতীয় তলার একটি ফ্লাটে ফাহিমা তার বাবা মাযের সাথে বসবাস করতো। এ দিন দুপুরে ঐ বাড়িতে বিকট শব্দ শুনে স্থানীয়রা দৌড়ে তৃতীয় তলার বারান্ধায় ছুটে যান। এ সময় দেখা যায় ফাহিমার শরীর থেকে বিদ্যুতে দগ্ধ হওয়ার কারনে ধোঁয়া উঠছে।তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে সেথান থেকে তাকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিটিউটে রেফার করা হয়। স্থানীয়রা আরো জানান, বাসার সাথে হাই ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইন রয়েছে। সেখান থেকেই দুর্ঘটনাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ফাহিমা হয়ে কিশোরী দগ্ধ হন।

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ জানান, দুর্ঘটনার বিষয়টি আমরা শুনেছি।


আরও খবর



জাতিসংঘ পুলিশের কার্যক্রমে অবদান রাখার অঙ্গীকার বাংলাদেশের

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক: জাতিসংঘ পুলিশের কার্যক্রমে ফলপ্রসূ অবদান রাখার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার ও প্রস্তুতি পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, শান্তিরক্ষা কার্যত্রমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আইন ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংস্থাগুলোর দক্ষতাবৃদ্ধি করতে হবে।

শুক্রবার (২৮ জুন) জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এ তথ্য জানায়। এর আগে বৃহস্প‌তিবার (২৭ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে জাতিসংঘ পুলিশপ্রধানদের চতুর্থ সম্মেলনে প্রধান সেশনে এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

 এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপটে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে প্রাসঙ্গিক ও নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক বিশেষায়িত পুলিশিং-এর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক কামরুল আহসান এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে মহিলা পুলিশ সদস্য প্রেরণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে নানাবিধ অপপ্রচার রোধে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবদান তুলে ধরেন। 

পাশাপাশি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের গুরুত্ব বর্ণনা করে, এ ধরনের প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়ে জোর দেন।


আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




ঢাকায় আসছেন নচিকেতা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিনোদন ডেস্ক:


শ্রোতাদের গান শোনাতে আবারও ঢাকায় আসছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী।


 আগামী ২৬ জুলাই ‘আজব কারখানা’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে ‘নচিকেতা লাইভ ইন ঢাকা উইথ জয় শাহরিয়ার ভলিউম ২’।



তাদের এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানানো হয়, আজব রেকর্ডস ও আজব কারখানার আয়োজনে আগামী ২৬ জুলাই, শুক্রবার ঢাকার কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে গান শোনাবেন বাংলা গানের এই কিংবদন্তি।



নেচে গেয়ে মঞ্চ মাতালো তুফান টিম

আজব রেকর্ডস ও আজব কারখানার প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার বলেন, গতবার জায়গা স্বল্পতার কারণে দাদার কনসার্টে অনেকে যেতে পারেনি। তাই আবারও আয়োজন করছি। আমাদের সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে গেছে।


তিনি আরও বলেন, সামনে আরও কয়েকটা কনসার্ট আয়োজন করার ইচ্ছে আছে। সম্প্রতি পেশাদার সংগীত জীবনের ৩০ বছর পার করছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার। তার ক্যারিয়ারের এ মাইলফলক উদযাপন আয়োজন করেছিল কনসার্ট ‘দ্য বাপ্পা মজুমদার শো উইথ জয় শাহরিয়ার’।


জীবনমুখী গানের শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। ১৯৯৩ সালে তার প্রথম অ্যালবাম প্রকাশ পায়। জীবনধারার অসংখ্য জনপ্রিয় গান এসেছে এই শিল্পীর কণ্ঠে। দুই বাংলাতেই আছে তার অসংখ্য ভক্ত।



আরও খবর



সৌদিতে মৃত হজযাত্রীর সংখ্যা ৯০০, খোঁজ নেই অনেক হাজীর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডিজিটাল ডেস্ক:


চলতি বছর হজে গিয়ে তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৯২২ জন হজযাত্রীর। এখনো বহু সংখ্যক হজযাত্রীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।


সৌদির সরকারি প্রশাসন, মক্কার বিভিন্ন হাসপাতাল এবং সৌদির বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের তথ্য সহায়তার ভিত্তিতে মৃত হজযাত্রীদের একটি সংখ্যাগত টালি করেছে বার্তাসংস্থা এএফপি। সেই টালির সর্বশেষ অবস্থা থেকে এই সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।



এ বছর হজ শুরু হয়েছে গত ১৪ জুন থেকে। সৌদির আবহওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহ ধরে মক্কার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। সোমবার মক্কার তাপমাত্রা ছিল ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


মৃতদের অধিকাংশই মিসরের নাগরিক। মক্কার প্রশাসনসূত্রে জানা গেছে, হজের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৬০০ মিসরীয় হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। 


মিসরের বাইরে জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সেনেগাল, তিউনিসিয়া, বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরাও রয়েছেন মৃত হজযাত্রীদের তালিকায়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার হজ করতে মক্কায় গিয়ে মারা গেছেন ২৭ জন বাংলাদেশি।


বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৮ লাখ হজযাত্রী এবার হজ করতে সৌদি এসেছেন। বিদেশি হজযাত্রীদের অনেকেই মক্কার তীব্র গরমে অভ্যস্ত নন। তাছাড়া এই হজযাত্রীদের মধ্যে এমন হাজার হাজার যাত্রী রয়েছেন, যারা বিধি মেনে সৌদিতে আসেননি। 



ফলে প্রখর তাপপ্রবাহ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে যাত্রীদের জন্য যেসব সুবিধা ও পরিষেবা বরাদ্দ করেছে সৌদির সরকার, সেসব তারা পাচ্ছেন না। অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করা এই যাত্রীরা এমনকি থাকা, খাওয়া এবং এয়ার কন্ডিশন সুবিধাও পাচ্ছেন না।


যেসব হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের একটি বড় অংশই অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন।


এছাড়া হজের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বহুসংখ্যক যাত্রী। এই গরমে নিরাপদ আশ্রয়ের বাইরে থাকা এই হজযাত্রীদের সবাই বেঁচে আছেন— এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই সামনের দিনগুলোতে মৃত হজযাত্রীদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।


আরও খবর