Logo
শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রীর উপহার-সোলার প্যানেল-দুর্গম পার্বত্যঞ্চলকে আলোকিত করেছে

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

-মো. রেজুয়ান খান :

বাংলাদেশের ১৩ হাজার ২৯৫ বর্গ কি.মি. প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ জুড়ে তিন পার্বত্য জেলা অবস্থিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার এই তিন পার্বত্য জেলার উন্নয়ন এবং এর অধিবাসীদের ভাগ্যোন্নয়নে কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মনোভাব এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মাটি ও মানুষকে একই বন্ধনে আবদ্ধ করতে ১৯৯৭ সালে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন করেছিলেন। এরপর থেকেই সরকার অব্যাহতভাবে পার্বত্য অঞ্চলে উন্নয়ন সহায়ক পরিবেশ এবং ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকার বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত মানুষের দিকটি বিশেষ বিবেচনায় রেখেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার দুর্গম পার্বত্য এলাকার চল্লিশ হাজার পরিবারকে সোলার হোম সিস্টেম এবং বিভিন্ন পাড়াকেন্দ্র, স্টুডেন্টস হোস্টেল, অনাথ আশ্রমগুলোতে ২ হাজার ৫০০টি সোলার কমিউনিটি সিস্টেম সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ ও স্থাপনের কাজ চলছে। সোলার প্যানেল হতে উৎপাদিত বিদ্যুতের মাধ্যমে পাহাড়ি দুর্গম এলাকাগুলো বিদুতের আলোয় আলোকিত হচ্ছে। যার ফলে তিন পার্বত্য জেলার দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান পূর্বের তুলনায় অধিকাংশক্ষেত্রে আধুনিক ও ইতিবাচক অবস্থা বিরাজ করছে।


দুর্গম ও প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলে গ্রীড লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুত সুবিধা পৌঁছানো অত্যন্ত দুষ্কর ও ব্যয়বহুল। তাই এসব এলাকায় এ যাবৎকাল আলো ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা প্রক্রিয়ার একমাত্র উৎস ছিলো কেরোসিন বাতি বা ডিজেল জেনারেটর, যা ছিল ব্যয়বহুল। অস্বচ্ছল মানুষের কাছে বিদ্যুতের আলো পাওয়া ছিল সোনার হরিণ পাওয়ার মতো। সরকার এসব প্রান্তিক অস্বচ্ছল মানুষের জন্য বিদ্যুতের আলোর ব্যবস্থা করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের উন্নয়নমূলক কার্যাবলীর অধিকাংশই পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে হয়ে থাকে। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড পার্বত্য অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ জীবনমানের পরিবর্তনে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। পার্বত্য অঞ্চলের সকল উন্নয়ন কাজে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রশংসা ও সাফল্যের দাবি রাখে। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড সোলার ফটোভোল্টাইক সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনতে পেরেছে। ফটোভোল্টাইক সোলার প্যানেল সরাসরি সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুত তৈরি করে। এটা শক্তির সোর্স হিসেবে সূর্যের আলোকে শোষণ করে। ফটোভোল্টাইক (পিভি) মডিউল হলো একটি প্যাকেজযুক্ত বিভিন্ন ভোল্টেজ এবং ওয়াটেজেজে পাওয়া ফটোভোল্টাইক সৌর কোষগুলোর সংযুক্ত সমাবেশ।

মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে বিদ্যুৎ অপরিহার্য ও প্রয়োজনীয় উপকরণ। জাতীয় গ্রীড হতে দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। আগামি দুই যুগের মধ্যেও পার্বত্য তিন জেলার দুর্গম অঞ্চলে জাতীয় গ্রীড থেকে বিদ্যুত সরবরাহ করা সম্ভব হবে না বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন। তাই সরকার দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমানের পরিবর্তনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সোলার হোম সিস্টেম ও সোলার কমিউনিটি সিস্টেম বিতরণ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার ইতোমধ্যে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান এ তিনটি পার্বত্য জেলার ২৬টি উপজেলার দুর্গম স্থানসমূহে বিদ্যুৎ সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য সোলার হোম সিস্টেম এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পাড়াকেন্দ্র, স্টুডেন্টস হোস্টেল, অনাথ আশ্রম ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সোলার কমিউনিটি সিস্টেম চালু করেছে। 

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষজন পাহাড়ের উপর যুগ যুগ ধরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসবাসে অভ্যস্ত। প্রত্যন্ত পার্বত্য এলাকায় সেখানকার অধিবাসীরা ছোটো ছোটো গ্রামে পাড়া গড়ে তুলে বসবাস করে আসছে। প্রতিটি পাড়ায় ২০ থেকে ১০০ পরিবার বাস করে। সরকারের দেওয়া মৌলসেবাগুলো সহজলভ্য ও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী জনগণের কাছে সহজেই পৌঁছে যায়। তবে পাহাড়ের উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মানুষগুলোর কাছে এসব সেবা অনেক সময় পৌঁছানো দুষ্কর হয়ে পড়ে। তাই সরকার পার্বত্য প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত দরিদ্র জনসাধারণের মাঝে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎ এবং কমিউনিটি সেন্টারগুলোতে অফ গ্রীডে ফটোভোল্টাইক সিস্টেমে বিদ্যুৎ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণের ব্যবস্থা নিয়েছে।  

ফটোভোল্টাইক সোলার সিস্টেমে বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান করার জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪০ হাজার উপকারভোগী পরিবারকে বাছাই করা হয়েছে। এছাড়া দুর্গম এলাকার ২ হাজার ৫০০টি ফটোভোল্টাইক কমিউনিটি সিস্টেমের মাধ্যমে পাড়া কেন্দ্র, স্টুডেন্ট হোস্টেল, অনাথ আশ্রম কেন্দ্র, এতিমখানাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রদানের কাজও শুরু করেছে সরকার। সরকারের এ প্রকল্পের শিরোনাম ‌‘পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ (দ্বিতীয় পর্যায়) নামকরণ করা হয়। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ জিওবি অর্থায়নে মোট ২১৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৩ মেয়াদের মধ্যে বাস্তবায়ন কাজ সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ১০ হাজার ৮৯০ টি পরিবারকে সোলার হোম সিস্টেম এবং ২ হাজার ৮১৪টি সোলার কমিউনিটি সিস্টেমের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বঞ্চিত পাড়া কেন্দ্র, দুর্গম এলাকার স্টুডেন্ট হোস্টেল, অনাথ আশ্রম কেন্দ্র, এতিমখানাগুলোতে বিতরণ ও স্থাপন করা হয়েছে। যার ফলে ১ দশমিক ৮০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদিত ও ব্যবহৃত হচ্ছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকার রাঙ্গামাটি জেলায় বিদ্যুৎ বঞ্চিত পাড়ার সংখ্যা ৬৩৯টি যার মধ্যে বিদ্যুৎ বঞ্চিত পরিবারের সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৪৩টি। ইতোমধ্যে সোলার হোম সিস্টেমের আওতায় রাঙ্গামাটি জেলার ৩ হাজার ৬৪৩টি পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ বঞ্চিত পাড়ার সংখ্যা ৪৫৪টি যার মধ্যে ১৬ হাজার ১০৭টি বিদ্যুৎ বঞ্চিত পরিবারকে উপকারভোগী পরিবার হিসেবে বাছাই করা হয়েছে। ইতোমধ্যে খাগড়াছড়ি জেলায় স্থাপিত সোলার হোম সিস্টেমের মাধ্যমে ৩ হাজার ১০৭টি উপকারভোগী পরিবারকে বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। বান্দরবান জেলার দুর্গম এলাকার বিদ্যুৎ বঞ্চিত পাড়ার সংখ্যা ১ হাজার ৮৮১টি। যার মধ্যে বিদ্যুৎ সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত পরিবারের সংখ্যা ১৮ হাজার ৩৬০টি। ইতোমধ্যে বান্দরবান জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ৪ হাজার ৩৬০টি পরিবারকে সোলার হোম সিস্টেমের আওতায় বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।


গত ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার দুর্গম এলাকা রেমাক্রী ইউনিয়নে ‘পার্বত্য চট্টগামের প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ-২য় পর্যায়’ প্রকল্পের আওতায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের সোলার প্যানেল সিস্টেমের বিদ্যুৎ সরঞ্জাম সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ১ হাজার ৩২৭টি পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। শুধু তাই না সরঞ্জামগুলো স্থাপনের জন্য প্রত্যেককে সোলার প্যানেল সিস্টেম ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ প্রদানসহ নগদ টাকা দেওয়া হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব উপকরণ বিতরণ করেন। প্রতিটি সোলার প্যানেল থেকে উপকারভোগীরা ১০০ ওয়াট পিক আওয়ার বিদ্যুৎ পাবেন। সোলার প্যানেল সরঞ্জামগুলোর মাধ্যমে ৪টি এলইডি বাল্ব, ১টি সিলিং ফ্যান, ১টি টিভি, ১টি চার্জ কন্ট্রোলার চালানো যাবে। যা সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে উপকারভোগীরা কমপক্ষে ২০ বছর পর্যন্ত সৌর বিদ্যুৎ সুবিধা পাবেন।

পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকাগুলো বিদ্যুতায়নের জন্য সোলার প্যানেল বা সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন হলো সবচেয়ে ভালো উপায়, নির্ভরযোগ্য, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব। পার্বত্য জনপদে সোলার প্যানেল বিতরণ ও স্থাপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার পার্বত্যঞ্চলকে আলোকিত করেছেন। উন্নত ও সমৃদ্ধশালী পার্বত্য অঞ্চল গড়ার মানসে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে।


লেখক: তথ্য ও জনসংযোগ অফিসার, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



রাণীনগরে ডিমান্ড চার্জ আদায়ে

অটো রাইস মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

 কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর রাণীনগরে লোড বৃদ্ধির ডিমান্ড চার্জ আদায়ের অযুহাতে দীর্ঘ প্রায় তিন বছর পর এক সাথে ডিমান্ড চার্জ আদায়ে অটোমেটিক রাইস মিলের সংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযোগ ওঠেছে। রোববার দুপুরে উপজেলা সদরে আব্দুস ছাত্তার শাহার অটোমেটিক রাইস মিলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। মিল মালিক বলছেন,২০১৯ সালে মিলে লোড বৃদ্ধির আবেদন এবং ফি জমা দিলেও গত তিন বছরে বিদ্যুৎ বিলের কাগজে বৃদ্ধিকৃত চুক্তিবদ্ধ লোড এবং লোডের ডিমান্ড চার্জ বসানো হয়নি। 

রাণীনগর উপজেলার পশ্চিম বালুভরা গ্রামের মৃত সখিন উদ্দীনের ছেলে অটোমেটিক রাইস মিলের মালিক আব্দুস ছাত্তার শাহ অভিযোগ করে বলেন,আত্রাই-নওগাঁ সড়কের উপজেলা সদরে শাহি ফিলিংষ্টেশ সংলগ্ন অটোমেটিক রাইস মিল স্থাপন করে ব্যবসা করে আসছেন। মিলে বিদ্যুতের চাহিদা বেরে যাওয়ায় ২৮৩ কিলোওয়ার্ডের স্থলে আরো ১৬৭ কিলোওয়াড সংযুক্ত করে মোট ৪৫০কিলোওয়ার্ড লোড বৃদ্ধির জন্য গত ২০১৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রাণীনগর জোনাল অফিস বরাবর আবেদন করেন। এর পর নিয়ম অনুযায়ী পল্লীবিদ্যুৎ কারিগরি বিভাগ পরিদর্শণ পূর্বক লোড বৃদ্ধির ডিজাইন ও প্রাক্কলন প্রস্তুত করে প্রাক্কলিত ফি জমা দিতে পত্র দেয়া হয়। পত্র অনুযায়ী ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর নির্দিষ্ট ফি জমা করেন। এর পর দীর্ঘ দুই বছর অতিবাহিত হলেও অটোমেটিক মিলে লোড বৃদ্ধি করা হয়নি দাবি করে চুক্তিবদ্ধ লোর্ড বৃদ্ধির জন্য গত ২০২১ সালের ২ফেব্রুয়ারী আবারো আবেদন করেন। এর পর চলতি বছরের ৫জুন হঠাৎ করেই বিদ্যুৎ অফিস থেকে অতিরিক্ত চুক্তিবদ্ধ লোড বৃদ্ধি করা হয়েছে দাবি করে এক সাথে ২৯মাসের ডিমান্ড চার্জ দুই লক্ষ ৯০ হাজার ৫৮০টাকা পরিশোধের জন্য পত্র দেয়া হয়। এর পর আবারো তিনি চুক্তিবদ্ধ লোড বৃদ্ধি করা হয়নি দাবি করে রাণীনগর জোনাল অফিসের মাধ্যমে নওগাঁ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি জেনারেল ম্যানেজার বরাবর আবেদন করেন।এরপর রাণীনগর জোনাল অফিস থেকে আবারও ডিমান্ড চার্জ পরিশোধের জন্য পত্র দেন। ছাত্তার শাহ বলেন,বিদ্যুৎ অফিস থেকে পত্রের মাধ্যমে ২০১৯ সালের ১২ডিসেম্বর থেকে ১৬৭ কিলোওয়ার্ড লোড বৃদ্ধি করা হয়েছে দাবি করে গত জুন মাস থেকে ডিমান্ড চার্জ পরিশোধের জন্য কয়েকটি পত্র দেয়। কিন্তু লোড বৃদ্ধির টাকা জমার পর থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিলের কাগজে আগের চুক্তিবদ্ধ ২৮৩কিলোওয়াড লোড দেখানো হয়েছে এবং নিয়মিত বিল পরিশোধ করেছি। এরপর দীর্ঘ প্রায় তিন বছর পর গত মে মাসে আবেদনকৃত অতিরিক্ত চুক্তিবদ্ধ ১৬৭ কিলোওয়ার্ড লোড যুক্ত করে মোট ৪৫০ কিলোওয়ার্ড লোডে ডিমান্ড চার্জ দেখানো হয়। তিনি বলেন,আবেদনের প্রেক্ষিতে মিটারে অতিরিক্ত চুক্তিবদ্ধ ১৬৭ কিলোওয়াড লোড এপ্রিল পর্যন্ত সংযুক্ত না হওয়ায় সরকারী খাদ্য বিভাগ হতে মিলের অনুকূলে চাল বরাদ্দ কম পেয়েছেন। যেহেতু পূর্বে মিটারে অতিরিক্ত চুক্তিবদ্ধ লোড সংযুক্ত করা হয়নি সে কারনে মে মাসের বিলে ডিমান্ড চার্জ দুই লক্ষ ৯০হাজার ৫৮০ টাকা বাদ দিয়ে বিল সংশোধনের জন্য জোনাল অফিসে আবেদন করলে অফিস অতিরিক্ত ডিমান্ড চার্জ বাদ দিয়ে বিল সংশোধন করে দেন। এর পর আবারো পত্রের মাধ্যমে ডিমান্ড চার্জ দাবি করলে বাধ্য হয়ে চলতি মাসের ৩নভেম্বর অতিরিক্ত ডিমান্ড চার্জ অবৈধ দাবি করে নওগাঁ সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। ছাত্তার শাহ বলেন,মামলার নোটিশ পাওয়া মাত্রই ক্ষিপ্ত হয়ে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ রোববার আমার অটোমিলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। তিনি বলেন গত মে মাসের পূর্ব পর্যন্ত কোন বিলেই অতিরিক্ত চুক্তিবদ্ধ লোড এবং লোডের ডিমান্ড চার্জ সংযুক্ত করা হয়নি। মিলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় একদিকে যেমন ব্যবসায়ীকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছেন,অন্য দিকে মিলের প্রায় অর্ধশত শ্রমীক বেকার হয়ে পরেছেন। আমি এঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

নওগাঁ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১এর রাণীনগর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আকিয়াব হোসেন বলেন, ছাত্তার শাহার অটোমেটিক রাইস মিলে ২০১৯ সালের ১২ডিসেম্বর চুক্তিবদ্ধ অতিরিক্ত ১৬৭ কিলোওয়ার্ড লোড বৃদ্ধি করা হয়েছে। অফিসিয়ালভাবে লোডবৃদ্ধির কাগজপত্র সদস্য সেবা বিভাগ থেকে বিলিং শাখায় প্রেরণ না করাই অতিরিক্ত লোডের ডিমান্ড চার্জ বিদ্যুৎ বিলের সাথে যোগ করা হয়নি। ফলে বিষয়টি নজরে আসায় মোট ২৯ মাসের অতিরিক্ত চুক্তিবদ্ধ লোডের ডিমান্ড চার্জ বিদ্যুৎ বিলের কাগজে এক সঙ্গে দেয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে কেন বিলে ডিমান্ড চার্জ তুলে দেয়া হয়নি তা ক্ষতিয়ে দেখে দোষিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন ডিমান্ড চার্জ আদায়ে বার বার পত্র দেয়ার পরেও চার্জ পরিশোধ না করায় সংশ্লিষ্ঠ উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। 


আরও খবর



রাঙ্গাবালীতে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে

ক্ষতিগ্রস্ত দুই হাজার পরিবারকে সহায়তা দিবে কোডেক

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

 নিজস্ব সংবাদদাতা, রাঙ্গাবালী(পটুয়াখালী)

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং ক্ষতিগ্রস্ত দুই হাজার ৩০৫ জনকে আর্থিক সহায়তা দিবে বেসরকারি সংস্থা কোডেক। বৃহস্পতিবার দুপুরে কোডেকের রাঙ্গাবালী অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে ৫০ জন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রত্যেককে নদগ পাঁচ শটাকা করে আর্র্থিক সহায়তা দেওয়ার মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়। সংস্থা সংশ্লিষ্টরা জানান, সাইক্লোন সুরক্ষা সেবার শর্ত পূরণ হওয়া কোডেকের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ২ হাজার ৩০৫ সদস্যকে এ সহায়তা দেওয়া হবে। আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রাকিব হোসেন, কোডেক সংস্থার রাঙ্গাবালী এলাকা ব্যবস্থাপক মিরাজুর রহমান, রাঙ্গাবালী শাখার ব্যবস্থাপক মো. আবুল কালাম আজাদ ও কোডেক স্বপ্নের ঠিকানা প্রকল্প এলাকার সমন্বয়কারী মো. জিয়াউর রহমান প্রমুখ।


আরও খবর



পুলিশ কর্মকর্তার নজরে পড়ায়

মোড়েলগঞ্জে ২০ বছর পর স্বজনদের কাছে ফিরে গেল সাদেক আলী

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে সাদেক আলী বিশ্বাস নামে এক ব্যাক্তিকে ২০ বছর পরে তার পরিবারের সদস্যরা খুজে পয়েছেন। গতকাল শনিবার বেলা ১০টার দিকে মোড়েলগঞ্জ থানা পুলিশের নিকট থেকে তাকে বুঝে নেন ছোট ভাই নুরুল ইসলাম বিশ্বাস। সাদেক আলীর বয়স এখন ৫৪ বছর। সে ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার খর্দ্দ ধোপাদী গ্রামে মহর আলী বিশ্বাসের ছেলে। মোরেলগঞ্জে কর্মরত কালিগঞ্জের এক পুলিশ কর্মকর্তার নজরে পড়ায় ঠিকানা আবিস্কার হয় সাদেক আলীর। 

জানা গেছে, নিখোঁজের পর থেকেই মোরেলগঞ্জে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মাঝিবাড়ি এলাকায় খাদিজা বেগমে(৫৫) নামে এক দরিদ্র বিধবা নারীর বাড়ির পাশে একটি পরিত্যাক্ত ঘরে ওঠেন। খাদিজা বেগম স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু’র সহযোগিতায় সেখানে তার খাওয়া পরার ব্যবস্থা করেন। মস্তিস্ক বিকৃতজনিত কারনে ২০ বছর পূর্বে ৩৪ বছর বয়সে সাদেক আলী পরিবার থেকে হারিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজি করে কোন সন্ধান পাননি তার মা ও ভাইয়েরা। 

কালিগঞ্জ এলাকার পুলিশের এসআই নুরুল ইসলাম এই ঘটনাটি জানতেন। সম্প্রতি তিনি মোড়েলগঞ্জ থানায় বদলী হয়ে গেলে সেখানে মাঝিবাড়ি এলাকায় সাদেক আলীকে ঘোরাফেরা করতে দেখেন। ওই সময় এসআই নুরুল ইসলাম তার ছবি তুলে কালিগঞ্জের এক সাংবাদিকের মাধ্যমে পরিবারকে জানান। ছবি দেখে সাদেক আলীর ভাই চিনতে পারেন। 

গতকাল শনিবার পুলিশের মাধ্যমে সাদেক আলীকে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তরের সময় কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন হতদরিদ্র বিধবা খাদিজা বেগম। সাদেক আলীও যেতে রাজি ছিলেন না। থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান, নিশানবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু ও এসআই নুরুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 


আরও খবর



কুমিল্লা সদর আওয়ামী লীগের সম্মেলন

বাসার‌কে সভাপ‌তি জু‌য়েল‌কে সাধারণ সম্পাদক ক‌রে কমিটি ঘোষণা 

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

‌কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

 আওয়ামীলী‌গের বিজ্ঞান ও প্রযু‌ক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জি‌নিয়ার মোঃ আবদুস সবুর ব‌লে‌ছেন, খু‌নের রাজনী‌তি জিয়া রহমান শুরু ক‌রে‌ছে ।তা‌দের কা‌ছে বাংলা‌দেশ নিরাপদ নয়।খা‌লেদা‌জিয়ারা বাংলা‌দেশ‌কে পা‌কিস্তান বানা‌তে চায়। বঙ্গবন্ধুর আদ‌র্শের নেতাকর্মীরা বে‌চে থাক‌তে তা হ‌বে না

রোববার কু‌মিল্লা আদর্শ সদর উপ‌জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। কু‌মিল্লা নগ‌রের টাউনহল  মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 ইঞ্জি‌নিয়ার মোঃ আবদুস সবুর  বলেন, ‌বিএন‌পি ২১হাজার নেতাকর্মী‌দের হত‌্যা ক‌রে‌ছে। বার বার দূর্নী‌তি‌তে চ‌্যা‌ম্পিয়ান হ‌য়ে‌ছে। ও‌দের কা‌ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানায় না। বাংলা‌দে‌শে আর তত্ত্বাবধ‌ায়ক সরকার আর আস‌বে না।

এর আগে সকালে কু‌মিল্লা আদর্শ সদর উপ‌জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আবুল বাসার এর সভাপতিত্বে  কু‌মিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য হাজী আ,ক,ম বাহা উ‌দ্দিন বাহার সন্মেলন উদ্ধোধন করেন।    আদর্শ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বিএনপির উদ্দেশ্যে এমপি বাহার বলেন, শান্তির কুমিল্লায় কাউকে মাস্তানি করতে দেয়া হবেনা, আন্দোলন করেন গণতান্ত্রিক উপায়ে কেউ আপনাদের কিছু বলবেনা, রাতের আধারে আওয়ামী-নামধারী মুনাফেকদের নিয়ে যান সমস্যা নেই, কিন্ত কুমিল্লার একটি মানুষের উপর যদি আঘাত আসে তাহলে আপনাদের অস্তিত্ব বিলীন করে দেয়া হবে।   স‌ম্মেল‌নে বি‌শেষ অ‌তি‌থির বক্তব‌্য রা‌খেন কু‌মিল্লা সি‌টিক‌র্পো‌রেশ‌নের মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলী‌গের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত,‌জেলা আওয়ামীলী‌গের সহ-সভাপ‌তি ও জেলা প‌রিষ‌দের চেয়ারম‌্যান ম‌ফিজুল ইসলাম বাবলূ , বীরমু‌ক্তি‌যোদ্ধা নাজমুল হাসান পাখী,মহানগর আওয়ামীলী‌গের সহ-সভাপ‌তি জ‌হিরুল ইসলাম সে‌লিম,সদর উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান এড আ‌মিনুল ইসলাম টুটুল, সাধারণ সম্পাদক তা‌রিকুর ইসলাম জু‌য়েল,যুগ্ন সম্পাদক আহ‌মেদ নিয়াজ পা‌ভেল,সা‌বেক চেয়ারম‌্যান বাহালুলসহ আওয়ামীলী‌গের নেতৃবৃন্দরা।

এদিকে সম্মেলনে ৬‌টি ইউ‌নিয়‌ন আওয়ামীলী‌গের নেতাকর্মীরা ঢল নামে নগ‌রের টাউনহল  অংশ নেন। টাউনহল মাঠের। প‌্যা‌ন্ডে‌লে দলের কর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারসহ মিছিল নিয়ে, উৎসব উ‌দ্দিপনায় ঢাকঢোল বাজিয়ে সম্মেলনস্থলে আসেন।

সম্মেলন স্থল নেতাকর্মী শ্লোগা‌নে মুখ‌রিত হ‌য়ে  উৎসবের আমেজ বিরাজ ক‌রে।


আরও খবর



সরকার জনগনকে, বিএনপিকে ভয় পায়

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মিজা ফখরুল : সরকার বলে জনগনকে ভয় পায় না : তাহলে সমাবেশে বাঁধা কেন।  

সমবেশকে বিদ্রোহ এর সমাবেশ তৈরি করেছেন। কারণ একটাই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ।  চিবিয়ে চিবিয়ে অর্থনীতি খেয়ে ফেলেছে। এখন দেশটাকে খেয়ে ফেলার চেষ্টা করছে।  প্রতিটি ক্ষেতে চুরি চুরি আর চুরি এমনকি মানুষকে ঘর দিয়ে : টাকা নেয়।  এই সরকার এমন কোন খাত নাই যেখান থেকে চুরি করছে না। 

মিথ্যা মামলা গুম খুন করেছে ৩৫ লাখ নেতাকমীদের নামে মামলা দিয়েছে।  যারা দেশকে মানুষ কে ধংস করে দেয় তাদের কি আর ক্ষমতায় রাখা যায় ? 

দুভিক্ষ যদি হয় ; তার সব দায় শেখ হাসিনা এবং আওয়ামীলীগ দুনীতি দায়ী : 

দেশ মধ্য আয়ের দেশ হয়ে গেছে : তাহলে কেন এসব মিথ্যা কঁথা বললেন কেন।   চাল ডাল চিনি ডাল ডিম এতো দাম কেন ৪২:/ ভাগ মানুষ 

মানুষকে বলছেন কম খান। আর নিজেরা চিতল মাঝ খান : ঘন ঘন বিদেশে যান। 

আবার নতুন করে জংগীবাদের ভোতা অস্ত  বের করছে আওয়ামীলীগ।  এসব যে তাদের মিথ্যা আর বিশ্বাস করে না। 

এদেশের মানুষ আর ক্ষমতায় থাকতে দেবে না।   সবাইকে নুরুল উদ্দীনের ডাকে দেন জাগো বাহে কোনঠে সবাই।   

মুক্তি যুদ্ধ কি এই ধরনের শোষন শাসনের জন্য : ১৪ বা ১৮ সালের মতো আর নিবাচন হবে না। সোজা কথা পদত্যাগ করতে হবে : সংসদ ভেংগে দিতে হবে আর নিদলীয় সরকারেরর অধীনে নিবাচন হবে।  বিএনপির এমপি হারুন , রুমিন জাহিদুর মোশাররফ , জিম সিরাজ সবাই রেডি আছে। সংসদ থেকে পদত্যাগ করার জন্য পস্তুত।  আরেকবার মানুষ  যুদ্ধ করে রাহু মুক্ত করতে হবে।


আরও খবর