Logo
শিরোনাম

জনবল সংকটে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


প্রায় ২৮ লাখ মানুষের চিকিৎসার জন্য একমাত্র ভরসাস্থল নওগাঁ সদর ২৫০ শয্যা আধুনিক হাসপাতাল। এ হাসপাতালে প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১ হাজার ৭শ’ জন ও ইনডোরে আরও ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। নওগাঁর ১১ উপজেলা ছাড়াও পাশের বগুড়া জেলার আদমদীঘি ও জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থেকেও লোকজন আসেন এ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে। কিন্তু আশানুরুপ সেবা না পাওয়ায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

এ জেলার মানুষকে উন্নত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয় হাসপাতাল টি। তবে আগের ১০০ শয্যা হাসাপাতালের যে জনবল সেটা দিয়েই ২৫০ শয্যার কার্যক্রম চলছে এখনো। এতে করে রোগীদের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা। আর উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন মানুষ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১০০ শয্যার হাসপাতালে উপ-পরিচালক, শিশু, মেডিসিন, সার্জারি, ফরেনসিক, চক্ষু, অর্থোপেডিকস, রেডিওলজি ইমেজিং, কার্ডিওলজি, চর্ম ও যৌন, গাইনি এ্যান্ড অবস, নাক-কান-গলা, প্যাথলজি, নিউরোসার্জারি, নেফ্রোলজি, ও মেডিকেল অফিসারসহ মোট ৪৫ চিকিৎসকের মধ্যে আছেন মাত্র ৩২ জন। ৮৬ জনের মধ্যে নার্স রয়েছেন ৭৮ জন। বর্তমানে ১৩ জন মেডিকেল অফিসার দিয়ে আউটডোর ও ইনডোরে সেবা দেয়া হচ্ছে। 

প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১৬/১৭শ’ এবং ইনডোরে প্রায় ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়।

এছাড়াও ১০০ শয্যার জন্য মঞ্জুরি করা পদের মধ্যে সিনিয়র কনসালটেন্ট মেডিসিন, চক্ষু, অর্থোপেডিকস ও রেডিওলজি ইমেজিং, জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি এ্যান্ড অবস, মানসিক, প্যাথলজি ও নেফ্রোলজি, ডেন্টাল সার্জন, মেডিকেল অফিসার চক্ষু, রেডিওলজিস্ট এবং ইনডোর মেডিকেল অফিসার কার্ডিওলজি ও মেডিসিন প্রতি পদে একটি করে শূন্য রয়েছে। হাসপাতাল পরিচালনার জন্য ১৭৬ মঞ্জুরি পদের বিপরীতে জনবল আছে ১২১ জন।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, র্দীঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে অনেক সেবা প্রত্যাশীরা বাধ্য হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। আবার অনেকে বেড না পেয়ে মেঝে এমনকি বারান্দায় ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করছেন। অন্যদিকে, রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতালের দায়িত্বরতরা। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতাল থেকে রোগীদের ওষুধ সরবরাহের পাশাপাশি বাড়তি ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়।

ইনডোরে রোগী দেখার পর ডাক্তার আউটডোরে গিয়ে রোগী দেখা শুরু করেন। এতে হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা সেবা নিতে আসাদের দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয়। আবার চিকিৎসক না থাকায় হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সেবা নিতে আসা রোগীদেরও।

নওগাঁর নিয়ামতপুর থেকে পায়ের চিকিৎসা করাতে এসেছেন রমজান আলী। তার সঙ্গে আসা মেয়ে নিলুফা খাতুন বলেন, অর্থোপেডিক ডাক্তারের কক্ষের সামনে এতই ভিড় বাবাকে যে পাশে কোথাও বসিয়ে রাখবো সেই ব্যবস্থাও নেই। ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও বাবাকে ডাক্তার দেখাতে পারিনি। বাধ্য হয়ে বাসায় ফিরে যাচ্ছি। অন্যকোনো দিন আবার আসবো আর না হয় রাজশাহীতে নিয়ে যাবো।

একই অবস্থা মেডিসিন বিভাগের সামনেও, দীর্ঘ লাইনে প্রায় ৫০-৬০ জনের মত সেবাপ্রত্যাশী দাঁড়িয়ে আছেন। আমেনা বেগম নামে এক সেবা প্রত্যাশী বলেন, দুইদিন হলো ঘুরে গেলাম। সেই সকাল ১০টায় এসেছি এখন ১২টা বেজে গেল। কিন্তু এখনও ডাক্তারের কাছে যেতেই পারলাম না। অনেকে বাধ্য হয়ে ফিরে গেছে। আমি চলে যাবো। আর কিছুক্ষণ এভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে আমি আরও অসুস্থ্য হয়ে পড়বো। একসাথে তিন -চারটি কক্ষে যদি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা রোগী দেখতেন, তাহলে এতো ভোগান্তি পোহাতে হতো না।

হাসপাতালের নতুন ভবনের সার্জারী ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, অনেকে মেঝেতে ও বাড়ান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। কামরুল হোসেন নামে একজন বলেন, আমার ভাইকে ভর্তি করা হয়েছে। বেড সংকট তাই মেঝেতেই চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে। কি আর করার, বাধ্য হয়েই এসেছি সরকারি হাসপাতালে।

রেনুকা বেগম নামে এক রোগী বলেন, বেড নাই তাই বারান্দা থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। চিকিৎসা পাওয়াতো আমাদের মৌলিক অধিকার। কিন্তু চিকিৎসাটাও ভালো ভাবে পাই না আমরা। বারান্দায় এভাবে থাকা যে কতটা কষ্টের, তা বুঝাবো কি করে? টাকা খরচ করে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করার মত সামর্থ্য নেই। তাই বাধ্য হয়েই এখানে থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থেকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে মিলাদুল ইসলাম এসে ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন। তিনি বলেন, হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। হাসপাতাল থেকে কিছু ওষুধ দেয়া হয়েছে। আর বেশি ভাগ ওষুধ বাইরে থেকেই কিনতে হয়েছে।

নওগাঁ নাগরিক কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট এ.কে.এম ফজলে রাব্বী বকু জানান, ২৮ লাখ মানুষের ভরসা নওগাঁ সদর হাসপাতাল। চিকিৎসক সংকটের কারণে যদি কেউ সময়মত সেবা না নিতে পারে তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক কি আর হতে পারে। হাসপাতালে যদি সেবার মান ভালো না হয় তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে সেবা নিতে? চিকিৎসক সংকটসহ হাসপাতালের সার্বিক সমস্যা দূর করে যেন সেবার মান বৃদ্ধি করা হয় সেই দাবি জানান তিনি।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক (উপ-পরিচালক) ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, ২৫০ শয্যা বলা হলেও ১০০ শয্যার হাসপাতাল চালাতে যে পরিমাণ জনবল দরকার তাও এখানে নেই। এতে করে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১৬শ' জন ও ইনডোরে প্রায় ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সেবার মান বৃদ্ধির জন্য চাহিদা পত্রের মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আশা করছি চাহিদা গুলোর অনুমোদন পেলে ডাক্তার, সেবিকা, ওষুধ ও অবকাঠামো সহ সার্বিকভাবে সেবার মান আরো ভালো হবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২




এন্টিবায়োটিক কিনলে ফুল ডোজ কিনবে, খুচরা বিক্রি করা যাবেনা

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল ঃ


এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের জন্য খুচরা বিক্রি একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা এবিএম খুরশিদ আলম বলেছেন, জ্বর হলেই সাধারণ ওষুধের সাথে দেখা যায় এন্টিবায়োটিক ট্যাবলেট ২ -৩ টা নিয়ে যাচ্ছে। এটা সাধারণ মানুষের মাঝে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের জন্য বড় কারন। এজন্য নিয়ম করা প্রয়োজন কেউ এন্টিবায়োটিক কিনলে ফুল ডোজ কিনতে হবে, নাহয় কিনবেনা।

রোববার (২৭ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে আয়োজিত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সমস্যা প্রতিরোধ গড় সবাই মিলে শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি মাইক্রোবিয়াল সমস্যাসহ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

 অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম জানান, রোগীদের পকেটের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এর সাথে যেই স্ট্যান্ডার্ড মেনে হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে তা ঠিক হচ্ছে কিনা সেটাও একটা বড় ইস্যু। আমরা যদি আন্তর্জাতিক মানের সাথে তুলনা করি প্রধানত আমাদের অপারেশন থিয়েটার কিংবা বেড থেকে সংক্রমন হওয়ার ই কথা না, এটি আন্তর্জাতিক ভাবে গ্রহনযোগ্য নয়। কিন্তু সেটা আমাদের এখানে হচ্ছে। আমাদের লোকজন বেশি আমাদের সুযোগ-সুবিধা কম। প্রতিদিন আমাদের অপারেশন থিয়েটার গুলো থেকে জীবানুর সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। আমরা থিয়েটারের নিয়ম-কানুন আমরা মানছিনা। আমাদের ওয়ার্ড বয়, সিস্টার, লোকজন, রোগী এমনকি চিকিৎসকরাও মানছেন না। লোকজন সরাসরি ডুকে যাচ্ছে গাউন পরছেনা, বাহিরের কাপড় নিয়ে ডুকে যায়। এই বিষয়গুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিৎ।  

তিনি বলেন, এছাড়া রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহারিত যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছেনা। অপারেশনের যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে ব্জীবানু মুক্ত না করে বার বার ব্যবহার করা হচ্ছে এতে সংক্রমন হয়ে থাকে। রোগীদের গ্যাস নয়ার পাইপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেবা একই জিনিস থেকে ব্যবহার করছে অনেকে। এতে এক জনের মুখের জীবানু ছড়াচ্ছে আরেকজনের কাছে। অনেক জীবানু আছে যেটা গরম পান দিয়ে বয়েল করার পরও মারা যায়না। এ জীবানু ও যাতে না থাকে সেটার জন্য ও ব্যবস্থা নিতে হবে। 

ভর্তি রোগীদের মাঝে সংক্রমণ রোধে প্রতিকার তুলে ধরে তিনি বলেন,  যখন কোনো একটি মেডিকেলে কোনো সংক্রমণ হচ্ছে তখন সেখান থেকে স্যাম্পল নিলাম, যেমন, হাসপাতালের বেড থেকে, অপারেশন থিয়েটার থেকে, সেখান কার টয়লেট থেকে এবং প্রয়োজনীয় জায়গা থেকে স্যাম্পল নিয়ে আমাদের বের করা উচিৎ কোন ধরনের বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। তখন  আমরা বুঝতে পারবো এই হাসপাতালে রোগী আসলে আমরা প্রথমে কোন এন্টিবায়োটিকটা দিবো। এটি সব হাসপাতালের জন্য এক ধরনের হবেনা। এটি হবে এক হাসপাতালের জন্য এক ধরনের পলিসি। 

আমাদের হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন,  আমরা ময়লা পেলার জন্য আলাদা আলাদা বিন করে দিয়েছি, যে এখানে নরমাল বর্জ্য এখানে সংক্রামক ধরনের ময়লা ফেলা হবে। কিন্তু দেখা যায় সব হাসপাতালের এই বিন গুলোর ময়লাকে নিয়ে সব একই জায়গায় পেলে দেয়া হয়। এতে সেখান থেকে পরিবেশ, মাটি, পানি এবং শস্য খেতেও জায়গায় জীবানু সংক্রমিত হচ্ছে। এছাড়া হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা একই বিচানায় ৩ জন ও থাকছে। এই রোগীরা যে টয়লেট ব্যবহার করছে কিংবা যেখানে থাকছে সেখান থেকে জীবানুর সংক্রমিত হচ্ছে কিনা সেটাও একটা বড় বিষয়। এই বিষয়গুলো আমাদের চিন্তা করতে হবে। 

এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে আইন প্রয়োজন, সাথে আইন প্রয়োগকারী ও প্রয়োজন।  এছাড়া দেখা যায় ফার্মাসিস্ট কোম্পানিরা ইনসেনটিভ তো ডাক্তারকে দিচ্ছে সাথে কোয়াকদের ও দেয়া হচ্ছে। আমরা ডাক্তারকে বন্ধ করলেও কোয়াককে তো আইনে আনা যাবেনা। ওজন্য শুধু আইন দিয়েও ব্যবস্থা হবেনা।


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২




নওগাঁয় ১১ হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ স্বামী-স্ত্রী আটক

প্রকাশিত:বুধবার ০২ নভেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ


নওগাঁয় ১১ হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ স্বামী-স্ত্রী আটক। বুধবার ২ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টারদিকে নওগাঁর পত্নীতলায় ১১ হাজার পিচ নিষিদ্ধ ভারতীয় নেশা জাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ স্বামী-স্ত্রী কে আটক করেছে মাদক বিরোধী টাস্কফোর্স। পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌর এলাকার পুরাতন বাজার এলাকায় বসত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, মোঃ নজরুল ইসলাম এর ছেলে মোঃ শাহীনুর ইসলাম শাহীন (৩৭) ও তার স্ত্রী মোছাঃ গুলশান আরা (৩০)। বুধবার দুপুরে পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ রুমানা আফরোজ আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

প্রেস ব্রিফিং জানানো হয়, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে ফার্মেসী ব্যবসার আড়ালে অবৈধ মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট খুচরা ও পাইকারী ক্রয় বিক্রয় করে আসছিলো এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা প্রশাসন ও পত্নীতলা থানা পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স পত্নীতলা পুরাতন বাজার এলাকায় মেসার্স শাহীন মেডিক্যাল স্টোর এর প্রোপাইটার মোঃ শাহীনুর ইসলাম শাহীন এর বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বসত বাড়িতে তল্লাশি করে ১০০মিঃ গ্রাঃ এর ১১ হাজার পিচ ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। এবং শাহীন ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ মোতাবেক মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে প্রেস রিলিজে জানানো হয়েছে।


আরও খবর



সিলেটে বিএনপি নেতা খুন

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

সিলেটে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন বিএনপি নেতা আ ফ ম কামাল। রোববার রাত ৯ টার দিকে নগরের আম্বরখানা বড় বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আ ফ ম কামাল সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক এবং সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক। এছাড়া তিনি সিলেট ল কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত জিএস ছিলেন। তার বাসা নগরের সুবিদবাজার এলাকায়।

ঘটনাস্থল থেকে সিলেট বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল জাকির বলেন, রোববার রাতে বড়বাজার এলাকায় আ ফ ম কামাল নিজের প্রাইভেটকারে বসা ছিলেন। এসময় মোটর সাইকেলে আসা দুজন দুর্বৃত্ত তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

নিহতদের মরদেহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাখা হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, আমরা অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে রাজু নামের এক ছাত্রদল নেতাকে আটক করেছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছি।

ঘটনার পরপরই ওসমানী হাসপাতাল এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেছে বিএনপি, ছাত্রদলের নেতা- কর্মীরা। তারা এ ঘটনার জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করে অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবী জানান।


আরও খবর



নওগাঁয় এমপি পুত্র রকিকে লক্ষ্য করে হেলমেট বাহীনির ককটেল হামলা

প্রকাশিত:সোমবার ২১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁর মহাদেবপুরে এমপি পুত্র ও যুবলীগ নেতাকে লক্ষ্য করে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার ২১ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টারদিকে মহাদেবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের পাশে অবস্থিত বুলবুল সিনেমা হলের সামনে এ ঘটনা ককটেল হামলার ঘটনা ঘটে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জাতীয় সংসদ-৪৮, নওগাঁ-৩ মহাদেবপুর- বদলগাছী আসনের এমপি আলহাজ্ব মোঃ ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম এর পুত্র ও মহাদেবপুর উপজেলা যুবলীগের অন্যতম সদস্য সাকলাইন মাহমুদ রকি এবং মহাদেবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তরুন সমাজ সেবক মোঃ সাঈদ হাসান তরফদার শাকিল স্থানীয় যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে প্রতিদিনের মতো ঐ স্থানে মত বিনিময় করছিলেন। এ সময় ২ টি মোটরসাইকেল যোগে হেলমেট পড়া কয়েকজন এসে যুবলীগ নেতা সাকলাইন মাহমুদ রকি ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ হাসান তরফদার শাকিলকে লক্ষ্য করে ৩টি ককটেল নিক্ষেপ করে দুষ্কৃতকারীরা মটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যায়।


ককটেল গুলো ঘটনাস্থলে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে লেগে বিকট শব্দে বিষ্ফোরন ঘটে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে পুলিশ জানায়। যুবলীগ নেতাকে লক্ষ্য করে ককটেল হামলার ঘটনার প্রতিবাদে তৎক্ষনিক আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগের বিক্ষুদ্ধ কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছে নওগাঁ-নজিপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেন। ঘটনার খবর পেয়ে মহাদেবপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে বিক্ষোভকারীদের শান্ত করেন এবং অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেনের বলেন, ঘটনার পর থেকেই থানা পুলিশের কয়েকটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শণ সহ হামলাকারীদের গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে।


আরও খবর



মালয়েশিয়ার সাধারণ নির্বাচন

প্রকাশিত:রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মালয়েশিয়ার সাধারণ নির্বাচনে আনোয়ার ইব্রাহিম ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুহিদ্দিন ইয়াসিনের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে দেশটি ঝুলন্ত পার্লামেন্টের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

রবিবার ঘোষিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে নির্বাচনে পার্লমেন্টের ২২২টি আসনের মধ্যে আনোয়ার ইব্রাহিমের পাকাতান হারাপান জোট ৮২টি আসন পেয়েছে আর এর ঠিক পেছনেই আছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুহিদ্দিন ইয়াসিনের ন্যাশনাল এলায়েন্স। দলটি পেয়েছে ৭৩টি আসন। তবে একটি আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি আর দুটি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।
আনোয়ার ইব্রাহিম এবং মুহিদ্দিন দুজনই দাবি করেছেন যে সরকার গঠন করার মতো পর্যাপ্ত সমর্থন তাদের রয়েছে তবে দুজনের কেউই খোলাসা করেননি কাদের সঙ্গে তারা জোট করবেন।


আরও খবর

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

হেরে গেলেন মাহাথির

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22