Logo
শিরোনাম

মা একটা শব্দ নয়, একটা অনুভূতির নাম

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

অধ্যাপক ড, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী, শিক্ষাবিদ :

পৃথিবীটা খুব অদ্ভুত | যে মানুষটা জানেনা তার জন্ম হয়েছে কার গর্ভ থেকে, সে মানুষটা হয়তো সারাজীবন মা নামের একজন মানুষকে খুঁজে বেড়ায়, কিন্তু চরম সত্য হলো যে মা তাকে জন্ম দিয়েছে সেই তাকে একদিন ডাস্টবিনে ফেলে গিয়েছিলো, হয়তো মন চায়নি,, তারপরও এমনটা করতে হয়েছিল, কখনো কখনো বাস্তবতা খুব ভয়ংকর হয়  |  কে জানে কার অপরাধ? কার অসহায়ত্ব ? কি পরিস্থিতি ? দিন যায়, রাত যায়, সময় গড়িয়ে গড়িয়ে অনেকটা পথ পেরিয়ে যায় | রেখে যায় কিছু প্রশ্ন, রেখে যায় অন্ধকারে হাতড়ানো কিছু উত্তর | মা কি তার সন্তানের অনাগত ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তার কথা চিন্তা করে এমনটা করেছে, নাকি নিজের সুখের জন্য এমনটা করেছে ? সবটাই যে অমীমাংসিত, সবাই যে দোদুল্যমান | 

পৃথিবীর সবাই যার যার মতো ব্যস্ত  হয়ে পরে, সবাই ভুলে যায় সবকিছু, তবে পৃথিবীর দুই জায়গায় দুটি মানুষ জীবনকে টেনে টেনে অনেকটা দূর নিয়ে গেলেও আপনজনের অভাবটা অনুভব করতে পারে, অসীম শুন্যতায় খাঁ-খাঁ করা বুকটার স্পন্দন শুনতে পায়  কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে হাসিমুখে মানিয়ে নেয় আরেক নতুন জীবন, চোখের পানিকে বুকের ভিতর আটকে রেখে বলে, না, না, আমি অনেক সুখী, আমার চেয়ে সুখী পৃথিবীতে আর কেউ নেই  | 

পৃথিবীর যে মায়েরা অভাবের তাড়নায় সন্তানকে বিক্রি করে দেয়, পৃথিবীর সবার কাছে তারা নিন্দিত হয় |  কিন্তু এর পিছনের কারণটা কেউ হয়তো কখনো খুঁজে দেখেনা ?  সাদা চোখ যেভাবে দেখে মাথা থেকে চিন্তাটা সেভাবেই বেরিয়ে আসে | হয়তো সেখানে মনোবিজ্ঞানের কোনো থিওরি কাজ করে, যেটা অর্থনীতির থিওরির সাথে লড়াই করে কোনো একটা জায়গায় এসে থেমে যায়, তারপর অনেকগুলো প্রশ্ন সভ্য দুনিয়ার মানুষের মুখের সামনে ছুড়ে দিয়ে নির্বাক চলচিত্রের জন্ম দেয়  | পৃথিবীও অদ্ভুত, ভালোবাসার বন্ধন খুঁজেনা বরং এমন ঘটনা পেলে চলচিত্রের দামটা বাড়িয়ে দেয়  | 

কোথায় যেন একটা লেখা দেখেছিলাম, শরীর থেকে রক্ত ঝরলে কষ্ট লাগেনা, কিন্ত এক ফোটা চোখের জল বের হওয়ার আগে মনে হয় হৃদপিন্ডটা ছিড়ে যাচ্ছে | মায়ের হৃদপিন্ডটাও  কি সেদিন সেভাবে ছিড়েছিলো, যেদিন নিজে সন্তান বুকের ধন না হয়ে বাজারের পণ্য হয়েছিল?  কে জানে কোনটা সত্য,  কোনটা মিথ্যা | মা কি তার খাদ্যের মতো মৌলিক চাহিদা মেটাতে সন্তানকে বিক্রি করেছিল, নাকি সন্তানকে অভাব থেকে মুক্ত করে নতুন জীবনের সন্ধান করে দিতে পাষানের মতো এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল | সময় সব জানেনা, ওই দুটো মানুষ জানেনা, কারণ সময় যে তখন পৌঁছে গেছে আরেক সময়ে  | 

মা একটা শব্দ নয়, একটা অনুভূতির নাম | তারপরও চোখে দেখা সাধারণ পৃথিবীর বাইরে অন্য এক পৃথিবীতে এই সম্পর্কটা কখনো কখনো খুব দুর্বোধ্য হয়, খুব অচেনা মনে হয়, খুব বিচিত্র হয় যেখানে চাঁদ সূর্যের আলোয় রূপবতী  হলেও পরাধীনতার কলংক বয়ে বেড়ায়, কিন্তু চাঁদের যে কিছুই করার থাকেনা  | সব যে নিয়তি, সবটাই যে অসহায়ত্ব |


আরও খবর

থেমে যাওয়া মানে জীবন নয়

রবিবার ২৩ এপ্রিল 20২৩




প্রধানমন্ত্রী চীন যাচ্ছেন ৮ জুলাই

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


আগামী ৮ জুলাই চীন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


তিনদিনব্যাপী এ সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ব্রিকসে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।



পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ আজ সোমবার (২৪ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।


এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ সফররত চীনের কম্যুনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ জিয়ানচাও সাক্ষাত করেন।



 সাক্ষাতকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন সহযোগী চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে রপ্তানি বৃদ্ধি, ওষুধ, সিরামিক, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্র প্রসার, চীনের বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অবকাঠামো নির্মাণ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।



 পাশাপাশি দেশে আশ্রিত প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গার নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে চীনের কার্যকর ভূমিকা বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।



লিউ জিয়ানচাও সাংবাদিকদের বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চীন সফরে স্বাগত জানাই। বাংলাদেশে পণ্য উৎপাদন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অবকাঠামো নির্মাণে আরও সহযোগিতা দিতে চীন প্রস্তুত।


আরও খবর



নওগাঁয় ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে শরিফ (২৩) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টারদিকে নওগাঁর মান্দা উপজেলার কশব ইউনিয়ন এর তুড়ুকবাড়িয়া এলাকায় আকন্দ পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শরিফ কশব ইউনিয়ন এর তুড়ুকবাড়িয়া গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন। 

স্থানীয়রা জানান, গত বৃহস্পতিবার তুড়ুকবাড়িয়া হাইস্কুল মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দু' পক্ষের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। পরে স্থানীয়রা মীমাংসার চেষ্টা করেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টারদিকে তড়ুকবাড়িয়া মোড় থেকে শরীফ ক্যারামবোর্ড খেলে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় শরিফের উপস্থিতি টের পেয়ে একই গ্রামের আহম্মদের ছেলে সুলতান ও জিয়াউর রহমানের ছেলে পারভেজ ধারালো হাসুয়া দিয়ে পেছন থেকে শরিফের পিঠে কোপ দেয়। কোপ খেয়ে আহত শরিফ বাঁচার জন্য দৌড় দিয়ে রাস্তার ওপর পড়ে যায়। এরপর তারা দু'জন মিলে আবারও শরিফের পিঠে ধারালো হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে আহত শরিফ তার নিজ বাড়ির বারান্দায় এসে পড়ে যায়। তার পরিবারের লোকজন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার সময় মারা তিনি যান। শরিফ হত্যার বিষয়টি গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে লোকজন সুলতানের বাড়ি ঘেরাও করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় সুলতানের মা সেলিনাকে তার নিরাপত্তার জন্য থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক কাজী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং হত্যার ঘটনায় তদন্ত শুরু করা হয়েছে। নিহত শরিফের লাশ থানায় নিয়ে সকালে নওগাঁ জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রকৃয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সরকার

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক:

কোটা সংস্কার ও পেনশন স্কিম নিয়ে শিক্ষকদের আন্দোলন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 



রোববার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।



ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সর্বজনীন পেনশনে প্রত্যয় কর্মসূচির বিরুদ্ধে সারা দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের কর্মবিরতি ও শিক্ষার্থীদের কোটাবিরোধী আন্দোলনের সমাধান হয়ে যাবে। 


শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ আছে। শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তাদের সঙ্গে কখন বসব, এই মুহূর্তে বলতে পারছি না৷ সময়মতো সমাধান হবে।’



সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘তারা যে বিষয়ে আন্দোলন করছে এটা তো সরকারের সিদ্ধান্ত। আদালত ভিন্ন রায় দিয়েছেন, আদালতের ব্যাপারটা চলমান, এটা আপিল বিভাগে আছে। আদালতের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা উচিত নয়, এখন আদালতের এখতিয়ার এটি।’



নিজেরা আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন শিক্ষার্থীদের কোটাবিরোধী ও শিক্ষকদের পেনশন আন্দোলনের ওপর ভর করেছে বলে অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। 


তিনি বলেন, ‘বিএনপি এখন পরজীবী আন্দোলন করছে। নিজেরা ব্যর্থ হয়ে অন্যের ওপর ভর করে শিকার করতে চায়। তাদের এই স্বপ্ন, দিবাস্বপ্ন হয়ে যাবে।’


এবার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ছয়জন কর্মকর্তা–কর্মচারীকে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান করা হয়।


আরও খবর



দেশবিরোধী চুক্তি আড়াল করতেই ছাগলকাণ্ড, বেনজিরকাণ্ড: রিজভী

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস রিপোর্ট:


দেশবিরোধী চুক্তি আড়াল করতেই ছাগলকাণ্ড, বেনজিরকাণ্ড, আজিজকাণ্ড, হেলিকপ্টারে আসামি গ্রেপ্তারকাণ্ড সামনে আনা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। 


তিনি বলেন, জনগণ চূড়ান্ত বাধা টপকিয়ে বাংলাদেশকে কারো আশ্রিত রাজ্য বানাতে দেবে না।


শুক্রবার (২৮ জুন) বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, একজন ডিক্টেটরের হুকুমে দেশ চলছে বলেই জনগণ আজ ত্যাজ্য, প্রত্যাখ্যাত ও নিজ দেশে পরবাসী হতে চলেছে।



 গোটা জাতি এখন ভীতি ও শঙ্কার মধ্যে। শ্বাসবায়ূ প্রাণ ভরে কেউ গ্রহণ করতে পারছে না। তবে জনগণ চূড়ান্ত বাধা টপকিয়ে বাংলাদেশকে কারো আশ্রিত রাজ্য বানাতে দেবে না।


রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, যারা ভারতবিরোধীতার ইস্যু খুঁজছেন তারা আবারও ভুল পথে যাচ্ছে। ওবায়দুল কাদেরের কথায় ধরে নিতে হবে আমাদের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করে কেউ বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে স্থাপনা করে যাবে, তারপরেও এর বিরোধীতা করলে সেটি ভুল পথ হবে।



 এ ধরনের কথা কেবলমাত্র নতজানু, জনগণের ক্ষমতা ছিনতাইকারী দেশদ্রোহীদের মুখেই সাজে। জনগণের সম্মতি ব্যতিরেকে চিকেননেককে বাইপাস করে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারত রেলপথ নির্মাণ করবে আর সেটি চুপ করে দেখা হবে, তা ৭১-এর শহীদদের রক্তকে অসম্মান করার শামিল।


তিনি বলেন, বাংলাদেশে ভেতর দিয়ে রেলপথ বসানোর চুক্তি করে শেখ হাসিনা স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লাখ মা-বোনের নির্যাতনের সাথে বেইমানি করছেন। বাংলাদেশের সীমান্ত রক্তে ভেজা, ভারত থেকে বয়ে আসা বাংলাদেশের নদীগুলো উষর মরুভূমিতে পরিণত হওয়া, চরম বাণিজ্য ঘাটতির পটভূমিতে বাংলাদেশের বুকচিরে রেললাইন বসিয়ে ভারতের সামরিক ও বেসামরিক পণ্য পরিবহনের সুযোগে বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্যে শনিরদশা ডেকে আনা হবে।


বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষা এবং নিজস্ব শক্তির উপর নির্ভরশীল থাকতে পারবে না। এমনিতেই আমাদের দেশের জনগণের এনআইডির সকল তথ্য ভারতকে জানানো হয়েছে।



 ভারত সবসময় বিগব্রাদার সূলভ গরিমা থেকে বাংলাদেশকে বিবেচনা করে। ৭ জানুয়ারি একতরফা ডামি নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে বৈধতা দিয়েছে ভারত, তাই কৃতজ্ঞতাস্বরূপ শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে ভারতকে সব উজাড় করে দিতে কুণ্ঠিত হচ্ছেন না।


রিজভী বলেন, দেশে দুর্নীতির মহামারী, লুণ্ঠন আর কুৎসিত অনাচারের নানা রং-বেরঙের কাহিনী এখন মানুষের মুখে-মুখে। আর এই সমস্ত অপকর্মে জড়িতরা প্রায় সবাই ক্ষমতাসীনদের ঘনিষ্ঠ। এইসব ঘটনা ফাঁস হওয়াতে সরকারের মন্ত্রী ও এমপিরা বেসামাল হয়ে পড়েছে। ভারসাম্যহীন কথাবার্তা বলছেন। 



একদিকে বলছেন দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে প্রচার ষড়যন্ত্রের অংশ, আবার অন্যদিকে বলছেন অভিযোগ সত্য। এ কথার কী অর্থ হতে পারে তা আমার জানা নেই। অভিযোগ সত্য হলে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে প্রচার ষড়যন্ত্রের অংশ হবে কেন? এরা বিভ্রান্তিতে ভুগছেন, কারণ আওয়ামী সরকারের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারাই ছিল ডামি সরকারকে টিকিয়ে রাখার বিশ্বস্ত সৈনিক।


তিনি আরও বলেন, একতরফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে এ সমস্ত কর্মকর্তাই ভোটারদেরকে নতজানু রাখতে রক্ত খেলায় মেতেছিলো। এরা জনগণকে নতজানু রাখতে যথেচ্ছাচার রাষ্ট্রশক্তিকে ব্যবহার করেছে। এরাই ডেলিবারেট কিলিং করেছে, নিয়ন্ত্রণহীন হত্যাকাণ্ডের জন্য নিজ বাহিনীর সদস্যদেরকে কেন সক্রিয় হচ্ছে না, সেই জন্য ভর্ৎসনা করেছে।



 গণতন্ত্রকামী মানুষের বিরুদ্ধে উগ্রতা এবং বন্দুকের ভয় দেখিয়ে নীরব রাখার চেষ্টা করেছে। সেজন্যই মন্ত্রী-এমপিরা তালগোল পাকিয়ে স্ববিরোধী বক্তব্য রাখছেন।


আরও খবর



৭০ টাকা ছুঁয়েছে আলু, পেঁয়াজের বাজারও চড়া

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন: রাজধানীর ঢাকার বাজারে নিত্যপণ্যের দাম যেন কোনোভাবেই কমছে না। একটার দাম কিছুটা কমলে বাড়ছে অন্যটার দাম।

 এদিকে মাছ-মুরগীতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও অস্বস্তি রয়েছে কাঁচা মরিচ, আলু পেঁয়াজের দামে। আরও বেশকিছু নিত্যপণ্যের দাম এখনো চড়া।

 শুক্রবার (২৮ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আজকের বাজারে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি, গত সপ্তাহেও ৭৫০ টাকার মধ্যেই ছিল। এছাড়াও প্রতি কেজি খাসির মাংস এক হাজার ৫০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা ও ছাগলের মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকায়। এদিকে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। দেশি মুরগি ৭০০-৭৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায় এবং প্রতি কেজি সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকায়।

সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায়। গত সপ্তাহে ব্রয়লার ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। বাজারগুলোতে সোনালি মুরগির কেজি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা। সোনালি হাইব্রিড ৩০০ টাকা, দেশি মুরগি ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা এবং সাদা লেয়ার ২৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অন্যান্য পণ্যের তুলনায় মাছের বাজারেও কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বড় চিংড়ি মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায়, যেখানে গত সপ্তাহেও ছিল ৭০০ টাকা পর্যন্ত। শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা। এছাড়াও পাঙাশ ১৬০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, কার্প মাছ ২৬০ টাকা, রুই মাছ ৩৫০ টাকা, মলা মাছ ২৮০, কই ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহ ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহেও পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছিল। চলতি সপ্তাহে আলু কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচ গত সপ্তাহের তুলনায় খানিকটা কমে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে চলতি সপ্তাহে সব ধরনের সবজির বাজার স্থিতিশীল।

সপ্তাহ ব্যবধানে এসব বাজারে সব ধরনের সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। কচুরমুখীর কেজি ৮০ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁপের কেজি ৬০ টাকা, ধুন্দল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, ঝিঙা ৭০ টাকা, শজনে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে ফুলকপি প্রতিটি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বাঁধা কপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ব্রোকলি ৪০ টাকা পিস, পাকা টমেটোর কেজি প্রকারভেদে ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং গাজর ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি ১০ থেকে ৪০ টাকা, ধনে পাতার কেজি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা।


আরও খবর