Logo
শিরোনাম

ব্যাংকে নগদ টাকার সংকট বাড়ছে

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

ব্যাংক খাতে নগদ টাকার সংকট দিন দিন তীব্র হচ্ছে। ফলে অনেক ব্যাংককে এখন ধার করে দৈনন্দিন কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। ফলে প্রতিদিনই চড়ছে আন্তঃব্যাংক কলমানির সুদহার। গতকাল কলমানির সর্বোচ্চ সুদ উঠেছে ৯ দশমিক ২৫ শতাংশে, যা গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। কলমানির পাশাপাশি শর্ট নোটিশে অর্থ ধার নেওয়ার সুদের হারও বাড়ছে। এদিকে আন্তঃব্যাংকের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেও নিয়মিত ধার করে কার্যক্রম চালাচ্ছে বেশ কিছু ব্যাংক। সংশ্লিষ্টরা জানান, খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি, প্রত্যাশিত মাত্রায় আমানত সংগ্রহ না হওয়া, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি এবং সরকারকে ঋণ দেওয়ার কারণে ব্যাংক খাতে নগদ টাকার সংকট বেড়েছে। ফলে আন্তঃব্যাংক কলমানি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নিয়মিত ধার করে চলতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে।

সংকটের সময় এক ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকে, আবার ব্যাংক থেকে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সাময়িক সময়ের জন্য টাকা ধার নেয়। সাধারণত একদিনের জন্য এই ধার নেওয়া হয়। এই ধার দেওয়া-নেওয়ার কার্যক্রম সম্পন্ন হয় যে ব্যবস্থায় তা আন্তঃব্যাংক কলমানি বাজার নামে পরিচিত। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, গত বছরের শেষ দিকে কয়েকটি ব্যাংকের ঋণ অনিয়মের খবর জানাজানি হওয়ার পর ব্যাংক খাতের প্রতি মানুষের আস্থার সংকট তৈরি হয়। এর পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো থেকে টাকা তুলে নিতে থাকেন গ্রাহকরা। আবার সেই সময় ব্যাংকগুলোতে নতুন আমানত আসাও কমে যায়। এতে ওই ব্যাংকগুলোতে নগদ টাকার সংকট তৈরি হয়, যা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি ব্যাংকগুলো।

 এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। এতে জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে। কিন্তু একই সময় মানুষের আয় খুব একটা বাড়েনি। আবার উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে ব্যাংকে আমানতের সুদের হার যেভাবে বাড়ার কথা, সেভাবে বাড়েনি। এতে ব্যাংকগুলো প্রত্যাশিত মাত্রায় আমানত পাচ্ছে না। আবার আগের বিতরণ হওয়া ঋণ সময়মতো ফেরত আসছে না। এর মধ্যেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নেওয়া বাড়িয়েছে সরকার। ফলে চলমান নগদ টাকার সংকট আরও বেড়েছে। আর এই সংকট সামাল দিতে আন্তঃব্যাংক কলমানির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দ্বারস্থ হচ্ছে অনেক ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গতকাল আন্তঃব্যাংক কলমানিতে সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ সুদে ৪ হাজার ২৬১ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তবে গড় সুদের হার উঠে ৭ দশমিক ৯৯ শতাংশ। আগের দিন সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ৩০ শতাংশ সুদে ৪ হাজার ৪১৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। আর ওই দিন গড় সুদের হার ছিল ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ। আন্তঃব্যাংক কলমানির সঙ্গে শর্ট নোটিশে ধারের সুদের হারও বাড়ছে।

গতকাল ৫ থেকে ১৪ দিন মেয়াদি ধারের সুদের হার ছিল ৯ থেকে ১০ দশমিক ৫০ শতাংশের মধ্যে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, অব্যাহত ডলার বিক্রি, আমানতের প্রবাহ কমে যাওয়া, খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়া ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সংকোচন নীতির কারণে ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট বেড়েছে। এ মুহূর্তে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে সংকোচন নীতি থেকে সরে আসা সম্ভব নয়। তাই তারল্য সংকট কাটাতে ডলার বাজার ও ব্যাংকের সুশাসনের দিকে নজর দেওয়ার বিকল্প নেই। সে ক্ষেত্রে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়িয়ে ডলার বাজারকে স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ছাড়া ঋণখেলাপিদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি নতুন করে যাতে ব্যাংকে কোনো ধরনের অনিয়ম না হয় সেদিকে নজর দিতে হবে।

এদিকে বেশি সুদেও চাহিদামতো নগদ টাকার সংস্থান করতে না পেরে গতকালও বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের স্বল্পমেয়াদি ধার করেছে বেশ কয়েকটি ব্যাংক। রেপো, তারল্য সহায়তা ও স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি উপকরণের আওতায় প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা ধার দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগের দিন এই ধারের পরিমাণ ছিল ১৩ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, বিল ও বন্ডের বিপরীতে ব্যাংক থেকে সরকারকে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। আবার ডলার বিক্রির বিপরীত টাকা উঠে আসছে। এখন যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার না দেওয়া হয়, তা হলে সংকট বাড়বে। তা ছাড়া একবারে সব দিক দিয়ে সংকোচন করা যায় না। যে কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক ধার দেওয়া অব্যাহত রেখেছে।

 


আরও খবর

আবার কমেছে রিজার্ভ

বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪

বাজারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪




শরীফার গল্পটি পাঠ্য বই থেকে চুড়ান্তভাবে বাদ দিল শিক্ষামন্ত্রণালয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের মানুষে মানুষে সাদৃশ্য ও ভিন্নতা অধ্যায়ে ‘শরীফার গল্প’ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 



বিশেষজ্ঞ কমিটির দেওয়া প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে গল্পটি পাঠ্য বই থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।



সম্প্রতি এনসিটিবিকে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্দেশনার কথা জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


চিঠিতে বলা হয়, বিশেষজ্ঞ কমিটির দেওয়া প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবই থেকে শরীফার গল্পটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। 



একই সঙ্গে সেখানে আরেকটি গল্প সংযোজন করতে জেন্ডার বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া যেতে পারে। গল্পের পরিবর্তে নতুন গল্প সংযোজনের করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


বিষয়টি নিশ্চিত করে এনসিটিবির চেয়ারম্যান (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান বলেন, আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছি। সেই আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এর আগে, চলতি বছরে শিক্ষার্থীরা নতুন বই হাতে পাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন বিতর্ক শুরু হয়। এর মধ্যে সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের ‘মানুষে মানুষে সাদৃশ্য ও ভিন্নতা’ অধ্যায়ের ‘শরীফার গল্প’ নিয়ে আপত্তি তোলে একটি পক্ষ। 



মূলত শিক্ষক আসিফ মাহতাব একটি অনুষ্ঠানে বই থেকে ওই গল্পের পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ফেলেন এবং অন্যদেরও ছেড়ার আহ্বান জানান।


মাহতাবের বই ছেড়ার সেই ভিডিও মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে। শুরু হয় তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘শরীফার গল্প’র বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটি করে দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



বিএনপির তিনদিনের কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস:


বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে নিতে প্রথম দফায় তিনদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।



বুধবার দুপুরে দলের অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে বৈঠকের পর এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।


যুগপৎ আন্দোলন করেছেন আপনারা ইতিমধ্যে লক্ষ্য করেছেন তারা অনেকে বিবৃতি দিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, তার মুক্তির কথা বলেছেন।’


নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপিসহ দলের অঙ্গসংগঠনের এ যৌথ সভা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ফরহাদ হালিম ডোনার, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, কেন্দ্রীয় নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মীর সরাফত আলী সপু, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাইয়েদুল আলম বাবুল, মাহবুবুল হক নান্নু, মনির হোসেন, বেনজীর আহমেদ টিটো, নজরুল ইসলাম আজাদ, তাবিথ আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



গাজীপুর মহানগর আ.লীগের কমিটিতে ঠাঁই হল না জাহাঙ্গীরের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক থেকে সদরুল আইন :



বহুল আলোচিত গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম পরপর দুবার আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। দুবারই তিনি ক্ষমা পেয়েছিলেন। 




সবশেষ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে মা জায়েদা খাতুনের পক্ষে কাজ করে বহিষ্কার হন। কিন্তু গত বছর অক্টোবরে তাঁকে আবার ক্ষমা করা হয়। দলে ফেরার পর গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ফিরবেন বলে আলোচনা ছিল।



 কিন্তু সদ্য ঘোষিত মহানগর শাখার ৭৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কোথাও তাঁর ঠাঁই হয়নি।


আজমত উল্লাহ খানকে পুনরায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মো. আতাউল্লাহ মণ্ডলকে সাধারণ সম্পাদক পদে রেখে গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ৭৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন। 



একই সঙ্গে এ কমিটিতে ২৮ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


আজমত উল্লাহ খান ও আতাউল্লাহ মণ্ডল

২০২১ সালে বহিষ্কার হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও গাজীপুর জেলার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করে প্রথম বহিষ্কার হন গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। গত বছরের ২১ জানুয়ারিতে তাঁকে ক্ষমা ঘোষণা করা হয়।



এর চার মাসের মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও দলের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন আজমত উল্লা খানের বিরুদ্ধে মা জায়েদা খাতুনকে বিদ্রোহী প্রার্থী করে পুনরায় বহিষ্কার হন।



 ওই নির্বাচনে আজমতকে হারিয়ে জায়েদা খাতুন মেয়র নির্বাচিত হন। এবারও জাহাঙ্গীরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে ক্ষমা করা হয়। গত অক্টোবরে তাঁকে ক্ষমা করা হয় বলে জানান আওয়ামী লীগের ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।


প্রথমবার ক্ষমা করার সময় বলা হয়েছিল, ভবিষ্যতে দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করলে তা ক্ষমার অযোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে। কিন্তু দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমা পেলেন জাহাঙ্গীর আলম। এবারও একই কথা বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে তা ক্ষমার অযোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে। 



এরপর জাহাঙ্গীর গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের স্বপ্নও দেখেছিলেন।


বিএনপিসহ বিভিন্ন দল ও জোটের সরকারবিরোধী আন্দোলন ও আগামী নির্বাচন মাথায় রেখে জাহাঙ্গীর আলমকে ক্ষমা করা হয় বলে তখন দলটির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন।



 ঢাকার অন্যতম প্রবেশমুখ গাজীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জাহাঙ্গীরকে প্রয়োজন বলে দলের নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ শেখ হাসিনাকে বুঝিয়েছিলেন।


দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জাহাঙ্গীর আলম বারবার ক্ষমা পাওয়ার পেছনে দুটি বড় কারণ আছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। প্রথমত, অঢেল টাকা থাকায় জাহাঙ্গীর আলম দলের নীতিনির্ধারকদের গুরুত্বপূর্ণ অংশের সঙ্গে টাকাপয়সা খরচ করে যোগাযোগ রাখেন। দ্বিতীয়ত, তাঁর নিজস্ব কর্মী ও সমর্থক বাহিনী আছে।


গত বছর মে মাসে বহিষ্কার হলেও গত জুলাইয়ে ঢাকায় আওয়ামী লীগের ‘শান্তি সমাবেশে’ বিপুলসংখ্যক লোক নিয়ে এসেছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। ২৯ জুলাই ঢাকার প্রবেশমুখে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচির দিনও টঙ্গী-আবদুল্লাহপুর এলাকায় জাহাঙ্গীরের সমর্থকদের ব্যাপক তৎপরতা ছিল।



 ১৪ অক্টোবর ঢাকার কাওলায় সিভিল অ্যাভিয়েশন মাঠে আওয়ামী লীগের সমাবেশে তিনি বিরাট মিছিল নিয়ে আসেন।


জাহাঙ্গীরের মায়ের কাছে পরাজিত আজমত উল্লাকে গত ৪ জুন গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বানিয়ে কিছুটা সান্ত্বনা দেয় আওয়ামী লীগ। এদিকে দলে ফেরার পর জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর মহানগরের পদ ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সাক্ষাৎও করেন।


গাজীপুর মহানগর কমিটির ৭৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি:



কমিটির অন্য পদ পাওয়া নেতারা হলেন সহসভাপতি বেগম সামসুন নাহার ভূঁইয়া, মো. মতিউর রহমান মতি, আব্দুল হাদী শামীম, রেজাউল করিম ভূঁইয়া, জয়নাল আবেদীন, ওসমান আলী, আসাদুর রহমান কিরণ, সফর উদ্দিন খান, শেখ মো. আসাদুল্লাহ, হেদায়েতুল ইসলাম ও মো. আব্দুল আলীম মোল্লা।


যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকেরা হলেন মো. আফজাল হোসেন সরকার রিপন, মো. কাজী ইলিয়াস আহমেদ ও এ বি এম নাসির উদ্দিন নাসির।


কমিটিতে আইনবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন মো. খালেদ হোসেন, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন মোল্লা, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মো. ফজলুর রহমান, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম রফিক, দপ্তর সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান রাসেল, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আক্তার হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আবদুল হালিম সরকার, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মো. সাইজ উদ্দিন মোল্লা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মো. শহীদ উল্লাহ, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মোসা. হোসনে আরা জুলি, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মো. খালেকুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. হীরা সরকার, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান, শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক মো. বাছির উদ্দিন, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মো. সোলায়মান মিয়া।


এ ছাড়া কমিটিতে সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদকের পদ দেওয়া হয়েছে গাজীপুর মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মো. কামরুল আহসান সরকার রাসেলকে। স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মো. মজিবুর রহমান, এস এম আলতাব হোসেন ও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন মণ্ডল। উপদপ্তর সম্পাদক হয়েছেন মো. তৌহিদুল ইসলাম দ্বীপ, উপপ্রচার সম্পাদক মোসা. সালমা বেগম। কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে মো. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীকে।



কমিটির সদস্যরা হলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, মো. জাহিদ আহসান রাসেল, মেহের আফরোজ চুমকি, কাজী আলিম উদ্দিন বুদ্দিন, এম এ বারী, ওয়াজ উদ্দিন মিয়া, মো. আব্দুর রউফ নয়ন, এস এম মোকছেদ আলম, মো. আবু সাহিদ খান, মো. হেলাল উদ্দিন, মো. আজিজুর রহমান শিরিশ, মহিউদ্দিন আহম্মেদ, মো. আব্দুর রহমান, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. ফজলু, মো. জাহিদ আল মামুন, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. আবুল কাশেম, মীর আসাদুজ্জামান, মো. খলিলুর রহমান, মো. আদম আলী, আক্তার হোসেন, এস এম আকরাম হোসেন, নীলিমা আক্তার লিলি, মো. জালাল উদ্দিন, এস এম শামীম আহমেদ, মো. খোরশেদ আলম রানা, মতিউর রহমান, কামাল আহমেদ খান, মো. সেলিম মিয়া, মো. কবির হোসেন, মো. আব্দুর রউফ, এইচ এম শাহজাহান, অরুণ কুমার সাহা, কাজী মো. সেলিম ও মো. আলমগীর হোসেন খান।


আরও খবর



কুমিল্লায় পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা ৪ লাখ বেশি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


কুমিল্লা জেলায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেড়েছে। জেলায় বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২৭ এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১ হাজার ৯৭৪ জন।



 জনসংখ্যার মধ্যে পুরুষের চেয়ে মহিলা চার লাখের বেশি। জেলায় মোট পুরুষ ২৯ লাখ ৩৭১ জন, মহিলা ৩৩ লাখ ১১ হাজার ৫৮০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গ ২৫৬ জন। 


জেলার জনশুমারি ও গৃহগণনার রিপোর্টটি তুলে ধরেন জেলা পরিসংখ্যান ব্যুরোর উপপরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান। বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা এটি।এতে কুমিল্লার জনসংখ্য৬২ লাখ ছাড়িয়েছে।



এ বিষযে জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ পরিচালনায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনয়নে বিভিন্ন সময়ে আইনের পরিবর্তিত নতুন বিধিমালা জারি করেন। যা ২০১৩ সালে আদমশুমারি নাম বাদ দিয়ে জনশুমারি করা হয়েছে। 


তিনি বলেন, জনসেবা প্রদানের মধ্যে সঠিক তথ্য নির্ভর করার লক্ষ্যে সঠিকভাবে শুমারির প্রয়োজন। দেশের ও সমাজের উন্নয়ন অগ্রগতির লক্ষ্যে এলাকাভিত্তিক সার্বিক শুমারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 



জেলার সকল সরকারি কর্মকর্তাদের জনকল্যাণে ২০২২ সালের জনশুমারির রিপোর্ট অনুসরণ করে সেবা দানের কার্যক্রম গহণের আহ্বান জানান তিনি।



জনশুমারির রিপোর্ট বলা হয়েছে, সাক্ষরতার হার জাতীয় সাক্ষরতার হারের চেয়ে বেশি। জেলা সাক্ষরতার হার ৭৬.৬৮ এবং জাতীয় সাক্ষরতার হার ৭৪.৮০। 


জেলায় মোট ৮৮.৮৫% খানার নিজস্ব বাসগৃহে বসবাস করে। ৯% খানা ভাড়া বাসায় বসবাস করে যাদের অন্যত্র নিজস্ব বাসগৃহ আছে এবং ১.৩৬ শতাংশ খানা ভাড়া  বাসায় বসবাস করে যাদের কোন নিজস্ব বাসগৃহ নেই এবং ০.৩৩ পার্সেন্ট লোক বিনা ভাড়ায় বসবাস করে যাদের অন্যত্র নিজস্ব বাসগৃহ আছে। 


প্রকাশিত রিপোর্ট মোতাবেক জেলায় পাঁচ বছর ও তদুর্ধ বয়সীদের মধ্যে ৫৮.৫৮ শতাংশ মানুষের নিজস্ব ব্যবহারের মোবাইল ফোন রয়েছে এবং ৪০.২৬ শতাংশ লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করে। 


জেলার জনশুমারি ও বসবাসকারী ১২ লাখ ৬৯ হাজার ২৮০ জন এবং পল্লী এলাকায় বসবাসকারী ৪৯ লাখ ৪২ হাজার ৯৩৬ জন। এছাড়া জেলায় ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যার হার মুসলমান ৯৫.৫৬, হিন্দু ৪.৩৩, বৌদ্ধ ০.০৯, খ্রিস্টান ০.০১ এবং অন্যান্য ধর্মের হার ০.০০৩। বাসস।


আরও খবর



ঢাকায় আসছেন নচিকেতা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিনোদন ডেস্ক:


শ্রোতাদের গান শোনাতে আবারও ঢাকায় আসছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী।


 আগামী ২৬ জুলাই ‘আজব কারখানা’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে ‘নচিকেতা লাইভ ইন ঢাকা উইথ জয় শাহরিয়ার ভলিউম ২’।



তাদের এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানানো হয়, আজব রেকর্ডস ও আজব কারখানার আয়োজনে আগামী ২৬ জুলাই, শুক্রবার ঢাকার কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে গান শোনাবেন বাংলা গানের এই কিংবদন্তি।



নেচে গেয়ে মঞ্চ মাতালো তুফান টিম

আজব রেকর্ডস ও আজব কারখানার প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার বলেন, গতবার জায়গা স্বল্পতার কারণে দাদার কনসার্টে অনেকে যেতে পারেনি। তাই আবারও আয়োজন করছি। আমাদের সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে গেছে।


তিনি আরও বলেন, সামনে আরও কয়েকটা কনসার্ট আয়োজন করার ইচ্ছে আছে। সম্প্রতি পেশাদার সংগীত জীবনের ৩০ বছর পার করছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার। তার ক্যারিয়ারের এ মাইলফলক উদযাপন আয়োজন করেছিল কনসার্ট ‘দ্য বাপ্পা মজুমদার শো উইথ জয় শাহরিয়ার’।


জীবনমুখী গানের শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। ১৯৯৩ সালে তার প্রথম অ্যালবাম প্রকাশ পায়। জীবনধারার অসংখ্য জনপ্রিয় গান এসেছে এই শিল্পীর কণ্ঠে। দুই বাংলাতেই আছে তার অসংখ্য ভক্ত।



আরও খবর