Logo
শিরোনাম

লন্ডনে পিএসভিআই কনফারেন্সে প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা

প্রকাশিত:Tuesday ২৯ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

আলমগীর হোসেন ঃ


আলোড়ন ডেস্ক :- মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে  সর্বোচ্চ সেনাপ্রদাকারী দেশ। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর দুই হাজার তিনশত সাতানব্বই জন নারী শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে এবং বর্তমানে পাঁচশত উনআশি জন নারী বিভিন্ন মিশনে নিয়োজিত আছে। এই বাইরেও দক্ষিণ সুদান ও সোমালিয়ায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের চারজন নারী বিচারক দায়িত্ব পালন করছে।বাংলাদেশ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের, “সবার সাথে বন্ধুত্ব এবং কারও সাথে বিদ্বেষ নয়” বৈদেশিক নীতি অনুসরণ করে আসছে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে জোরালোভাবে সমর্থন করেন। বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে এবং নারী শান্তিরক্ষীরা ২০০০ সাল থেকে মিশনে অংশগ্রহণ করে আসছে। 

তিনি বলেন, সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে নারী, শিশু ও সাধারণ মানুষ নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়ে শান্তিরক্ষী বাহিনীর নিকট থেকে সহায়তা প্রত্যাশা করে। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সংঘাতপূর্ণ ও অস্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নারী শান্তিরক্ষী প্রেরণ করে নারীর ক্ষমতায়ন এবং জেন্ডার সমতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশ ২০১৬ সালে আইভরিকোস্টে জাতিসংঘের ইতিহাসে প্রথম দেশ হিসেবে নারী সামরিক কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মোতায়েন করে। নারী শান্তিরক্ষীদের উপস্থিতি স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জন জেন্ডার ভায়োলেন্স রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা, নারীর সুরক্ষা, শান্তি ও নিরাপত্তা এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনাসহ আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারে সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। 

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা ২৮ নভেম্বর লন্ডনে কুইন এলিজাবেথ সেন্টারে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত দুদিন ব্যাপী “প্রিভেন্টিং সেক্সুয়াল ভায়োলেন্স ইন কনফ্লিক্ট ইনিশিয়েটিভ কনফারেন্স (পিএসভিআই) ২০২২” এ বেস্ট প্রাকটিস ইন ডিফেন্স অন প্রিভেন্টিং এন্ড রেসপন্ডিং টু কনফ্লিক্ট রিলেটেড সেক্সুয়াল ভায়োলেন্স সেশনে এ কথা বলেন। 

যুক্তরাজ্যের আর্মড ফোর্সেস মন্ত্রী জেমস হিয়াপী (James Heappey ) এর সভাপতিত্বে এ সেশনে আলোচক ছিলেন ন্যাটোর মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি ইরেন ফেলেন (Irene Fellin) যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মেজর চারমেইনে গেলডেনহুয়েজ ( Major Charmaine Geldenhuys), জেনেভা সেন্টার ফর সিকিউরিটি সেক্টর গভর্নেন্সের ড. মেগান বাসটিক (Dr. Mrgan Bastick) এবং বিপিএসটি’র জেন্ডার এ্যাডভাইজার ড সেল্লাহ কিং ওরো (Dr. Sellah King’oro).

এসময় উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: হাসানুজ্জামান কল্লোল। এ কনফারেন্সে বিশ্বের সত্তরটির বেশী দেশের প্রতিনিধি, শান্তি রক্ষা মিশনের প্রতিনিধি ও সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছে। প্রথম “প্রিভেন্টিং সেক্সুয়াল ভায়োলেন্স ইন কনফ্লিক্ট ইনিশিয়েটিভ কনফারেন্’ অনুষ্ঠিত হয়ে ২০১২ সালে। দশম বর্ষ পুর্তি হয়েছে এ কনফারেন্সের আয়োজন করছে যুক্তরাজ্য। ‘স্ট্রেনদেনিং গ্লোবাল রেসপন্স টু কনফ্লিক্ট রিলেটেড সেক্সুয়াল ভায়োলেন্স’, ‘প্রিভেন্টিং কনফ্লিক্ট রিলেটেড সেক্সুয়াল ভায়োলেন্স’, ‘স্ট্রেনদেনিং একাউনটেবিলিটি এন্ড জাস্টিস এবং সার্পোটিং সাইভাইভার্স’ এন্ড ‘চিল্ড্রেন বর্ন অব ভায়োলেন্স ইন কনফ্লিক্ট’ চারটি থিমের উপর কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হচ্ছে। 

প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা আরো বলেন, শান্তি রক্ষা মিশনে বিপুল সংখ্যক নারীর অংশগ্রহণ জেন্ডার বৈষম্য ও যৌন সহিংসতা প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে। শান্তি রক্ষা মিশনের উচ্চপদে নারীদের পদায়ন, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সমান সুযোগ এবং সংঘাতময় পরিস্থিতি মোকাবেলায় তাদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে। নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন ১৩২৫ বাস্তবায়ন এবং একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে পরিবার, কমিউনিটি এবং সমাজে সকল  পরিস্থিতিতে নারীর সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।


আরও খবর



বেনাপোলে সিএন্ডএফ এজেন্টদের কর্মবিরতি

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

লাইসেন্সিং বিধিমালা সংশোধনীসহ বিভিন্ন দাবি না মানায় বেনাপোল কাস্টমস হাউস ও শুল্ক স্টেশনে সকাল থেকে দুই দিনের কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। ফলে, বন্ধ আছে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য।

বেনাপোল কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন জানান, কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০১৬ জারির পর ফেডারেশনের পক্ষ থেকে বারবার প্রয়োজনীয় সংশোধনের জন্য অনুরোধ জানানো হলেও তা আমলে নেয়া হয়নি। এরপর কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ প্রণয়নের সময়েও ফেডারেশনের সঙ্গে আলোচনা না করেই বিধি জারি করা হয়েছিল। এছাড়া ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য লাইসেন্সিং রুলের কয়েকটি বিধি ও উপবিধি সংশোধনীর প্রস্তাব দেয়া হলেও বাজেট প্রস্তাবনায় কোনো সংশোধনী আনা হয়নি। আর এ কারনেই আজ ও আগামীকাল কর্মবিরতি পালন করা হবে।  


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




দশমিনায় গ্রামীন সড়কের বেহাল দশা

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মোঃ নাঈম হোসাইন ,দশমিনা (পটুয়াখালী):

পটুয়াখালীর দশমিনায় পাতারচর-চরঘূর্নী সংযোগ সড়কের একঅংশ ভেঙ্গে বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় নদী গর্ভে বিলীন হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানা যায়, ২০১৭-২০১৮ সালে উপজেলা এলজিইডি ১ কিলোমিটার পাকা সড়ক নির্মান করেন। উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের রনগোপালদী বাজার-একমাত্র নদী বেষ্টিত চরবোরহান ইউনিয়নসহ পাতারচর ও চরঘুর্নী এলাকায় যাতায়াতের একমাত্র সড়ক পথ। রণগোপালদী ইউনিয়ন ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ কাজের জন্য এ সড়কটি দিয়ে চলাচল করে থাকে। সড়কটি ভেঙ্গে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল করতে পারছে না।

উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. অধুদ মাতব্বর বলেন, ভেঙ্গে যাওয়া সড়কটিতে গর্তের কারনে কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। সড়কের দুই পাশে যানবাহন রেখে যাত্রীদেরকে চলাচল করতে হয়। সড়কটি সংস্কার করা না হলে এপার-ওপার যাওয়া আসা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। 

রনগোপালদী ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি বশির খান বলেন, ভেঙ্গে যাওয়া সড়কটি নিজেদের অর্থায়নে মাটি কেটে ভরাট করে দিয়েছি। কিন্তু বর্তমানে ধীরে ধীরে ভেঙ্গে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে এলাকাবাসীসহ সাধারন যাত্রীরা ভোগান্তির সম্মুখিন হচ্ছে। বিগত ৩ বছর আগে ঘূর্নীঝড় আম্ফান ও ইজিগেট দিয়ে নেমে যাওয়া পানির চাপে সড়কটিতে বার বার গর্ত সৃষ্টি হয়। 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী  প্রকৌশলী মো. মকবুল হোসেন জানান, সড়কটিতে গর্তের ব্যাপারে অতি শীর্ঘই খোঁজ খবর নিয়ে চলতি বছরেই সংস্কার করা হবে।


আরও খবর



ধামরাইয়ে শেখ কামাল

আন্তঃ স্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Friday ২৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন :

ঢাকার ধামরাইয়ে শেখ কামাল আন্তঃ স্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা (২০২৩) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার সময় কুশুরা আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ধামরাই উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ঢাকা (২০) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমেদ এমপি।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও কুশুরা আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ এনামুল হক আইয়ুব,ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাইশাকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট সোহানা জেসমিন মুক্তা, ধামরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহিন আশরাফী,ধামরাই উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি মোঃ জামিল হোসেন, কুশুরা আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক সহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মানবতার আরেক নাম, ডা. ফেরদৌস খন্দকার

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. ফেরদৌস খন্দকার।নিউ ইয়র্কে করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করলে অনেক চিকিৎসক চেম্বার বন্ধ রাখেন। কিন্তু সেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন ডা. ফেরদৌস। দুঃসময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ডা. ফেরদৌস। চেম্বার খোলা রেখে করোনা আক্রান্ত মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে গেছেন। মনস্থির করলেন নিজের মাতৃভূমিতে এসে নিজেকে বিলিয়ে দিবেন দেশের মানুষের স্বার্থে।

শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন (ইউএসএ) ইনক'র সভাপতি মানবিক মানুষ ডা. ফেরদৌস খন্দকার , তার মুল লক্ষ্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেলকে বিশ্ব বাসির কাছে পরিচিত করে দেওয়া এবং স্কুল কলেজ এর ছাত্র, ছাত্রীদের মাঝে তার মূল্যায়ন গড়ে তোলা তিনি বলেন দেশ আজ দুই ভাগে বিভক্ত- একটি পক্ষ স্বাধীনতার পক্ষে আর একটি স্বাধীনতা বিরোধী, তাই এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে দেশ, জন্মভূমি এবং স্বাধীনতার পক্ষে থাকবে নাকি ভুল সিদ্ধান্ত নিবে। 

শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন ইউএসএ শাখার নামে তিনি দেশে বিদেশে নানা রকম মানব কল্যাণ মূলক কাজ করে থাকেন ডাঃ ফেরদৌস খন্দকার ।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের মধ্যে একজন সফল চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত ডা. ফেরদৌস খন্দকার। জন্মগ্রহণ করেছেন কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বারে। বাবা ফয়েজ আহমেদ খন্দকার বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা। মা আনোয়ারা বেগম খন্দকার গৃহিনী। তিন ভাইবোনের মধ্যে ডা. ফেরদৌস বড়।
ডাক্তার ফেরদৌসের মায়ের পরিবার দেবিদ্বারের পাশের মুরাদনগরের কেষ্টপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার নানা সামরিক বাহিনীতে অ্যাকাউন্টস ডিপার্টমেন্টে কাজ করতেন। সহজ-সরল মানুষ। উনার ছয় ছেলে, এক মেয়ে। তার প্রথম ছেলে খুরশিদ আনোয়ার সাহেব, উনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। ওই সময় সেই এলাকার মুক্তিযোদ্ধার কমান্ডার ছিলেন তিনি। পরে ফার্মাসিস্ট হয়ে বিদেশে চলে গিয়েছেন। দ্বিতীয় জনও মুক্তিযোদ্ধা, অ্যাকাউন্টেন্ট।
ছোটবেলা থেকেই স্বেচ্ছাসেবী কাজ করতে পছন্দ করতেন ডাক্তার ফেরদৌস। গ্রামে এবং নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানা স্বেচ্ছাসেবী কাজের সাথে জড়িত ছিলেন এই মেডিসিন বিশেষজ্ঞ।  তিনি ১৯৯৮ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে ইন্টার্নিশিপসহ মেডিসিনে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তারপর পরিবার সহ পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানকার নিউইয়র্ক মেডিকেল কলেজ থেকে প্রশিক্ষণসহ চিকিৎসাশাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। ধীরে ধীরে বাংলাদেশিদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন ডাক্তার ফেরদৌস। পাশাপাশি জীবন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন এই মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। 

 ডাক্তার ফেরদৌস কোন কাজকেই ছোট মনে করেননি। একসময় আমেরিকায় ট্যাক্সি ক্যাব চালিয়েছেন।   এমনও অনেক দিন গেছে টানা ১৯ ঘন্টা তিনি ট্যাক্সি চালিয়েছেন।  দশজন সাধারণ অভিবাসীর মতই তিনি ঘুরেছিলেন এই শহরে ভাগ্যের অন্বষনে। যুক্তরাষ্ট্রে ডাক্তারী পেশার জন্য প্রাকটিস সনদ পরিক্ষার খরচ যুগিয়েছিলেন এবং শেষ দিকে এসে যখন এই ডাক্তারী অফিসটি ভাড়া নিয়েছিলেন, সেটার ভাড়া আর কর্মচারীদের বেতন তুলে চলতেন।


লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য নিজের পরিশ্রম আর অধ্যবসায়কে বেছে নিয়েছেন ডাক্তার ফেরদৌস। নিজের পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে ডাক্তার ফেরদৌস হয়ে উঠলেন সফলদের একজন। 
তিনি জ্যাকসন হাইটসের ব্যস্ততম ৩৭ স্ট্রিটে ওয়েস্টার্ন কেয়ার মেডিকেল কেয়ার পিসি নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন সমমনাদের নিয়ে। সেখানে দেশি বিদেশি ৭ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বসেন। নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের মূর্তমান বিশ্বস্ততার প্রতিক হয়ে উঠলেন ডাক্তার ফেরদৌস।

 

একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে বাংলাদেশী, ভারতীয় এবং পাকিস্থানী নাগরিকদের মধ্যে যথেষ্ট খ্যাতি কুড়িয়েছেন । নিউইয়র্কের অলাভজনক সংস্থা দি অপটিমিস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তিনি। রোগিদের আস্থা আর তাদের প্রতি সেবাকে আরো বিস্তৃত করতে নতুন একটি মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছেন ফেরদৌস খন্দকার। জ্যাকসান হাইটস এর ৭০-৩৮ ব্রডওয়েতে এই চিকিৎসা কেন্দ্রটি অবস্থিত। মানুষজন বিক্ষিপ্তভাবে এদিক সেদিক না গিয়ে যাতে এক ছাদের নিছে সেবা পায় সেজন্যই তার এই প্রচেষ্টা। 

 

ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকার চেম্বারে নিয়মিত রোগী দেখার পাশাপাশি, ফেসবুক এবং ইউটিউবে নিয়মিত স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নানা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষকে রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতন করাই তার প্রধান লক্ষ্য। তিনি চান মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য বিষয়ক জ্ঞানের পরিধি বিস্তার হোক।
বিদেশে থাকলেও স্বদেশের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতার কথা অকপটে স্বীকার করলেন। মেডিকেলের শিক্ষার্থী হিসেবে সেনাবাহিনীর বৃত্তি পেয়েছিলেন। অর্থ-বিত্তে সাফল্যে পৌঁছার শুরুতেই তিনি সেই বৃত্তি ফেরত দিয়েছেন। নানাভাবে তাঁর দায় পরিশোধের উদ্যোগের কথা জানালেন। নিজের অর্থ ব্যয়ে গ্রামে হাসপাতাল ও বৃদ্ধাশ্রম করছেন। এসব কাজ করতে গিয়ে নানা বাধাবিপত্তির মোকাবিলা করেছেন।

বছরে অন্তত চারবার দেশে আসেন ডা. ফেরদৌস খন্দকার। নিজের এলাকার জন্য, দেশের মানুষের জন্য কিছু করার তাড়না থেকেই আসেন তিনি। অর্থনৈতিকভাবে বেশ সফল হলেও ভ্রমণের সময় বাড়তি ব্যয় করেন না। বেঁচে যাওয়া সেই অর্থ বরং মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেন। 


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে মৎস্য ঘের দখলে মরিয়া একটি মহল

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট :

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জিউধরায় একটি মৎস্য ঘের দখলের পায়তারা জোরপূর্বক মাটি কেটে ভেরিবাঁধ দেওয়ার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে ভূক্তভোগী কৃষক পরিবার।

 অভিযোগে জানাগেছে, মঙ্গলবার সকালে জিউধরা ইউনিয়নের ঠাকুরান তলা গ্রামে কৃষক জাকির হোসেন খানের পৈত্রিক সম্পত্তি দুই একর ৬৯ শতক জমির মৎস্য ঘেরের মধ্যে একটি অংশে জোরপূর্বক মাটি কেটে ভেরিবাঁধ দিয়ে ঘেরটি দখলে নেওয়ার জন্য হামলা করে একই গ্রামের শাহাদৎ শরীফের নের্তৃত্বে মনির শরীফসহ ৮/১ জনের একটি সংর্ঘবদ্ধ হয়ে মাটি কাটে ভেরিবাঁধ দেয়। এ সময় তাদের বাঁধা দিলে কৃষক জাকিরকে জমি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনার পরপরই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক জাকির হোসেন খান বাদি হয়ে শাহাদৎ শরীফসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। কৃষক জাকির খান ও তার স্ত্রী পলি বেগম বলেন, জমিতে হামলাকারিরা এলাকার প্রভাবশালী। ৩০/৪০ বছর ধরে পৈত্রিক জমিতে মৎস্য ঘের করে আসছি। হঠাৎ করে লোকজন নিয়ে ঘেরটি দখলের চেষ্টা করেছে। আমরা ন্যায় বিচার দাবি করছি প্রশাসনের প্রতি।

 এ বিষয়ে থানার ডিউটিরত অফিসার এএসআই মিঠুন বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত করে মাটি কাটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এ সর্ম্পকে মো. শাহাদৎ শরীফ বলেন, আমাদের জমির মাটি আমরা কেটেছি। জাকির খান জাল দলিল করেছে। সে বিষয়ে আদালতে মামলাও রয়েছে। #


আরও খবর