Logo
শিরোনাম

সুফি কাদের বুঝায় ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুলাই ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম,সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক, ও গবষেক :


সুফিবাদকে আরবিতে তাসাউফ বলা হয়। সুফি বলতে কাদের বুঝায় তথ্য উৎঘাটন করতে গিয়ে উইকিপিডিয়ায় পাওয়া যায়, সুফিদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, সেটা এক ভিন্ন ধরনের সন্ন্যাসবাদ। বিশেষত জিকিরের মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করা ঐকান্তিক চর্চার মাধ্যমেই ধর্মপালন। যা তারা নামাজের পরে করে থাকে। উমাইয়া খিলাফতের (৬৬১-৭৫০) জাগতিক দুর্বলতার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া স্বরূপ, মুসলিমের মধ্য থেকে উল্লেখযোগ্য হারে এই মতবাদের অনুসারী লাভ করে।

 

দুনিয়ার সকল দেশেই সুফিবাদের প্রসার হয়েছে ব্যাপক ভাবে। আজো তার সমৃদ্ধি চলছে। কিন্তু তাৎপর্যের ব্যাপার হল সুফিবাদের সুফি শব্দের মূল ভাবার্থ কি? তা নিয়ে কথা হয়েছে বিস্তর কিন্তু মনের মত সমাধান পাওয়া যায়নি।

বুঝায়

সুফি শব্দের চলমান ব্যাখ্যা

শব্দটির আভিধানিক উৎপত্তি নেওয়া হয়েছে সাফা থেকে। যার আরবি অর্থ বিশুদ্ধতা বা পবিত্রতা বা শুদ্ধতা বা পাপশূন্যতা। হৃদয়কে পাপশূন্য করার জন্য তাজকিয়া তথা আত্মশুদ্ধির দরকার হয়। আত্মশুদ্ধির জন্য জিকির অপরিহার্য। এই ব্যাখ্যাটি আধুনিক যুগে বিশ্লেষণ করে বানানো এবং এটাকেই সঠিক মনে করে সুফিবাদ এগুচ্ছে। ফলে উইকিপিডিয়াতেও এটাকেই মূল কথা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

 

সুফি শব্দের প্রকৃত ব্যাখ্যা
সুফি শব্দটি খাঁটি আরবি। যার অর্থ হল পশম কিন্তু সুফি শব্দ সাধারণ পশমের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয় না। একেবারেয় খাটি বিশুদ্ধ পশমকে বুঝিয়ে থাকে। তাই অনেকে এই শব্দ দিয়ে সুফিবাদকে মূল্যায়িত করে থাকে। তারা এই শব্দটির মর্মার্থ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলে থাকেন, সুফি শব্দটি দিয়ে পশমের গুন বুঝিয়ে থাকে এবং সুফিরাও গুনের কারণে পরিচিত। তাই সুফি মানে বিশুদ্ধ সাধক আর সুফি সাধনা মানে বিশুদ্ধতার সাধনা।

 

ধারণাগত ব্যাখ্যা
আবার কেউ কেউ সুফি শব্দটিকে আরবি সফা শব্দের সঙ্গে জুড়ে দেন। রাসুল (সা) এর সাথীদের মধ্যে কেউ কাছাকাছি থাকতেন। এমন সাহাবীদের আহল-উসসুফফা বলা হত। অনেকেই ব্যাখ্যা দেন রাসুল (সা) এর সাথীদের মত চরিত্র-জীবন যাদের প্রকৃতপক্ষে তারাই সুফি বলে মতামত দিয়ে থাকেন। সুফি বলতে কা

দের বুঝায়

দার্শনিক আল-বেরুনীর ব্যাখ্যা
সুফিবাদ সুফি সম্পর্কে পরিষ্কার গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যাটি দিয়েছেন, জগৎবিখ্যাত গণিতজ্ঞ ইসলামী দার্শনিক আবু রায়হান আর বিরুনী (৯৭৩-১০৫০) তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ আল কিতাবুল হিন্দ গ্রন্থে। সুফিবাদের প্রচার প্রসার যখন মধ্যগগনে ইসলামের সেই সোনালী যুগে জগৎবিখ্যাত দার্শনিক আল বেরুনীর জন্ম। চলুন সরাসরি তাঁর কিতাব থেকেই বিষয়টি দেখি।

 

আল বেরুনীর ভাষায়, সুফি শব্দটি এসেছে ইউনানি (গ্রীক) ভাষা হতে। কেননা গ্রীক ভাষায় সুফ শব্দের অর্থ প্রজ্ঞা (সুফিয়া) আর গ্রীক ভাষায় ফিলোসফার philosopher (দার্শনিক) কে পিলোসোপা (philosophos-ফিলোসোপস) তথা প্রজ্ঞাবান বলা হয়। দর্শন, দার্শনিক শব্দগুলো গ্রীকে দেশে খুবই সম্মানিত ব্যবহৃত শব্দ। তাই মুসলিম শাসনামলেও লোকেরা গ্রীক দার্শনিকদের সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিলিতভাবে নিজেরাও সুফি তথা প্রজ্ঞাবান তথা দার্শনিক শব্দটিকে গ্রহণ করেছেন।

আর বেরুনীর মতে সুফি শব্দকে বিশুদ্ধ পশমের সাথে মিলিয়ে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, সেটা আবু ফাতহ আল কুস্তানির ব্যাখ্যা। সুফি শব্দটি যে গ্রীক থেকে এসেছে ব্যাপারে তিনি শক্ত অবস্থান নিয়েছেন এবং অন্য কোন ব্যাখ্যা তিনি মানতে রাজী নন। তথ্য সূত্র ভারততত্ত্ব-৩৭

 

উল্লেখ্য, উমাইয়া শাসন পরবর্তী আব্বাসীয় শাসনামলে প্রচুর গ্রীক সাহিত্য আরবিতে অনুবাদ হয়। সে থেকে দর্শন, গণিত সহ বহু-ধরনের বিষয়ের সাথে আরবিদের পরিচয় ঘটে। অধিকন্তু সে সময়ের মুসলমানেরা কোরআন-হাদিস-ফিকাহের বাহিরেও জ্ঞান অর্জনের নিমিত্তে পাগল পারা ছিল। তাদের অনেকেই গ্রীকের বৈষয়িক জ্ঞানের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠে। অন্যদিকে এই সময়টাই ছিল সুফিবাদের সূচনা যুগ। তার প্রায় আড়াই বছর পরেই আল বেরুনীর জন্ম। ফলে তিনি সুফিবাদের জন্ম, উত্থান সম্পর্কে বর্তমানের অনেকের চেয়ে বেশী জানতেন। তাই সুফি অর্থ প্রজ্ঞাবান কিংবা দার্শনিক আল বেরুনীর এই কথাটিই বেশী যুক্তিযুক্ত।


আরও খবর



নোয়াখালীতে তিন শিক্ষককে অব্যাহতি

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image
নোয়াখালী প্রতিনিধি::

নোয়াখালীর চাটখিলে চলমান উচ্চমাধ্যমিক, আলিম ও সমমান পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে তিন শিক্ষককে চলতি বছরের পরবর্তী পরীক্ষাসমূহের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। 

আব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকরা হলেন, উপজেলার কড়িহাটি ফাযিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক হাবিব উল্লাহ মেসবাহ, মল্লিকাদিঘীর পাড় ফাযিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক জহির উদ্দীন এবং খোয়াজের ভিটি ফাযিল মাদরাসার প্রভাষক তকদীর হোসেন।

রোববার (৭ জুলাই) উপজেলার চাটখিল কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার্থীদের বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে এই ঘটনা ঘটে। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বোরবার বেলা সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আলিম পরীক্ষার কেন্দ্রটি পরিদর্শনে যান কেন্দ্রের সুপারভাইজিং অফিসার ও চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ এহসান উদ্দীন। এসময় তিনি কেন্দ্রের ১ নম্বর এবং ৩ নম্বর কক্ষে দায়িত্বরত কক্ষ প্রত্যবেক্ষকদের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি দেখতে পেয়ে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নজরে আনেন। পরবর্তীতে চাটখিল কামিল মাদরাসা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বশির উল্লাহ ওই তিন শিক্ষককে অব্যাহতি প্রদান করেন।

চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ এহসান উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।  তিনি বলেন, সকালে আমি কেন্দ্রটি পরিদর্শনে যাই। পরীক্ষা হলে গিয়ে দেখি পরীক্ষার্থীরা একে অপরের সাথে কথা বলছে এবং তারা একজন আরেক জনের থেকে দেখে লিখছে। এরপর বিষয়টি কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মো.বশির উল্যার জানালে তিনি তিন শিক্ষককে অব্যাহতি প্রদান করেন।


আরও খবর



দেশে ফিরেছেন সাড়ে ১৯ হাজার হজযাত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন হাজীরা। গতকাল মঙ্গলবার (২৫ জুন) মধ্যরাত পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ১৯ হাজার ৪৩৯ জন হাজি। 


ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের আইটি হেল্প ডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।



হেল্প ডেস্কের তথ্যমতে, পবিত্র হজ পালন শেষে মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত ৫১টি ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ১৯ হাজার ৪৩৯ জন হাজি। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইটের সংখ্যা ১৩টি, সৌদি এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট ২০টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ১৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।


অন্যদিকে, পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে নাসরিন বানু (৬৪) নামে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হজ পালনে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৮ জনের মৃত্যু হলো। তাদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ ও ১২ জন নারী। এর মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ৪ জন, মিনায় ৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা গেছেন।


এ বছর তীব্র গরমের মধ্যে হজ পালন করতে হয়েছে মুসল্লিদের। হজের মৌসুমে মক্কার তাপমাত্রা কখনো কখনো ৫০ ডিগ্রি পর্যন্ত ছাড়িয়ে গেছে। সেই সঙ্গে সৌদিজুড়ে প্রবল তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। 


যার ফলে তীব্র গরমে অসুস্থ হয়ে অনেকের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




৯ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেসঃ


সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটির দুটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার প্রায় ৯ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। 


বুধবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফেঞ্চুগঞ্জের কটালপুর এলাকায় ওই ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়। ফলে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। এ ঘটনায় রাত ও ভোরে যাতায়াতকারী উপবন ও কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটে।



বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাত ৩টার দিকে লাইনচ্যুত বগি দুটি উদ্ধারের পর ওই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মো. নুরুল ইসলাম।



ট্রেনের যাত্রী ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দ্রুতগামী ট্রেনটির চলার মধ্যেই কয়েকটি কামরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। টের পেয়ে ট্রেনের সামনের অংশ হঠাৎ গতি কমালে দুটি অংশের ধাক্কা লেগে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যায়নি।



এ সময় আতঙ্কে ট্রেনের কয়েকজন যাত্রী লাফ দিয়ে পাশের খালে গিয়ে পড়েন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।


স্টেশনের ম্যানেজার মো. নুরুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী ‘পাহাড়িকা এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ফেঞ্চুগঞ্জের কটালপুর এলাকায় পৌঁছালে বিকট শব্দে দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়।



 ফলে সারা দেশের সঙ্গে সিলেটের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল কুলাউড়া জংশন থেকে এসে ট্রেনটি উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। 



ট্রেন দুর্ঘটনার ৯ ঘণ্টা পর লাইনচ্যুত বগি দুটি উদ্ধার করা হয়। এরপর সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।


আরও খবর



চলচ্চিত্র ছাড়ার কারণ জানালেন শাবানা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিনোদন ডেস্ক:

বাংলা সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী শাবানার আসল নাম আফরোজা সুলতানা রত্না। ষাটের দশকের শুরুতে ‘নতুন সুর’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে তার।

 ১৯৬৭ সালে পরিচালক এহতেশামের উর্দু ছবি ‘চকোরী’ দিয়ে পর্দায় শাবানার আগমন ঘটে। দীর্ঘ চার দশক দাপটের সঙ্গে ঢালিউড দাবড়িয়ে তিনি। নায়িকা চরিত্রের বাইরেও ভাবি ও মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে শাবানা। তার অভিনীত ছবির সংখ্যা প্রায় ৫০০। 

২৪ বছর আগে অভিনয়কে বিদায় জানানো ৭২ বছর বয়সী শাবানা এখনো কোটি বাঙালির হৃদয়ে অভিনয়ের রানি হয়ে আছেন।

অভিনয়ের জন্য শাবানা ১১ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। তার বাবার নাম ফয়েজ চৌধুরী, যিনি একজন টাইপিস্ট ছিলেন এবং মা ফজিলাতুন্নেসা ছিলেন গৃহিণী। পৈতৃক বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ডাবুয়া গ্রামে হলেও শাবানা জন্মগ্রহণ করেন ঢাকার গেণ্ডারিয়ায়। 

শাবানার স্বামীর নাম ওয়াহিদ সাদিক। তিনি একজন চলচ্চিত্র প্রযোজক। তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল এসএস প্রোডাকশনস। তাদের তিন সন্তান। তারা সবাই স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তবে বাংলাদেশে আসেন, কয়েক দিন স্বজনদের সঙ্গে কাটিয়ে আবার উড়াল দেন যুক্তরাষ্ট্রে।

বাংলা সিনেমার দাপুটে অভিনেত্রী শাবানা ঠিক কী কারণে অভিনয় ছেড়েছিলেন এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শৈশবে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হই। নিজেকে দেওয়ার মতো সময় পাইনি। কাজ, কাজ আর কাজ। এভাবেই কেটেছে একটানা ৪০ বছর। 

পরিবার ও সন্তানদের সময় দেওয়ার ব্যাপারটি একটা সময় জরুরি হয়ে পড়ে। দেশের বাইরে পড়াশোনার বিষয়ও ছিল। তাই সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অভিনয়টা ছাড়তে হয়েছে।

বারবার অভিনয়ে ফিরে আসা প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো শাবানা বলেন, এই বয়সে আর কীভাবে? এখন তো অনেক বয়স হয়ে গেছে। আল্লাহর নাম নিয়ে পার করে দিচ্ছি সময়। মাঝেমধ্যে সুখময় স্মৃতিগুলো মনে করি। ছেলেমেয়ে, নাতি-নাতনিরা মাঝেমধ্যে আমার ছবি সম্পর্কে নানা কিছু জিজ্ঞাসা করে।

 আমিও তখন বলি, ওই ছবিটা দেখো। এখন পরিবারটাই আমার জগৎ। এ জগতে আমার অনেক ব্যস্ততা।


আরও খবর



নওগাঁয় বিষাক্ত সাপের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় বিষাক্ত সাপের কামড়ে মাহতাফ আলী (৫৯) নামের এক বৃদ্ধ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ২২ জুন সকালে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামে সাপের কামড়ে মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রুহুল আমিন। নিহত মাহতাব আলী ঐ গ্রামের মৃত মোবারক আলী মন্ডলের ছেলে। 

জানা যায়, শনিবার সকাল ৯ টারদিকে মরিচের ক্ষেতে জমে থাকা বৃষ্টির পানি বের করে দিতে যায় কৃষক মাহতাব আলী। সেখানে একটি বিষধর সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ১১ টারদিকে তার মৃত্যু হয়।

সাপে কেটে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করে মৃতদেহ পরিবার (স্বজনদের) নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর