Logo
শিরোনাম

রাঙ্গামাটিতে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা ৩৯ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত:Thursday ১০ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

 উচিংছা রাখাইন, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি :

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা, গণ পরিষদ ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের সদস্য মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা(এম এন লারমা) ৩৯ তম মৃত্যু বার্ষিকী রাঙ্গামাটিতে পালিত হয়েছে। 

১০ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি  মিলনায়তনে ৩৯ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্টিত  স্মরণ সভায় শোক প্রস্তাব পাঠ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি, রাঙ্গামাটির জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রী নগেন্দ্র চাকমা।

সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি রাঙ্গামাটি জেলা কমিটির সভাপতি  ডা.গঙ্গা মানিক চাকমা'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য গৌতম কুমার চাকমা। এসময় অন্যান্যের মধ্যে  উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা, এম এন লারমার মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের  সভাপতি বিজয় কেতন চাকমা, সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সহ-সভাপতি অ্যাড. ভবতোষ দেওয়ান, পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি রাঙ্গামাটির সহ সাধারণ সম্পাদক আশিকা চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতি রাঙ্গামাটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর ত্রিপুরা নান্টু, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুমন মারমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শান্তিদেবী তঞ্চঙ্গ্যা সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতা কর্মীরা।

 এর আগে  মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা(এম এন লারমা) শহীদ বেদিতে পুষ্প স্তবক অর্পন করা হয়।


আরও খবর



ধামরাইয়ে প্রায় দুই একর খাস জমি উদ্ধার করে খেলার মাঠ নির্মান

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন(স্টাফ রিপোর্টার)

ঢাকার ধামরাইয়ে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে প্রায় দুই একর খাস জমি উদ্ধার করে খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী।


সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের আমছিমুর গ্রামে দুই একর খাস জমি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- দীর্ঘদিন ধরে আমছিমুর এলাকার প্রভাবশালী দুটি পরিবার প্রায় দুই একর খাস জমি অবৈধভাবে ভোগ দখল করে আসছে। পরে খাস জমি উদ্ধারের জন্য আমছিমুর বনলতা স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ মাহফুযুল হক শাহীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি আবেদন করেন। পরে ইউএনও এই অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে খাস জমি উদ্ধার করে খেলার মাঠ নির্মাণের জন্য উদ্যোগ নেন। বনলতা স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ মাহফুযুল হক শাহীন বলেন- আমাদের স্কুলের পিছনে প্রায় দুই একর সরকারি খাস জমি রয়েছে। তা অবৈধ ভোগ দখল করে আসছে এলাকার কিছু লোকজন। আমাদের এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও যুবকরা বিষয়টি আমাকে জানায়। মুক্তিযোদ্ধারা বলেন আমাদের এখানে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় প্রথম ফায়ারিং হয়। আমরা চাই এই জায়গাটাতে যেন মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ, মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও মুক্তিযোদ্ধা মাঠ নির্মাণ হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি অনুযায়ী আমি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করি এই খাস জমি উদ্ধার করে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ, মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও মুক্তিযোদ্ধা মাঠ নির্মাণের জন্য। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা ভূমি অফিস থেকে সরজমিনে তদন্ত করে দখলদারদের উক্ত জমির মালিকানার কাগজপত্র দাখিল করতে বলা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন কাগজপত্র দাখিল করতে পারেনি দখলদাররা। যার ফলে আজ অবৈধ দখলের কবল থেকে প্রায় দুই একর খাস জমি উদ্ধার করে খেলার মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেন ইউএনও।


বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ বলেন- আমরা দেশ ও দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করেছি। পরাধীনতার চাদর থেকে স্বাধীনতা লাভ করার জন্য প্রাণপণ যুদ্ধ করেছি। আমরা নিজেদের স্বার্থ কখনো দেখিনি। তাই আমরা আমাদের গ্রামে একটা মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ, মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও মুক্তিযোদ্ধা পার্ক চাই। এজন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি আবেদন করেছি। তাছাড়া আমাদের অভিভাবক ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজির আহমদকে বিষয়টি জানালে সম্মতি দেন। আজ অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে খাস জমি উদ্ধার করে মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় ইউএনও সাহেবকে অনেক ধন্যবাদ।


ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী বলেন- অবৈধভাবে কেউ খাস জমি ভোগ দখল করতে পারবে না। আজ যে জমিটি উদ্ধার করা হয়েছে এটি খাস জমি। দীর্ঘদিন অবৈধ ভোগ দখল করে আসছিলো। এখানে প্রায় দুই একর খাস জমি উদ্ধার করা হয়েছে। জমিটিতে আমরা একটি খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছি। আগামী এক মাসের মধ্যে এটিকে খেলার উপযোগী মাঠে রুপান্তর করা হবে।


আরও খবর



এশিয়া কাপ হবে পাকিস্তানেই, ভারতের ম্যাচ আমিরাতে!

প্রকাশিত:Sunday ০৫ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

পাকিস্তানে গিয়ে কোনো টুর্নামেন্ট খেলেতে চাইছে না ভারত। এ কারণে আসন্ন এশিয়া কাপ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। ভারত চাইছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কিংবা শ্রীলংকার মতো নিরপেক্ষ কোনো ভেন্যুতে এই টুর্নামেন্ট হোক।

বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে ক্রিকেট পাকিস্তানের খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তান যে করেই হোক এশিয়া কাপ আয়োজনের বিষয়ে অনড়। প্রয়োজনে ভারতের ম্যাচগুলো আমিরাতে হলেও দেশটির আপত্তি থাকবে না।

গত বছরই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সেক্রেটারি ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট জয় শাহ সাফ জানিয়ে দেন যে, ভেন্যু পরিবর্তন না হলে ভারত পাকিস্তানে গিয়ে এশিয়া কাপ খেলবে না। এর জবাবে পাকিস্তানের তৎকালীন বোর্ড প্রধান রমিজ রাজা বলেছিলেন, ভারত পাকিস্তানে এসে এশিয়া কাপ না খেললে আমরাও ভারতে অনুষ্ঠেয় ২০২৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলব না।

দুই সপ্তাহ আগে পিসিবি প্রধান নাজাম শেঠি লাহোরে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এশিয়া কাপ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটাতে বাহরাইনে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভা হবে।

শনিবার ওই সভা শুরু হয়। এতে ভারতের বোর্ড প্রধান সাফ জানিয়ে দেন যে, ভারত সরকার কিছুতেই খেলোয়াড়দের পাকিস্তানে যেতে রাজি করাতে পারছে না। নিরাপত্তার কারণে তারা খেলোয়াড়দের পাকিস্তানে পাঠাতে পারছেন না। তখন পিসিবি প্রধান বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন দেশের খেলোয়াড়েরা পাকিস্তানে এসে খেলে যাচ্ছে। কারো কোনো সমস্যা হয় নাই। ভারতের খেলোয়াড়রাও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পাবে। তবে ভারতের বোর্ড প্রধান এতেও রাজি হননি।

ওই বৈঠকে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে তখন আমিরাত ও শ্রীলংকার কথা উঠে এসেছে। আবার এমন কথাও উঠে এসেছে, এশিয়ার কাপের আয়োজক পাকিস্তানই থাকবে। তবে ভারতের ম্যাচগুলো আমিরাতে হবে। পাকিস্তান যদি ফাইনালে উঠতে পারে সেক্ষেত্রে ফাইনাল হবে আমিরাতে।


আরও খবর



নওগাঁয় ৪০ গ্রামের হাজারো মানুষের ভরসা খেয়াঘাটের নৌকা

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

নওগাঁর রাণীনগর ও বগুড়ার আদমদীঘি এ দুই উপজেলার সীমানায় অবস্থিত শত বছরের ঐতিহাসিক রক্তদহ বিল। এ বিলের আশেপাশে ৪০টি গ্রামে মানুষের বসবাস। এ ৪০ টি গ্রামের মানুষদের চলাচলের একমাত্র ভরসা মেঠোপথের শেষে খেয়াঘাট এর নৌকা। বিলে পানি যতদিন থাকে ততদিন নৌকায় পারাপার আর যখন পানি থাকে না তখন প্রয়োজনীয় কর্ম সমাধান করতে ৪০/ ৫০কিমি রাস্তা ঘুরে নওগাঁ, বগুড়া, রাণীনগর, আদমদীঘিতে যেতে হয়। এতে করে বছরের পর বছর চরম দুর্ভোগের শিকারের মধ্যদিয়ে জীবন-যাপন করে আসছে ঐ এলাকার লক্ষাধিক মানুষ। কৃষকরা নায্যমূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে যুগের পর যুগ। খেয়াঘাটে একটি ব্রিজ জোটেনি যার ফলে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুফল থেকেও বঞ্চিত এই কৃষি প্রধান অঞ্চলটি।

এলাকার বোদলা গ্রামের বাসিন্দা সাইদুর রহমান মুহরী জানান, কথিত আছে ব্রিটিশ বাহিনীর সঙ্গে এই অঞ্চলে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয় ফকির মজনু শাহর বাহিনীর সঙ্গে। এই বিলের মধ্যদিয়ে যুদ্ধে নিহত উভয় বাহিনীর সৈন্যের রক্ত একদিয়ে আরেক দিকদিয়ে পানি বয়ে যায় তখন থেকে এই বিলটি রক্তদহ বিল হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে মানুষের কাছে। মাধ্যমিক পর্যায়ের একাধিক পাঠ্যবইয়েও এই বিলের ইতিহাস লিপিবদ্ধ আছে। কয়েক হাজার বিঘা জমি নিয়ে এই বিল অবস্থিত। বিলের পূর্বপাশে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার কৃষি প্রধান অঞ্চল বোদলা, পালশা, কৃষ্ণপুর, তেবাড়িয়াসহ ৪০টি গ্রাম অবস্থিত। এই মানুষদের সহজেই নওগাঁ, বগুড়া, রাণীনগর, আদমদীঘি, সান্তাহারে চলাচলের সহজ পথ হচ্ছে বিলের মধ্যদিয়ে রাস্তা। বিলের মধ্য একটি ব্রিজ না হওয়ার কারণে মেঠোপথ দিয়েই খেয়াঘাটে পারাপার হতে হয় এলাকার মানুষদের। পারাপারের জন্য খেয়াঘাটে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় নৌকার জন্য।

এই অঞ্চলের মানুষ কোথাও যেতে চাইলে বাড়ি বা বাসা থেকে নির্ধারিত সময়ের থেকে দুই থেকে তিন ঘন্টা সময় হাতে বেশি নিয়ে বের হতে হয়। একটি ব্রিজের অভাবে এখনোও এই অঞ্চলের মানুষদের প্রাচীন যুগে বসবাস করতে হচ্ছে। দিনের বেলায় ঘাটে এসে নৌকা পাওয়া গেলেও রাতের বেলায় ৪০/ ৫০কিমি রাস্তা ঘুরে এই অঞ্চলের মানুষদের নিজের বাড়িতে ফিরতে হয়। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয় শিক্ষার্থী ও জরুরী রোগীদের। অনেক প্রসুতিদের হাসপাতালে নেয়ার পথে এই খেয়াঘাটে এসেই প্রসব হয়ে যায়। অনেক জটিলতা শেষে ২০১৯ ইং সালে এই ঘাটে একটি ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব একনেকে অনুমোদন পেলেও পরবর্তিতে সেই কার্যক্রম রহস্যজনক কারণে আর আলোর মুখ দেখেনি। সহজেই নিজেদের উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করতে না পারার কারণে নায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে এই অঞ্চলের হাজারো কৃষক। দ্রুত এই ঘাটে একটি ব্রিজ নির্মাণ বর্তমানে সময়ের দাবী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নওগাঁ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমার জানা মতে ব্রিজ নির্মাণের সকল প্রক্রিয়া প্রায় শেষের দিকে। সকল বিভাগীয় প্রক্রিয়া শেষে অর্থ বরাদ্দ পেলেই ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। আমি আশাবাদি অতিদ্রুতই এই অঞ্চলের মানুষদের শত বছরের স্বপ্নের ব্রিজ নির্মাণের সুখবর দ্রুতই পাওয়া যাবে।

নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, চীনের হুয়াংহু নদীর মতো এই রক্তদহ বিলও এই অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি দুঃখ। এই ঘাটে একটি ব্রিজ এই অঞ্চলটিকে আমুল বদলে দিতে পারে। আমিও সংশ্লিষ্ট বিভাগকে একাধিকবার ব্রিজ নির্মাণের জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য তাগাদা দিয়েছি। আমি আশাবাদি জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়া হিসেবে এই ঘাটে দ্রুত একটি আধুনিকমানের ব্রিজ নির্মাণের সুখবর পাওয়া যাবে।


আরও খবর



দশমিনায় কনকনে শীতে পুরনো কাপড়েই চলছে জীবন

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মোঃ নাঈম হোসাইন,দশমিনা, পটুয়াখালী :

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের তেতুলিয়া নদীপাড়ের  গোলখালী গ্রামের।মোসা.ফাতেমা বেগম (৪৯)। স্বামী পরিত্যাক্তা ফাতেমা বেগম ছেলে জহিরুল ইসলাম (১৪) এবং শাররীক প্রতিবন্ধী মেয়ে তাছলিমাকে (১২) নিয়ে একটি কবরস্থানের পাশে ভাঙা পরিত্যাক্ত ঘরে বসবাস করছেন। ফাতেমা বেগম বলেন, মুজিববর্ষের ঘর পাননি তিনি। এছাড়া কোন রকম সরকারী সহায়তাও পাননা। প্রতিবন্ধী মেয়ে থাকায় কেউ কাজ দেয়না, তাই অভাবের তাড়নায় তার ছেলেকে তেতুলিয়া নদীতে জেলে নৌকায় দৈনিক ১৫০ টাকা মজুরীতে মাছ ধরার কাজে দিয়েছেন কিন্তু নদীতে মাছ না পাওয়া গেলে মজুরীর টাকা দেয়না তারা।তাই কোনদিন খাবার জোটে আবার কোনদিন না খেয়েই কেটে যায় দিন।আমার ভাঙা ঘরে কনকনে শীতের ঠান্ডা হাওয়া ঢুকে আমাদের শরীরে কাপন ধরেযায়। ছেড়া পুরনো কাথা কাপড় শরীরে জড়িয়ে জুবুথুবু হয়ে কাটাচ্ছেন শীতের রাত, অভাবের তাড়নায় জীবন যেন আর চলছে না।স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ অলিউল ইসলাম বলেন, অসহায় ফাতেমা বেগম মুজিববর্ষের ঘর বরাদ্দ পায়নি কিন্তু অনেক স্বচ্ছল পরিবার ঘর বরাদ্দ পেয়েছেন। তিনি ফাতেমা বেগমকে সহয়তা করার আশ্বাস দেন। ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট ইকবাল মাহামুদ লিটন বলেন, ফাতেমা বেগমকে ভিজিডি সুবিধার আওতায় আনা হবে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, ফাতেমা বেগমের ব্যাপারে খোজ খবর নিয়ে তার প্রাপ্যতা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আরও খবর



ইউক্রেনে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, উপমন্ত্রীসহ ১৮ জনের মৃত্যুর জন্য দুর্ঘটনা নয়, বরং যুদ্ধকে দায়ী করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

সরাসরি রাশিয়ার নাম না নিলেও তিনি বলেছেন, যুদ্ধের সময় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে না। দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে রাখা বক্তব্যে জেলেনস্কি বলেছেন, এই বিয়োগাত্মক ঘটনাটি যুদ্ধের পরিণতি। এদিন রুশ আক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত আরও অস্ত্র পাঠাতে মিত্রদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। কারণ, মুক্ত বিশ্ব যে সময়টা চিন্তা করতে ব্যয় করে, সন্ত্রাসী রাষ্ট্র সেই সময়টা হত্যা করতে ব্যয় করে। তাই, চলমান সংকট নিরসনে ইউক্রেনকে আরও বেশি সহায়তার বিকল্প নেই বলে মনে করেন ভলোদিমির জেলেনিস্কি। 


আরও খবর