Logo
শিরোনাম

গাজায় গণহত্যা অব্যাহত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ |

Image

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েই চলছে দখলদার ইসরায়েল। উত্তর গাজার পাশাপাশি এখন দক্ষিণ গাজায়ও নির্বিচারে হামলা করছে ইসরায়েল। বাড়ছে নারী ও শিশুর প্রাণহানি। এদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, গাজায় হামাসের বিস্তৃত টানেলে সাগরের পানি ঢুকানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল।

এক সপ্তাহ যুদ্ধবিরতির পর শুক্রবার থেকে ভয়াবহ আক্রমণ ফের শুরু করেছে ইসরায়েল। এবার পুরো গাজাকেই টার্গেট করছে ইসরায়েলি সেনা। গত শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত অন্তত ৮০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এখন দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসসহ সব খানে বোমা হামলার পরিমাণ বাড়িয়েছে তারা। খবর আল জাজিরার

ইউনিসেফ বলছে, প্রতি ১০ মিনিটে অন্তত একটি করে বোমা বর্ষণ করা হচ্ছে। এতে গোটা গাজায় একটু জায়গাও নিরাপদ নেই। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, গত চার দিনের টানা বর্বর হামলায় হাসপাতালগুলোতে লাশের বন্যা হয়ে গেছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলছে, গাজায় হামাসের কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করতে তারা গোটা গাজায় হামলা বিস্তৃত করেছে। আইডিএফের প্রধান মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হাগারি বলেন, সেনারা এখন হামাস যোদ্ধাদের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াই করছে।

সোমবার সকালে গাজাবাসীকে গাজার কেন্দ্রস্থলের অন্তত ২০টি এলাকা থেকে অন্যত্র সরে যাওয়ার নতুন আদেশ জারি করেছে ইসরায়েল। কিন্তু এর আগে উত্তর থেকে দক্ষিণের খান ইউনিসের এসব এলাকায় ঠাঁই নিয়েছিলেন তারা। এখন আবার অন্যত্র চলে যাওয়ার নির্দেশে আতঙ্কিত বাসিন্দারা।

গত মাসে আল-শাতি শরণার্থী শিবিরের উত্তরে পাঁচটি বড় পাম্প একত্রিত করা হয়েছে। এসব পাম্প হাজার হাজার ঘনমিটার সমুদ্রের পানি টানেলে পাম্প করতে সক্ষম।

রোববার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৫ হাজার ৫২৩ জন। ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে শতকরা ৭০ ভাগ নারী ও শিশু।

এক সংবাদ সম্মেলনে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কেদরা বলেছেন, দখলদার সেনাদের হামলায় আহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ৩১৬ জন।

গত ৭ অক্টোবর গাজার সীমান্ত সংলগ্ন ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের নজিরবিহীন হামলায় ১২০০ ইসরায়েলি নিহত হয়েছে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এ সময় হামাস ইসরায়েল থেকে প্রায় ২৪০ জনকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে যায়। এর মধ্যে যুদ্ধবিরতির সময় ১১০ জনকে মুক্তি দিয়েছে হামাস।

নিহত স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের সংখ্যার বিষয়ে আল-কেদরা বলেন, ইসরায়েলের হামলায় মোট ২৮১ চিকিৎসক ও ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হন। তাদের আক্রমণে ৫৬টি স্বাস্থ্য খাতের অবকাঠামো ও অ্যাম্বুলেন্স সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া ২০টি হাসপাতাল ও ৪৬টি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র ধ্বংস হয়েছে ইসরায়েলি হামলায়।

গাজায় হামাসের ব্যবহৃত প্রায় ৮০০টি টানেল পাওয়ার দাবি করেছে আইডিএফ। এর মধ্যে ৫০০টি ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি তাদের।

এদিকে এক প্রতিবেদনে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) হামাসের টানেল নেটওয়ার্কে সমুদ্রের পানি ঢুকানোর পরিকল্পনা করছে। গত মাসে আল-শাতি শরণার্থী শিবিরের উত্তরে পাঁচটি বড় পাম্প একত্রিত করা হয়েছে। এসব পাম্প হাজার হাজার ঘনমিটার সমুদ্রের পানি টানেলে পাম্প করতে সক্ষম।

এই পরিকল্পনার প্রধান উদ্বেগ হলো সমুদ্রের পানি ভূগর্ভের পানিকে বিষাক্ত করে ফেলতে পারে। ওই এলাকার ভূপৃষ্টের গতি প্রকৃতিও পাল্টে যেতে পারে। এর ফলে ওই এলাকায় কোনো ফসল নাও হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল মার্কিন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিল যে, তারা গত মাসে এই বিকল্পটি বিবেচনা করছে। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা পরিবেশগত কারণগুলো বিবেচনার আহ্বান জানান। কিছু মার্কিন কর্মকর্তা এই পরিকল্পনার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে বাকিরা এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করেছেন।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে যে, প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়ন করতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। এছাড়া হামাস যোদ্ধা ও তাদের কাছে থাকা জিম্মিদের সরে যাওয়ার বিষয়ে সতর্কতা করা হতে পারে। তবে সকল জিম্মি ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল অপেক্ষা করবে কি না সেটি স্পষ্ট নয়।

খবরে বলা হয়েছে, এই পরিকল্পনার একটি প্রধান উদ্বেগ হলো সমুদ্রের পানি ভূগর্ভে পাম্প করার পরিবেশগত প্রভাব। সমুদ্রের পানি মাটিতে প্রবেশ করা উদ্বেগের, কারণ এটি মাটির গভীরে থাকা আধা-লবনাক্ত জলাশয়গুলোকে বিষাক্ত করে ফেলতে পারে। এছাড়া এর ফলে ওই এলাকার ভূপৃষ্টের গতি প্রকৃতিও পাল্টে যেতে পারে।

সাগরের পানি টানেলে ঢুকালে সেটি গাজার মাটিকে লবণাক্ত করবে, ফলে ফসল ফলানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে। সাবেক মার্কিন কর্মকর্তারা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন যে, পরিকল্পনাটি সম্ভবত বিশ্বব্যাপী নিন্দা বয়ে আনবে। তবে তিনি দাবি করেন- এটি স্থায়ীভাবে টানেলগুলোকে নিষ্ক্রিয় করার কয়েকটি উপায়ের মধ্যে একটি হতে পারে।

২০১৫ সালে মিশর সামুদ্রিক পানি হামাসের টানেলে ঢুকিয়েছিল। পরে রাফাহর কৃষকদের অভিযোগ ছিল যে, এর ফলে তাদের ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট সোমবার বলেছেন, হামাসের সমস্ত অবকাঠামো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পুরো গাজা শহর এবং গাজা উপত্যকার উত্তর অংশে হামলা চালাবে। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, হামাসের সমস্ত অবকাঠামো নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনী গাজায় থাকবে।

 


আরও খবর



সাফ চ্যাম্পিয়ন নারী ফুটবলার কৃষ্ণা রাণী সরকার বিপাকে

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড় কৃষ্ণা রাণী সরকার অনেক দিন ধরে ইনজুরিতে পড়ে ছিলেন। 


জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামতে না পারলেও ক্লাব লিগে খেলেছেন নাসরিন স্পোর্টস একাডেমির হয়ে। তার পায়ের পাতায় সমস্যা। ঢাকায় ডাক্তার দেখানোর পরও পুরোপুরি পূর্ণসুস্থ হচ্ছিলেন না তিনি। 


পায়ের আঙ্গুল শুকিয়ে আসছিল। এর মধ্যে লিগেও খেলেছেন, চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। গোল করেছিলেন তিনি। 


কিন্তু সম্প্রতি কৃষ্ণা তার ফেসবুকে একটি পোষ্ট দিয়ে, অভিযোগ তুলেছিলেন যে, বাফুফের কাছ থেকে বিদেশে চিকিৎসায় সহায়তা পাচ্ছিলেন না। তার এই হতাশার কথা প্রকাশ করে বিপদে রয়েছেন কৃষ্ণা। 


তার যে সমস্যা সেটি নিরাময়ের জন্য উন্নত দেশে চিকিৎসা দরকার, একথা নাকি বিসিবির ডাক্তার দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছিলেন। 


পায়ের চিকিৎসক দেখানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। অন্তত পক্ষে ভারতে গিয়েও ডাক্তার দেখানো হলেও ভালো হতো। কিন্তু সেটিও নাকি পাননি কৃষ্ণা। তাকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যেতে হলে অর্থের প্রয়োজন।


 সেটি কে দেবে। বাফুফের নারী ফুটবল কমিটির দায়িত্ব এটি। কিন্তু সেটি করা হয়নি। কৃষ্ণা রাণী যখন তার সমস্যার কথা ফেসবুকে লিখেছেন তা দেখে চটে গেছে বাফুফে। 


দ্রুতই কৃষ্ণার জন্য ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার সংবাদ মধ্যমকে জানিয়েছেন এবং কৃষ্ণা কেন অভিযোগ করেছেন তার জবাব চাইবে বাফুফে। বিপাকেই পড়েছেন কৃষ্ণা। 


আরও খবর



কক্সবাজারে পাহাড় ধসে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীসহ স্বামীর মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



বিডি টুডে ডেস্ক:


কক্সবাজারে পাহাড় ধসে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীসহ স্বামীর মৃত্যু 

কক্সবাজার শহরের বাদশাঘোনায় ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসের মাটিচাপায় গর্ভবতী স্ত্রীসহ স্বামী নিহত হয়েছেন।


 শুক্রবার (২১ জুন) রাত সাড়ে তিনটার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাদশাঘোনা-খাজামনজিল এলাকায় এ পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র হেলাল উদ্দিন কবির।


নিহতরা হলেন, হাফেজ মো. আনোয়ার হোসেন (২৩) ও সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মায়মুনা আক্তার (১৮)। আনোয়ার হোসেন বাদশা ঘোনার প্রবাসী নজির আহাম্মদের ছেলে।


 তিনি ৫ বোনের এক ভাই ও বাবা-মায়ের দ্বিতীয় সন্তান ছিলেন। আনোয়ার স্থানীয় ওমর ফারুক জামে মসজিদের মুয়াজ্জিনের দায়িত্বপালন করতেন। 



নিহতের চাচা আবদুল্লাহর বরাত দিয়ে তাদের প্রতিবেশী সায়মুন আমিন জানান, রাত তিনটার দিকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। তা চলে ঘণ্টা ধরে। এরই মাঝে অকস্মাৎ বাড়ির লাগোয়া পাহাড় ধসে আনোয়ারদের ঘরের চালে পড়ে। 


এতে চালটি দেবে গিয়ে খাটে ঘুমানো স্বামী-স্ত্রীকে চাপা দেয়। এতে অন্যরুমে থাকা আনোয়ারের মা-বোনেরা উঠে শোর-চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। তার যে যার মতো মাটি সরিয়ে আনোয়ার ও তার স্ত্রীকে উদ্ধার করে দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেন। 


সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। 


আবদুল্লাহ গণমাধ্যমকে অভিযোগ করে বলেন, ‘পাহাড় ধসের বিষয়টি জানার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ও কক্সবাজার দমকল বাহিনীকে ঘণ্টা খানেক কল দেওয়া হয়। কিন্তু তারা সাড়া না দেওয়ায় স্থানীয়রা যে যার মতো মাটি সরান।


 চালের টিন সরাতে গিয়ে একজনের হাত ও আরেক জনের পা কেটে গেছে। পরে দমকল বাহিনীর সদস্যরা হাসপাতালে এসে লাশ ও ঘটনাস্থলের ছবি নিয়ে গেছে।’ 



স্বজনরা জানান, নিহত আনোয়ার হোসেনের সাথে মাইমুনার আটমাস আগে সামাজিক ভাবে বিয়ে হয়। রাতে বৃষ্টির সময় একবার ঘুম থেকে উঠে আনোয়ার সবকিছু অবলোকন করে আবার শুতে যায়। ভারী বৃষ্টি দেখে তার (আনোয়ারের) মা বউকে নিয়ে তাদের রুম থেকে বাড়ির অন্যরুমে চলে আসতে বলেছিল ছেলেকে।


 কিন্তু কিছু হবে না বলে, দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরে আবার ঘুমিয়ে পড়েছিল আনোয়ার ও মাইমুনা। সেভাবেই তাদের উদ্ধার করা হয়।


কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আশিকুর রহমান বলেন, ‘দুজনকে মাটিচাপা হতে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে আনা হয়। হাসপাতালে পৌঁছার আগেই তারা মারা যান। লাশগুলো মর্গে রয়েছে।’


উল্লখ্য,গেল বুধবার (১৯ জুন) কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক পাহাড় ধসের স্থানীয় দুজনসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর



রোববার সন্ধ্যায় শপথ নেবেন মোদি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বিডি ডিজিটাল ডেস্ক:


টানা তৃতীয়বারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আগামী রোববার সন্ধ্যায় শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদি।


 এর আগে সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মোদি শনিবার শপথ নেবেন। তবে আজ শুক্রবারের প্রতিবেদনে জানানো হলো, রোববার সন্ধ্যায় মোদির শপথ অনুষ্ঠান হচ্ছে।  


এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোদির শপথ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন নেতা উপস্থিত থাকবেন। এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে মোদির শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা নিশ্চিত করেছেন। 


এছাড়া নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুস্পা কামালকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।  



ভারতে নতুন সরকার গঠনের জন্য যতগুলো আসন দরকার হয় ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির বিজেপি এবারের নির্বাচনে তার চেয়ে কম আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জোট সঙ্গীদের সমর্থনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে তারা। 


জওহরলাল নেহরুর পর টানা তৃতীয়বার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পদে বসতে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। 


আরও খবর



বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের ‘হৃদয়ের কথা’ লিখিত জানাতে বললেন প্রধান বিচারপতি

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


আদালত অবমাননার অভিযোগের বিষয়ে বিএনপিপন্থি সাত আইনজীবীর পক্ষে মৌখিক বক্তব্য উপস্থাপন করা হলে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, ‘এগুলো তো হৃদয়ের কথা বললেন। 



এটাই লিখিতভাবে দিন।’ আজ বুধবার (১২ জুন) আদালত অবমাননার বিষয়টি প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে শুনানির দিন ধার্য ছিল।



আজ সাত আইনজীবীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আদালতে বলেন, ‘সাত আইনজীবীর মধ্যে একজন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী মারা গেছেন। অন্যরা এখানে উপস্থিত আছে। এরা সবাই আদালতের সম্মান ও মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। 


এ ছাড়া আইনজীবী (বার) ও আদালতের মধ্যে খারাপ সম্পর্ক হোক, তা আমরা চাই না। কারণ, দিন শেষে আমরা এই আদালতে এসেই দাঁড়াই। তাই আদালতের মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।’



এ সময় প্রধান বিচারপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের উদ্দেশে বলেন, ‘যে কথাগুলো বললেন, তা তো আপনাদের হৃদয়ের কথা। কিন্তু আদালত অবমাননার অভিযোগের বিষয়ে কি কোনো লিখিত জবাব দিয়েছেন?’


তখন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘মাই লর্ড লিখিত দেওয়া হয়নি।’ তখন প্রধান বিচারপতি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের লাইন ‘হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল….’ উদ্ধৃত করে বলেন, ‘আপনারা আপনাদের হৃদয়ের কথা যা বললেন, তাই লিখিত আকারে দিন। আমরা বিষয়টি দেখব।’


একপর্যায়ে আপিল বিভাগ বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের এই মামলায় ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেন এবং এ বিষয়ে আদেশের জন্য ২৫ জুলাই দিন ধার্য করেন।


আপিল বিভাগের দুজন বিচারপতি সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে এর আগে বিএনপিপন্থি সাত আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে তলব করেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।



যে সাত আইনজীবীকে সর্বোচ্চ আদালত তলব করেন, তারা হলেন—জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সভাপতি ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল (প্রয়াত) এ জে মোহাম্মদ আলী, ফোরামের মহাসচিব ও বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নি, জাতীয়তবাদী আইনজীবী ফোরাম সুপ্রিম কোর্ট শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার ভূঁইয়া, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সহসম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সুপ্রিম কোর্ট শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল।


আপিল বিভাগের দুজন বিচারপতি সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. নাজমুল হুদা গত বছরের ২৯ আগস্ট বিএনপিপন্থি সাত আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে আবেদনটি করেন।



আরও খবর



২৪ ঘণ্টার আগে খালেদা জিয়ার অবস্থা সম্পর্কে কিছু বলা যাবে না

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডিজিটাল ডেস্ক:


হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার আগে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও তার মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।


রোববার (২৩ জুন) রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের গেটে সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য জানান তিনি।



ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, খালেদা জিয়ার তিনটি ব্লক ছিল, সেগুলো সারানো হয়েছে। আমি বারবার বলছিলাম, যেকোনো সময় যেকোনো অঘটন ঘটে যেতে পারে।


 সেই অঘটনটি গত শুক্রবার রাতে ঘটতে যাচ্ছিল এবং সেই অবস্থায় মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে ট্রান্সফার করে, তার যেই অবস্থা সেই অনুযায়ী তার চিকিৎসা শুরু করে। 



সবশেষ অবস্থা অর্থাৎ আজকে (গতকাল) পারমানেন্ট পেসমেকার লাগানো হয়েছে। তিনি এখন চিকিৎসকদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। আগামী ২৪ ঘণ্টা না গেলে তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করা বিব্রতকর হয়ে যেতে পারে।


দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য তার পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে দোয়া চান ডা. জাহিদ।


এর আগে, হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে শুক্রবার (২১ জুন) দিবাগত রাতে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


৭৯ বছর বয়সী বিএনপির এই নেত্রী ডায়াবেটিস, আর্থারাইটিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার ও কিডনির বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।


আরও খবর