Logo
শিরোনাম

সৌদিতে পৌঁছেছেন ৩৪ হাজার ৭৪১ হজযাত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের জন্য পর্যন্ত ৩৪ হাজার ৭৪১ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের সবশেষ বুলেটিন থেকে তথ্য পাওয়া গেছে

এছাড়া এখন পর্যন্ত হজে গিয়ে জন বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। সবশেষ স্থানীয় সময় মঙ্গলবার মো. লুৎফুর রহমান নামের ৬৫ বছর বয়সী একজন মক্কায় মারা যান। তার পাসপোর্ট নম্বর- ১২৯৬৯৪০৮

জানা গেছে, হজযাত্রীদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হাজার ৭৪৭ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ৩০ হাজার ৯৯৪ জন সৌদি আরবে পৌঁছান

বাংলাদেশ থেকে ৮৭টি ফ্লাইটে এসব হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৩৯টি, সৌদি এয়ারলাইনসের ২৮টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২০টি ফ্লাইট পরিচালনা করে

এর আগে, গত মে বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম ডেডিকেটেড ফ্লাইট ৪১৫ জন হজযাত্রী নিয়ে সৌদির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এর মাধ্যমেই চলতি বছরের হজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। শেষ হবে ১০ জুন

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৫ বা ১৬ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ২০ জুন এবং শেষ হবে ২২ জুলাই


আরও খবর



আওয়ামী লীগ গাছ লাগায়, বিএনপি-জামায়াত ধ্বংস করে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি ডিজিটাল ডেস্ক:



পরিবেশ রক্ষায় আওয়ামী লীগ সারাদেশে গাছ লাগায়, আর বিএনপি-জামায়াত আন্দোলনের নামে হাজার হাজার বৃক্ষ ধ্বংস করে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


তিনি বলেন, এ দেশের মানুষকে রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। জলবায়ু পরিবর্তনের যে বিরূপ প্রভাব, তা থেকে দেশকে আমরা মুক্ত করতে চাই। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি। যে পদক্ষেপগুলো বঙ্গবন্ধু নিয়েছিলেন।



আজ বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা ১৯৭২ সালে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেন। 


ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে একটা সবুজ আচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরির পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ১৯৭২ সালের ১৬ জুলাই তিনি সেখানে বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ উদযাপন করেন।



বঙ্গবন্ধু বৃক্ষরোপণের জন্য মানুষকে ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কক্সবাজারে সমুদ্র সৈকতে যে ঝাউ বন, সেটি জাতির পিতার উদ্যোগে রোপণ করা হয়। তাছাড়া আমাদের দ্বীপ অঞ্চল, বিশেষ করে চরাঞ্চলগুলোতে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করা এবং সেখানে প্রত্যেক প্রজাতির পশুপাখি জোড়ায় জোড়ায় ছেড়ে দেয়া হয়। সেটা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শুরু করেছিলেন।


সরকারপ্রধান বলেন, ইট আমাদের উৎপাদন করতে হবে, তবে সেটা যাতে পরিবেশবান্ধব হয়। বিকল্প ব্যবস্থায়ও জোর দিচ্ছি। প্লাস্টিকের ব্যবহার হচ্ছে এখনো। তবে সুখবর হলো, পাটের থেকে এমন কিছু পণ্য তৈরি করা যায়, যা মাটির সঙ্গে মিশেও যায়। এটার জন্য আমরা নানা ব্যবস্থা নিচ্ছি।



সরকারপ্রধান বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত ১১টি আইন, নীতি, বিধিমালা ও প্রবিধানমালা প্রণয়ন করি। আমাদের ১০টি বিশেষ উদ্যোগের একটি পরিবেশ রক্ষা করা। বৃক্ষরোপণ, বন সংরক্ষণ ও বনায়ন বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা ২৫ ভাগ বনায়ন করতে পেরেছি। 


এরই মধ্যে ছাদ বাগান করার উপরও জোর দিয়েছি। এতে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি নিজের খাদ্য যোগানও দেয়া যায়। এ সময় চলতি বছর ৮ কোটি ৩৮ লাখ চারা রোপণ করা হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।



আরও খবর



ঈদ যাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি চলছে

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:



আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রবিবার থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। ঈদ যাত্রায় ট্রেনের টিকিট কোনো কাউন্টারে বিক্রি করা হবে না; সব টিকিট শুধু অনলাইনে পাওয়া যাবে। 



রোববার সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট উন্মুক্ত করা হয়। আর দুপুর ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হয়।


গত কয়েক বছরের মতো এবারও ঈদের আগে বিশেষ ব্যবস্থায় পাঁচ দিনের ট্রেনের টিকিট বিক্রি করা হবে। ঈদ যাত্রায় সারা দেশে বিভিন্ন গন্তব্যে ২০টি বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। কিন্তু এসব ট্রেনের টিকিট অগ্রিম বিক্রি করা হবে না।


এমনকি দাঁড়িয়ে (স্ট্যান্ডিং) ভ্রমণ করার টিকিট বিক্রি হবে মোট আসনের ২৫ শতাংশ। স্ট্যান্ডিং টিকিট ট্রেন ছাড়ার দুই ঘণ্টা আগে স্টেশনের কাউন্টারে বিক্রি শুরু হবে।


ঈদকেন্দ্রিক রেলওয়ের কর্মপরিকল্পনায় বলা হয়েছে, এবার ঢাকা থেকে বহির্গামী ট্রেনের মোট আসনসংখ্যা ৩৩ হাজার ৫০০। ঈদের আগে আন্ত নগর ট্রেনের ১২ জুনের টিকিট বিক্রি হবে আজ ২ জুন।


আর ১৩ জুনের টিকিট আগামীকাল ৩ জুন, ১৪ জুনের টিকিট ৪ জুন, ১৫ জুনের টিকিট ৫ জুন, ১৬ জুনের টিকিট ৬ জুন বিক্রি করা হবে।


গতকাল দুপুরে রাজবাড়ীতে এক অনুষ্ঠান শেষে রেলপথমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঈদুল আজহায় ট্রেনে চলাচলকারী মানুষের কোনো ভোগান্তি হবে না। মানুষের দোয়া ও আপনাদের সহযোগিতায় এবারের ঈদ যাত্রায় আমরা সফল হব। চেষ্টা করছি ভোগান্তি ছাড়া এবারের ঈদেও মানুষ ঘরে ফিরবে।’


এবারের ঈদ যাত্রায় বাড়তি যাত্রীর চাপ সামাল দিতে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে সব মিলিয়ে ২০টি বিশেষ ট্রেন চালানো হবে।


এর মধ্যে চট্টগ্রাম-চাঁদপুর পথে (রুট) চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল ট্রেন দুই জোড়া, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ পথে দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল এক জোড়া, চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ পথে ময়মনসিংহ ঈদ স্পেশাল এক জোড়া চলবে।


কক্সবাজার-চট্টগ্রাম পথে কক্সবাজার ঈদ স্পেশাল এক জোড়া, ভৈরব বাজার-কিশোরগঞ্জ এবং ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ পথে শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল দুই জোড়া, জয়দেবপুর-পার্বতীপুর পথে পার্বতীপুর ঈদ স্পেশাল এক জোড়া ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।


এ ছাড়া পার্বতীপুর-দিনাজপুর পথে এবং ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর পথে গোর-এ-শহীদ ঈদ স্পেশাল ট্রেন দুই জোড়া চলবে। চাঁদপুর, দেওয়ানগঞ্জ, ময়মনসিংহ, কক্সবাজার ঈদ স্পেশাল ট্রেনগুলো ১২ জুন থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ও ঈদের পরদিন থেকে সাত দিন চলাচল করবে। 


শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল ও গোর-এ-শহীদ ঈদ স্পেশাল শুধু ঈদের দিন চলবে। পার্বতীপুর ঈদ স্পেশাল ১৩ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত তিন দিন এবং ঈদের পরে ২১ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত তিন দিন চলবে।


আরও খবর



চলতি মাসে ডেঙ্গুতে ১১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

ডেস্ক রিপোর্ট:


 ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মাসে (মে) ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।


এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকা মহানগরের হাসপাতালগুলোতে ১২ জন এবং এর বাহিরে বিভিন্ন হাসপাতালে ১৩ জন ভর্তি হয়েছে।


চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৮৩৫ জন। এরমেধ্য সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২ হাজার ৬৯৬ জন। মারা গেছেন ৩৬ জন। 


বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সিজনাল নেই, সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সিটি করপোরেশনে পক্ষ থেকে সব জায়গায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। 


একই সঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন বছরব্যাপী নানান উদ্যোগ নিলেও কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেনতনা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।


উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে দেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী আক্রান্ত এবং ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়।




আরও খবর



নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা: দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ও মামলা

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image



গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা :


দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বেশকিছু হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। 


উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নে বিজয়ী-পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতার ঘটনায় দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি মামলা, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (২৫ মে) রাতে গৌরীপুর থানায় মামলা দায়ের ও দুজন গ্রেপ্তার হয়েছে। রোববার (২৬ মে) দু’পক্ষই ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে কলতাপাড়া ও গাজীপুর বাজারে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। সমাবেশে উভয়পক্ষই আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানায়।


গত ২১ মে গৌরীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হন আনারস প্রতীকের সোমনাথ সাহা। নিকটতম প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা ছিলেন দোয়াত-কলম প্রতীকের মোফাজ্জল হোসেন খান।



স্থানীয়রা জানান, ডৌহাখলা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান এমএ কাইয়ুম নির্বাচনে দোয়াত-কলম প্রতীকের পক্ষে কাজ করেন। ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদুল হক সরকার নির্বাচনে কাজ করেন আনারস প্রতীকের পক্ষে। 


নির্বাচনের পরের দিন ২২মে বিকালে সাড়ে ৫টার দিকে আনারস প্রতীকের লোকজন উপজেলার কলতাপাড়া বাজারে ইউপি চেয়ারম্যান কাইয়ুমের ওপর হামলা ও গুলি করার পাশাপাশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করে।


গৌরীপুর থানার ওসি সুমন চন্দ্র রায় বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় দুপক্ষই মামলা করেছেন।  ইউপি চেয়ারম্যান কাইয়ুমের দায়েরকৃত মামলার আসামি তমাল খান পাঠান ও রিপন শেখ এই দুইজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। 


দুই মামালার অন্যান্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে। এলাকায় পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।


আরও খবর



রিমান্ডে লোমহর্ষক বর্ণনা ‘কসাই’ জিহাদের

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশি এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারকে হত্যার পর তার মরদেহ থেকে চামড়া ছাড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। এরপর তার মরদেহকে অন্তত ৮০ টুকরোয় ভাগ করা হয়। পরে তা খালসহ বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে কসাই জিহাদ হাওলাদার এই তথ্য জানিয়েছেন। সিআইডির আশঙ্কা ইতিমধ্যে হয়তো আনোয়ারুলের গণ্ডিত দেহ বিভিন্ন জলজ প্রাণির পেটে চলে গেছে।

এর আগে গত ২২ মে আনোয়ারুল আজিম আনারের হত্যা মামলার তদন্তভার নেয় সিআইডি। এরপর গত বৃহস্পতিবার হত্যাকাণ্ডের অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি কসাই জিহাদকে গ্রেফতার করে সিআইডি। শুক্রবার জিহাদকে উত্তর ২৪-পরগনার বারাসত জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ১২ দিনের রিমান্ড দেন।

মূলত আনারকে হত্যার জন্য ভারতের মুম্বাই থেকে কসাই খ্যাত জিহাদ হাওলাদারকে কলকাতায় আনা হয়। কলকাতায় গ্রেফতার হওয়ার পর আনোয়ারুলকে হত্যার পর কীভাবে তার মরদেহ টুকরো টুকরো করে ফেলে দেওয়া হয়, তার রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন তিনি।

কসাই জিহাদকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি জানিয়েছে, এমপি আনোয়ারুলকে হত্যার পর তার মরদেহের ৮০টি টুকরো করেন কসাই জিহাদ। এরপর সেই অংশগুলো ফেলা হয় কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি এলাকার বাগজোলাখালির বিভিন্ন স্থানে। সিআইডির আশঙ্কা এরই মধ্যে হয়তো আনোয়ারুল আজিমের দেহের খণ্ডিত অংশ জলজ প্রাণিরা খেয়ে ফেলেছে।

সিআইডির কর্মকর্তারা বলছেন ২৪ বছর বয়সী জিহাদ হাওলাদার বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি অবৈধভাবে ভারতের মুম্বাইয়ে বাস করতেন। তার বাড়ি খুলনার দীঘলিয়া উপজেলার বারাকপুরে। তার বাবার নাম জয়নাল হাওলাদার। এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক আক্তারুজ্জামান শাহীন দুই মাস আগে জিহাদকে কলকাতায় নিয়ে এসেছিলেন।

সিআইডি বলছে, শাহীনের নির্দেশে জিহাদসহ চার বাংলাদেশি মিলে আনারকে ওই ফ্ল্যাটে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন। তার মরদেহ টুকরো টুকরো করে হলুদ ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে পথে কেউ ধরলে বলতে পারে, বাজার থেকে কেনা। উদ্দেশ্য ছিল, এভাবে গুম করা হবে, যাতে কেউ কোনো দিন তার অস্তিত্ব না পায়।

গত ১৩ মে আমানউল্লাহ, জিহাদ ও সিয়াম দুটি স্যুটকেসে এমপির দেহের টুকরাগুলো ভরে পাবলিক টয়লেটের সামনে দাঁড়ানো একটি গাড়িতে ওঠেন। সেই গাড়ির চালকও তেমন কিছু জানতেন না। পরে সিয়াম ও জিহাদকে স্যুটকেসসহ বিদায় করে আমানউল্লাহ আবার ওই ফ্ল্যাটে চলে যান। পরদিন ওই তিনজন বাকি টুকরাগুলো পলিথিনে পেঁচিয়ে ব্যাগে ভরে ফ্ল্যাট থেকে বের হয়ে যান।

 


আরও খবর