Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে স্ট্রোক রোগী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

দেশে স্ট্রোকে আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে ব্রেইন স্ট্রোকে মারা গেছেন ৮৫ হাজার ৩৬০ জন, যা আগের বছর ২০১৯ সাল ছিল ৪৫ হাজার ৫০২ জন। চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিসের রোগীর স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি দেড় থেকে দুই গুণ বেশি।

 বারডেম জেনারেল হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. রুমানা হাবিব বলেন, ডায়াবেটিসের রোগীর স্ট্রোক ঝুঁকি দেড় থেকে দুই গুণ বেশি। এই ঝুঁকি বেশি হওয়ার কারণ হলো যে প্রত্যেক ডায়াবেটিস রোগীর উচ্চ রক্তচাপ থাকে। তাদের কোলেস্টেরল বেশি হওয়ার আশঙ্কা এবং ওজনজনিত সমস্যা থাকার কারণেও আশঙ্কা বেশি। এ ধরনের রোগীর বয়স যদি আবার ৫৫ বছরের বেশি হয় এবং ধূমপান ও অ্যালকোহলের অভ্যাস থাকে, তাহলে স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়তে থাকে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের ২০১৮ সালের এক জরিপ অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে প্রতি হাজারে স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন ১১ দশমিক ৩৯ জন মানুষ। প্রায় ২০ লাখ স্ট্রোকের রোগী রয়েছে বাংলাদেশে। স্ট্রোকের ঝুঁকি ৬০ বছরের বেশি মানুষের মধ্যে ৭ গুণ বেশি। নারীর চেয়ে পুরুষের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ। স্ট্রোকের প্রকোপ শহরের চেয়ে গ্রামে কিছুটা বেশি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বব্যাপী যত অসংক্রামক ব্যাধি আছে, সেগুলোর মধ্যে মৃত্যুর দিক থেকে হৃদরোগের পরেই স্ট্রোকের অবস্থান এবং শারীরিক অক্ষমতার জন্য স্ট্রোক সবচেয়ে বেশি দায়ী। প্রতিবছর প্রায় দেড় কোটি মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। যাদের মধ্যে প্রায় অর্ধকোটি মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রায় অর্ধকোটি মানুষ সারা জীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করেন।


আরও খবর



মাভাবিপ্রবিতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ কর্তৃক মহান শহিদ দিবস পালন

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মো: হৃদয় হোসাইন মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু পরিষদ, মাভাবিপ্রবি কর্তৃক মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাত ১২.৫ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহিদ দের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহীন উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক ড. মো: নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে ক্যাম্পাস্থ শহীদ মিনারে  পুস্পস্তবক অর্পণ করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ, মাভাবিপ্রবি। 


এসময় অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল হক, অধ্যাপক ড. উমর ফারুক, অধ্যাপক ড. মো. আজিজুল হক, অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ, অধ্যাপক ড. আশরাফ হোসাইন তালুকদার, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী, অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল মাহমুদ, অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদেকীন, ড. আবু জাফর শিবলী, অধাপক ড. সন্ঞ্জয় সাহা, মো: বাবুল হোসেন, ড. শিমুল রায়, মো. আব্দুল হালিমসহ বঙ্গবন্ধু পরিষদের অন্যান্য নেত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



নওগাঁয় তারে বাঁধা সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

নওগাঁর জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক হচ্ছে সমবায় সড়ক। সমবায় চত্বরের পাশ দিয়ে চলে গেছে এই সড়কটি। এই সড়কের সঙ্গে অবস্থিত নওগাঁ চক্ষু হাসপাতাল ও ড্যাফোডিল জুনিয়র স্কুল। সমবায় এই সড়কটি মুক্তির মোড়ের জেলা পরিষদের পার্কের প্রধান গেইট এর বিপরীত দিক দিয়ে চলে গেছে এটিম মাঠ ও উকিলপাড়ার মধ্যে। 

তাই প্রতিনিয়তই শত শত শিক্ষার্থীরা জিলা স্কুল, সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কেডি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে চলাচল করে থাকেন। এছাড়াও এ অঞ্চলের বাসিন্দারাও দীর্ঘদিন যাবত সটকাট রাস্তা হিসেবে এই সড়কটি ব্যবহার করে আসছেন। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, এই সড়কের সঙ্গে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে নওগাঁ গাঁজা উৎপাদনকারী (অংশীদার) পূর্ণবাসন সমবায় সমিতি লিঃ কর্তৃক পরিচালিত গাঁজা সমবায় হিমাগার। বর্তমানে পরিত্যক্ত এই হিমাগারের ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীরটি ডাব গাছের সঙ্গে তার দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। যে কোন সময় প্রাচীর টি পথচারীদের উপর ভেঙ্গে পড়তে পারে। তাই বর্তমানে এই সড়ক দিয়ে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এমন মরণফাঁদ নামক সড়কের এই সীমানা প্রাচীর টির দ্রুত সংস্কার চান স্থানীয়রা।  

পথচারী মাকসুদুর রহমান বলেন, প্রতিনিয়তই সন্তানদের নিয়ে একাধিকবার এই সড়ক দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। অনেক সময় কোমল-মতি শিক্ষার্থীরা একা চলাচল করে এই সড়ক দিয়ে। প্রধান সড়কে অধিকাংশ সময় যানজট লেগে থাকার কারণে আবাসিক এলাকার বাসিন্দাসহ অধিকাংশ পথচারীরা এই নিরিবিলি সড়কটি ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত সমবায় হিমাগারের সীমানা প্রাচীরটির কোন সংস্কার না করায় এই ঝুঁকিপূর্ণ সড়কটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। আমি এই ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীরটি অপসারণ করে দ্রুতই নতুন সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে সড়কটি কে নিরাপদ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। 

সদর উপজেলা প্রকৌশলী সানোয়ার হোসেন বলেন, যেহেতু ঐ সড়কটি পৌর সভার মধ্যে অবস্থিত তাই এই বিষয়ে যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে পৌর কর্তৃপক্ষ। 

নওগাঁ পৌর সভার মেয়র আলহাজ্ব মোঃ নজমুল হক সনি বলেন, আমাকে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে আমি তদন্ত সাপেক্ষে পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম. রবিন শীষ বলেন, আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করে অনিরাপদ সড়কটিকে নিরাপদ করতে দ্রুতই ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করবো। 


আরও খবর



আজ পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

রোকসানা মনোয়ার : আজ পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দুই উৎসবকে ঘিরে জোড়া উৎসবের আমেজ। ঋতুরাজ বসন্ত এলেই বাঙালি সংস্কৃতি মেতে ওঠে ভিন্ন আঙ্গিকে। বাংলা বর্ষপঞ্জিতে পরিবর্তন আনায় পহেলা ফাল্গুন ও ভালবাসা দিবস একদিনেই উদযাপন করছেন উৎসবপ্রিয় বাঙালি।

প্রকৃতিতে বসন্ত আর ভালোবাসা যেন একে-অন্যের পরিপূরক। পহেলা ফাল্গুনে বসন্ত উৎসবের রঙে মেতে ওঠে তরুণ হৃদয়; নতুন করে প্রাণ পায় প্রবীণরা। বসন্তে শুধু প্রকৃতিই নয়, হৃদয়ও রঙিন হয়ে ওঠে। তাই তো বসন্ত আমাদের কাছে প্রেমের ঋতু। এ উৎসবটির একটি ঐতিহ্যময় ইতিহাস আছে। ১৫৮৫ সালে মোগল সম্রাট আকবর ১৪টি উৎসবের প্রবর্তন করেছিলেন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল বসন্ত উৎসব

কী নেই বসন্তের! আছে রং, রূপ, রস ও লাবণ্য। আছে মাতাল দখিনা সমীরণ। ঋতুরাজের আগমনে খুলে গেছে দখিনা দুয়ার। মানব-মানবীর চিরন্তন ভালোবাসা উড়ছে রঙিন প্রজাপতি হয়ে। ফুলে ফুলে আছে মৌমাছির গুঞ্জন। নতুন প্রাণের পত্রপল্লবে জেগে উঠেছে বৃক্ষ-লতাণ্ডগুল্ম। নদীর কিনার থেকে আদিগন্ত প্রান্তর, কুঞ্জবন, অরণ্য-পর্বতে ডেকেছে নবযৌবনের বান। প্রকৃতির এ রূপতরঙ্গ দেখেই কবিগুরু লিখেছিলেন, ওরে ভাই, ফাগুন লেগেছে বনে বনে।

পশ্চিমের ভ্যালেনটাইন্স ডে বা ভালোবাসা দিবসের ধারণা এসে মিলেছে আমাদের বসন্তে। বাংলা একাডেমি পঞ্জিকা সংশোধনের পর এখন পহেলা ফাল্গুন আর ভালোবাসা দিবস একই দিনে উদযাপিত হয়। ভালোবাসার মানুষকে আরো কাছে পাওয়ার সময় এ বসন্ত। বসন্ত আসে তরুণের পোশাকে, মননে, সংগীতে। বাঁধনহারা মন এ সময় গেয়ে ওঠে, মধুর বসন্ত এসেছে মধুর মিলন ঘটাতে। তবে বসন্ত শুধু প্রেমের ঋতু নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাঙালির দ্রোহের ইতিহাসও। এমনই এক বসন্তে বাঙালি ভাষার জন্য আন্দোলন করেছিল।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটি ছিল ৮ ফাল্গুন। সেদিন মাতৃভাষার মর্যাদা রাখতে জীবন দিয়েছিলেন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউর। ঋতুরাজ বসন্ত তাই প্রেম, আনন্দ, ভালোবাসা, প্রতিবাদ আর তারুণ্যের প্রতীক। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের হাত ধরে বাঙালি করেছে বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন আর ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ। সেদিক থেকে দেখতে গেলে বসন্তে রোপিত হয়েছিল বাংলাদেশের জন্মের বীজ। তেমনি আশির দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এক চূড়ান্ত রূপ নিয়েছিল এমনই এক বসন্তে।

১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রাণ দিয়েছিলেন জাফর, জয়নাল, মোজাম্মেল, আইয়ুব, কাঞ্চন, দিপালীরা। সেই আন্দোলনের পথ বেয়ে নব্বইয়ে বাংলাদেশ পেয়েছিল গণতন্ত্রের স্বাদ। দ্রোহ হোক বা প্রেম, বসন্ত আমাদের জীবনে বয়ে নিয়ে আসে নতুন আশা। রুক্ষ শীত শেষে বসন্তের আগমনে প্রকৃতিতে জাগে নতুন আনন্দ। অথচ সময়টা মলিন। করোনা মহামারির একের পর এক ঢেউ আমাদের শঙ্কিত মনকে বিবর্ণ করে তুলেছে। বসন্তকে তাই আরো বেশি প্রয়োজন এখন। এবারের বসন্ত নতুন জীবনীশক্তিতে প্রকৃতি ও প্রাণকে ভরিয়ে তুলুক। বসন্তের দোলা লাগুক বনে, মনে। উল্লসিত মন গেয়ে উঠুক, আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে।


আরও খবর



অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডের তথ্য ভবনে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনলাইন পত্রিকা ও নিউজ পোর্টালের জন্য সরকারি বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণে নীতিমালা থাকা দরকার। এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বর্তমান সরকারের সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে। বিগত দিনে যখন সামরিক শাসন ছিল ও সামরিক শাসন থেকে উদ্ভূত দল যখন এ দেশ শাসন করেছে এবং তাদের সাথে বিভিন্ন সময় যখন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তি ছিল, সে সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার যে বাস্তবতা ছিল, সে জায়গা থেকে এখন আমরা কতটুকু এগিয়েছি, কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে, সংখ্যাগত দিক থেকে এবং গুণগত দিক থেকে, এ তুলনামূলক বিষয়গুলো নিয়ে প্রকাশনা বের করতে হবে।

মতবিনিময়ে তিনি আরও বলেন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম দেশের মানুষের কাছে এবং বিশ্ববাসীর কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। এখন প্রযুক্তি অনেক অগ্রসর হয়ে গেছে, মানুষের চিন্তাভাবনার পরিবর্তন এসেছে। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে অধিদপ্তরের কাজে নতুন নতুন বিষয় সংযোজন করতে হবে।

ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন ১৯৭৩ প্রয়োজনবোধে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

সভায় উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়া, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. নিজামূল কবীর, বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা বেগমসহ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

 


আরও খবর



সীমান্তে অস্থিরতা কমলেও কাটেনি আতঙ্ক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

আর একদিন পরই শুরু এসএসসি পরীক্ষা। তবে সেই পরীক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই, সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ও আশপাশের এলাকার ৫ শতাধিক পরীক্ষার্থীর। কেননা, দুই সপ্তাহ ধরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতে গোলাগুলির জেরে, এপারে ঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে হয়েছে শত শত পরিবারকে। ফলে, ঠিকমতো প্রস্তুতিও নিতে পারেনি পরীক্ষার্থীরা। তাই ঠিকমতো প্রস্তুতি ছাড়াই মাধ্যমিক দিতে হবে সীমান্তের পরীক্ষার্থীদের।

আসিফ শাহরিয়ার আকিব এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী। তিনি বলেন, এখানে অনেক সমস্যা হচ্ছে। কিছুদিন এখানে থাকলে আবার অন্য কোথাও চলে যেতে হয়। এজন্য আমাদের পড়ালেখার সমস্যা হচ্ছে, সামনে আমাদের পরীক্ষা।

শুধু আকিব নয়, বান্দরবানের নাই নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম এলাকার ৫শ ২ জন শিক্ষার্থীর একই অবস্থা। গোলাগুলির শব্দের কারণে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির চেয়ে তাদের পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে বেশির ভাগ সময়। যার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা পরীক্ষার খাতায়।

শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের এখানে ১৫-২০ দিন হলো গোলাগুলি হচ্ছে। সন্ধ্যার দিকে গোলাগুলির শব্দে পড়ার টেবিলে মন বসে না। এতে আমাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে।

স্থানীয়রা বলছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের প্রভাব শুধু বাংলাদেশের হতাহতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরাও।

ওপারের মুহুরমুহু গোলাগুলির কারণে এপার অনেকটাই হয়ে গিয়েছিল যুদ্ধক্ষেত্র। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা মানসিক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সীমান্ত উত্তেজনার কারণে নিরাপত্তা ইস্যুতে এবার পরিবর্তন করা হয়েছে। ঘুমধুম বিদ্যালয়ে পরীক্ষার কথা থাকলেও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে উত্তর ঘুমধুম উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ঘুমধুম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

সীমান্ত উত্তেজনার কারণে ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন করতে হয়েছিল ঘুমধুমে। এবারও বন্ধ রাখতে হয়েছে ছয়টি বিদ্যালয়ের কার্যক্রম।


আরও খবর