Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

হামাস নির্মূলের ধারেকাছে নেই ইসরায়েল

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

দুই মাস আগে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি লক্ষ্য করে হামলা চালায় ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। পরে কাতারের মধ্যস্থতায় বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ইহুদিবাদী ইসরায়েল। এরপর পৃথিবীর বুক থেকে হামাসকে নির্মূলের করে দেওয়ার ঘোষণা দেয় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

তবে যুদ্ধের ৬০ দিন পেরিয়ে গেলেও হামাস নির্মূলের ইসরায়েলি সেনারা ধারে কাছেও যেতে পারেনি বলে মঙ্গলবার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসেম ব্রিগেডসের ৩০ হাজার যোদ্ধা রয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত যুদ্ধে ৫ হাজার যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

পরিচয় গোপন রাখা ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বরাতে ওয়াশিংটন পোস্ট আরো জানিয়েছে, হামাস এখনো গাজার উত্তরাঞ্চলে সক্রিয় রয়েছে। হামাসকে সরিয়ে দিতে গাজার উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। এখন ছোট্ট এ উপত্যকার দক্ষিণ দিকে আগ্রাসন চালাচ্ছে তারা।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, গাজার বেশিরভাগ অঞ্চলকে বিমান হামলা চালিয়ে ধসিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ইসরায়েলের স্থল সেনারা এখনো হামাসের শক্তিশালী কয়েকটি ঘাঁটিতে প্রবেশ করতে পারেনি।

হামাসকে নির্মূল করতে না পারলেও গাজার সাধারণ মানুষের ওপর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে ইসরায়েল। যুদ্ধ শুরুর পর এখন পর্যন্ত গাজায় ১৬ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ৫ হাজার শিশু। যারা নিহত হয়েছেন তাদের ৭০ শতাংশই হলেন নারী ও শিশু।


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




নওগাঁর জহুরুল জিরা চাষে সফল, জিরা চাষে আগ্রহী অন্য কৃষকরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় কৃষক জহুরুল ইসলামের জিরা চাষ করা দেখে অন্য কৃষকরাও জিরা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। দেশে জিরার চাহিদার পুরোটায় আমদানী করা হয় বিদেশ থেকে। আর এই মূল্যবান জিরা চাষ করে এলাকার লোকজন তথা কৃষকদের মাঝে সাড়া ফেলেছেন নওগাঁর রানীনগর উপজেলার শিয়ালা গ্রামের কৃষক জহুরুল ইসলাম। কৃষক জহুরুল ইসলাম এর পরীক্ষা মূলক জিরা চাষ দেখে আগ্রহ বাড়ছে অন্য কৃষকদেরও।

এক সময় এ গ্রামের মাঠ-জুড়ে দেখা যেত সবজির খেত। এখন সেই মাঠে চোখে পড়ে মসলা জাতীয় ফসলের খেত। এই ফসলের (জিরা) চাষ করেই চমক দেখিয়েছেন কৃষক জহরুল ইসলাম।নওগাঁর রানীনগর উপজেলার গ্রামের নাম শিয়ালা। জিরা মসলা জাতীয় ফসল। দেশে জিরার চাহিদার পুরোটায় আমদানি নির্ভর। আর সেই মূল্যবান জিরা চাষ শুরু করেছেন কৃষক জহরুল ইসলাম। এই গ্রামের তার এই পরীক্ষা মূলক জিরা চাষ দেখে আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় অন্য কৃষকদেরও। এই অঞ্চলে মসলা ফসল জিরা চাষে কৃষক পাবে বিকল্প পথ এমনটাই আশা করছেন স্থানিয় সচেতন মহল।

প্রাচীনকাল থেকেই রান্নার স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়াতে জিরা ব্যবহার করা হয়ে আসছে। জিরা শুধু রান্না কাজে মশলা হিসেবে ব্যবহার হয় না, বহু রকমের বিশেষ ঔষধী গুণ সম্পন্ন জিরা। এটি শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায় তা নয়, শরীরের নানা সমস্যা সমাধানে জিরার জুড়িমেলা ভার।

কৃষক জহুরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় দেশী ও বিদেশী সবজী চাষ করে থাকেন। হঠাৎ কয়েক বছর থেকে বাজারে জিরার দাম আকাশ ছোয়া অর্থাৎ বেশি হওয়ায় জহুরুল ইসলাম সবজীর পাশাপাশি জিরা চাষে উদ্বুদ্ধ হোন। এরপর অনলাইনে চাষাবাদ প্রদ্ধতি দেখতে শুরু করেন এবং অনেক চেষ্টা করে অনলাইন এর মাধ্যমে ভারত থেকে প্রায় ১ হাজার টাকা খরচ করে ৫০০ গ্রাম জিরা বীজ সংগ্রহ করেন। এরপর স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে ৯ শতক জমিতে এই জিরা বীজ রোপণ করেন। বর্তমানে জহুরুল ইসলাম এর জিরা গাছে ফুল ও জিরা আসতে শুরু করেছে। তিনি পরীক্ষা মূলক জিরা চাষে অনেকটা সফল হওয়ায় স্থানীয় কৃষদের মধ্যেও জিরা চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

কৃষক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রথমে বীজ সংগ্রহের পর পানিতে ৩০টি জিরা বীজ ভিজে টিস্যুর মধ্যে রেখে পরীক্ষা করি, কি পরিমান গাছ গজাবে। পরে ৩০টির মধ্যে ২৫টি গাছ ওঠে গেছে। এর পরই ৯ শতক জমি হালচাষ ও সার ছিটিয়ে বীজ রোপন করি। বীজ রোপনের ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যে জিরা গাছগুলো উঠতে শুরু করে। পরে বৃষ্টির কারনে কিছু গাছ নষ্ট হয়ে যায়। বাকি গাছগুলো ভালো করে যত্ন নেয়া শুরু করি।

তিনি আরো বলেন, যেভাবে সরিষার চাষ করা হয় একই রকমভাবে জিরা চাষ করেছি। এরই মধ্যে গাছে ফুল ও জিরা ধরতে শুরু করেছে। গাছে যতগুলো ফুল, ততগুলোই জিরা ধরছে। হিসেব করে দেখছি যেভাবে জিরা ধরছে তাতে ৯ শতক জমি থেকে ২০ থেকে ২২ কেজি জিরা পাওয়া যাবে। বাজারে জিরার দাম ভালো থাকায় যার বাজার মূল্যে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারিব। তাতে জিরা চাষ একটি লাভজনক ফসল মনে হয়েছে। তবে জিরা চাষ শীতকালে ভালো হয়। বীজ বপণের ৩ থেকে সারে ৩ মাস সময় লাগে জিরা ঘরে উঠতে। এবছর পরীক্ষা মূলক ভাবে জিরা চাষ সফল দাবি করে আগামীতে আরো বড় পরিসরে জিরা চাষাবাদের পরিকল্পনা করছেন বলে জানান কৃষক জহুরুল ইসলাম।

স্থানীয় তানজিব হোসাইন নামে কৃষক পরিবারের যুবক বলেন, জহরুল ভাই নতুন ফসল জিরা চাষ করেছেন। জিরা চাষ ইতি পূর্বে আমরা কখনো দেখিনি। প্রথম হলেও খুব সুন্দর তার জিরার গাছ হয়েছে। বাজারে জিরার দাম ভালো রয়েছে। চিন্তা করছি তার দেখাদেখি আমরাও জিরা চাষ করবো এবং জিরা চাষ করে লাভবান হওযার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অপর কৃষক মোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমাদের এই এলাকায় জিরা চাষ প্রথম হিসেবে মোটামুটি গাছ ভালোই হয়েছে জহুরুলের। শুনলাম তার এই জমিতে ২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে আর পাবে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা মতো। কৃষি বিভাগ থেকে সহযোগিতা করলে আমরাও জিরা চাষ করবো।

জিরা চাষ বিষয়ে নওগাঁর রানীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা হক বলেন, জহুরুল ইসলাম উদ্যোগী একজন কৃষক। তিনি নতুন ফসল হিসেবে জিরা পরীক্ষা মূলক ভাবে চাষ করেছেন। তার জিরা চাষ কৃষি বিভাগ সার্বক্ষনিক নজরদারী করছে। আমরা শেষ পর্যন্ত এটার ফলন কেমন হয় সেটা দেখবো। তিনি জিরা চাষে সফল হলে উঠান বৈঠক, সভা, সেমিনার করে অপর কৃষকদের জিরা চাষে উদ্বুদ্ধ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, দেশে যে পরিমাণ জিরার চাহিদা তার পুরোটাই আমদানী করতে হয়। জিরা মসলা এখনও বাংলাদেশ আমদানী নির্ভর। তাই এই জিরা চাষে সফল হলে কৃষিতে বানিজ্যকরন ও জিরা উৎপাদন করে আমদানীর পরিমাণ কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করেন কৃষি কর্মকর্তা।


আরও খবর



পাকিস্তানে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

নির্বাচনের পর পাকিস্তানের রাজনৈতিক পক্ষগুলো সমীকরণের পর সমীকরণ আর সুযোগ-সুবিধা ও পদ-পদবির টোপ দেওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে। এমনকি কারারুদ্ধ সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিটিআই দলের প্রধান ইমরান খান সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভেতরও টোপের লোভ পেয়ে বসেছে। ফলে প্রায় ডজনখানেক প্রার্থী এরই মধ্যে ইমরানের পক্ষ ছেড়ে নওয়াজ শরিফের পক্ষে চলে গেছেন। অন্যদিকে নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) সমঝোতার পথে অনেক দূর এগিয়েছে বলে সর্বশেষ খবরে জানা গেছে। তারা একটি পালাক্রমের সরকার গঠনে প্রায় একমত। অর্থাৎ পাঁচ বছর মেয়াদকালের নতুন সরকারে তারা আড়াই বছর করে একে-অপরে সরকার চালানোর বিষয় নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছার চেষ্টা করছে। সূত্র : জিও নিউজ, ডন, রয়টার্স, আল-জাজিরা, এনডিটিভি

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে দেশটির জন্য জোট সরকার গঠন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। জোট সরকার গঠন নিয়ে নওয়াজ শরিফ ও বিলাওয়াল ভুট্টোর দল সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে। তারা ক্ষমতার ভাগাভাগিতে সমঝোতার চেষ্টা করছে। তবে কোনো পক্ষই এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলছে না।

পর্যবেক্ষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী যিনিই হন না কেন, আগামী দিনগুলোয় জাতীয় পরিষদে ১৬৯ জন সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখাতে হবে তাকে। পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের ফল অনুসারে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এন এবারের নির্বাচনে ৭৫টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির দল পিপিপি পেয়েছে ৫৪টি আসন। অর্থাৎ এই দুই-এ মিলে আসন সংখ্যা হচ্ছে ১২৯। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ৪০ আসন। এ কারণে তারা সুযোগ-সুবিধা ও পদ-পদবির টোপ দিয়ে স্বতন্ত্র এবং অন্য দলগুলোকে সঙ্গে আনার জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এরই মধ্যে ধারণা পাওয়া গেছে, নওয়াজ-বিলাওয়াল জোট সরকারে যুক্ত হতে পারে মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান (এমকিউএম-পি), জেইউআইএফসহ আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল। জোট গড়ার ক্ষেত্রে বিলাওয়ালকে সরকারপ্রধানের পদে বসানোর কৌশল বেছে নিয়েছে পিপিপি। এ নিয়েই দলটি পিএমএল-এনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পাওয়ার শেয়ারিং ফর্মুলা বা ক্ষমতা ভাগাভাগি সূত্রের অধীনে ক্ষমতায় বসা নিয়ে আলোচনা করছে উভয় দল। এই সূত্রের আওতায় পাঁচ বছরের মেয়াদের অর্ধেক সময়ের জন্য পিপিপি এবং বাকি অর্ধেক সময়ের জন্য পিএমএল-এন তাদের দল থেকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেবেন। এই সম্ভাবনা নিয়েই মূলত আলোচনা চলছে। এ আলোচনার সঙ্গে জড়িত একটি সূত্রের মতে, ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর কেন্দ্র ও প্রদেশে জোট সরকার গঠনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গত রবিবার লাহোরে প্রথমবারের মতো আলোচনায় বসেন পিপিপি ও পিএমএল-এন নেতারা। এ সময়ই অর্ধেক মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ধারণাটি প্রথমবার আলোচনা করা হয়েছিল। বিলাওয়াল হাউসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উভয় পক্ষই সাধারণ নির্বাচনের পর দেশটিতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সহযোগিতা করতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়। বৈঠকে পিপিপির সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি এবং পিএমএল-এনের পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ উপস্থিত ছিলেন।

 বৈঠকে উভয় দলের নেতারাই দেশটির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং উন্নতির জন্য সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। জানা গেছে, এ সময় পিএমএল-এন নেতারা প্রধানমন্ত্রীর আকর্ষণীয় পদের দাবি জানালে পিপিপির সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি বলেন, তাদের দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি (সিইসি) এরই মধ্যে বিলাওয়ালকে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য মনোনীত করেছে। দেশটির তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের শীর্ষ এক সহযোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা সংস্থা ডিপিএকে বলেছেন, আমরা ক্ষমতা ভাগাভাগির একেবারে কাছাকাছি পৌঁছেছি। এ সপ্তাহটি গুরুত্বপূর্ণ।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এর বিপরীতে ইমরান খানের পক্ষে নির্বাচন করা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিজয়ী আসন ১০১টি। পার্লামেন্টে এখন যদি তারা একক ব্লকে বা ছোট কোনো দলে যুক্ত হন, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে জোর পদক্ষেপ নিতে পারেন। সংরক্ষিত আসন বরাদ্দ পেতে পারেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী পদেও প্রার্থী দাঁড় করাতে পারেন। এ ছাড়া জোট গড়ার জন্য অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও আলোচনা করতে পারে স্বতন্ত্রদের দল বা জোট। এর ফলে প্রকারান্তরে ইমরান-সমর্থিতদের পাকিস্তানের ক্ষমতার কেন্দ্রে আবারও দেখা যাবে। এই পরিস্থিতি ইমরানের মুক্তির পথ খুলে যাবে। যদিও আইনি বাধা থাকায় ইমরান নিজে সরকারপ্রধান হওয়ার লড়াইয়ে আপাতত শামিল হতে পারবেন না।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, কারাবন্দি ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত প্রার্থী, যারা স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তাদের অন্য দলে যোগ দিতে আইনি কোনো বাধা নেই। ফলে প্রতিপক্ষের নানা টোপের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে অনেকেরই পিটিআই থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে ডজনখানেক বিজয়ী প্রার্থী এ পথে হেঁটেছেনও। যদিও দেশটির সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবিবার পর্যন্ত অন্তত ছয়জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এনে যোগ দিয়েছেন। তাদের মধ্যে পিটিআইয়ের সমর্থন নিয়ে লাহোরের একটি আসন থেকে জয়ী শহরটির সাবেক ডেপুটি মেয়র ওয়াসিম কাদির প্রথম এদিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নওয়াজের দলে যোগ দেন। এরপর স্বতন্ত্র হিসেবে পিএমএল-এনে যোগ দিয়েছেন নির্বাচনে জয়ী রাজা খুররাম নওয়াজ, ব্যারিস্টার আকেল, পীর জহুর হুসেইন কুরেশি, সরদার শমসের মাজারি ও ব্যারিস্টার মিয়া খান বুগতি। বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, জোট সরকার গঠন করা নিয়ে পিএমএল-এন ও পিপিপির মাঝে এখনো সমঝোতা না হওয়ায় পিটিআই-সমর্থিত অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে দলে ভেড়ানোর জন্য যোগাযোগ করে যাচ্ছে পিএমএল-এন।


আরও খবর

কাদের-চুন্নুকে পদ থেকে সরানো হয়েছে

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৭

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় বাস-সিএনজি অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার আলালপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাঈন উদ্দিন এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন- ফুলপুর উপজেলার চর আশাবট গ্রামের বাবলু (৫৫), তার স্ত্রী শীলা (৪০) ও ছেলে সাদমান (১০)।

তাৎক্ষণিকভাবে নিহত বাকি চারজনের পরিচয় জানা যায়নি। তবে অজ্ঞাতদের মধ্যে একজন সিএনজির চালক বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন।

তিনি জানান, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ফুলপুর থেকে ময়মনসিংহ যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা শেরপুরগামী একটি বাস অটোরিকশাটিকে মুখোমুখি ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সিএনজির চালকসহ সবার ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় কৃষক মো. আব্দুল খালেক বলেন, অটোরিকশাটি ময়মনসিংহ যাচ্ছিল। এ সময় তারাকান্দাগামী একটি মাহেন্দ্রকে যাত্রীবাহী অটোরিকশাটি পাশ কাটিয়ে ওভারটেক করতে গিয়ে হঠাৎ দ্রুতগামী বাসের মুখোমুখি পড়ে যায়। এরপর বাসটি প্রায় ৩০ গজ সামনে গিয়ে ব্রেক করে। এতে দুমড়েমুচড়ে যাওয়া অটোরিকশায় থাকা সবার মৃত্যু হয়।

এদিকে শেরপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এই দুর্ঘটনায় দুই পাশের অসংখ্য যান আটকা পড়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে সড়কের যানজট পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। বতর্মানে ওই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।


আরও খবর



লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে তিন দিন ব্যাপী বই মেলা শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে শুরু হচ্ছে তিন দিন ব্যাপী বইমেলা। প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজ ক্যাম্পাস প্রাঙ্গনে সোমবার দুপুরে এই মেলা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন লক্ষ¥ীপুর জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা বনশ্রী পাল চৌধুরী। মেলা চলবে ২২শে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত। 

এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা বনশ্রী পাল চৌধুরী বলেন একুশ আমাদের অহংকার, একুশ আমাদের গৌরব। ২১ শে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। মাতৃভাষা আন্দোলনের ৭১ পূর্ণ হবে বছর হবে এদিন। দেশের যত আন্দোলন তার অনুপ্রেরণা হয়েছে ভাষা আন্দোলনের মধ্যদিয়ে। আর বইমেলা হচ্ছে বাঙ্গালির প্রাণের মেলা। বই ছাড়া জ্ঞান অর্জন করা যায় না। মানুষের নিত্য সঙ্গী হলো বই। বই সবসময় বন্ধুর মতো কাজ করে। বইপড়া ছাড়া কেউ বড় হতে পারে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বেশি করে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বইয়ের প্রতি সকলকে আকৃষ্ট করতে বইমেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজ অধ্যক্ষ নুরুল আমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কবি ও ছড়াকার আমিনুল ইসলাম ফারুক, প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাষ্ট এর ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ভূইয়া, প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজ ভারপ্রাপ্ত অধ্যাপক আনিসুর রহমান, প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এর প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম,শিক্ষক নাসরিন সুলতানা , আজিজুর রহমান খান বুলবুল,

বই মেলায় বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও বই বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের ২০ টি স্টল রয়েছে। তিনদিন ব্যাপী বইমেলা ২২শে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত সকলের জন্য খোলা থাকবে। এছাড়া প্রতিদিন আলোচনা সভা, সেমিনার, প্রবন্ধ ও কবিতা পাঠ, লেখকদের বইয়ের মোড়ক উম্মোচন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রয়েছে। বইমেলা উপলক্ষ্যে শিশুদের জন্য থাকছে উপস্থিত বক্তৃতা, বিতর্ক, আবৃত্তি, চিত্রাংকন, সঙ্গীত ও বইপাঠ প্রতিযোগিতা। এছাড়া মেলা উপলক্ষ্যে সকল বইয়ের ওপর ২৫ শতাংশ ছাড়ে ক্রেতারা বই কিনতে পারবে।


আরও খবর



ফ্রিজে বাসি-পচা খাবার রাখায় এক রেস্টুরেন্টকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার

নওগাঁয় রান্না ঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ফ্রিজে বাসি-পচা খাবার রাখায় শহরের রুবির মোড়ে অবস্থিত পঞ্চ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট এর মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা। অভিযানে রেস্টুরেন্টটির রান্না ঘরে অভিযান চালিয়ে ফ্রিজে বাসি-পচা খাবার মজুত, রান্নার কাজে ব্যবহৃত পচা রসুন, রান্না করা সবজি, রান্না করা গরুর মাংস, রান্না করা মুরগির মধ্যে পশম, পুড়া তেল, মসলার মধ্যে তেলাপোকা ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখা সহ নানা অপরাধে রেস্টুরেন্টটি'র অস্বাস্থ্যকর সব খাবার জব্দ করা হয়। পরে রেস্টুরেন্ট এর মালিকের উপস্থিতিতে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুসারে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। নওগাঁ জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা চিন্ময় প্রামানিক বলেন, হোটেল ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সময় প্রশিক্ষণ ও সভা সেমিনার করে বলা হয়েছিল রান্না করা খাবারগুলোর উপরে নির্দিষ্ট দিনের নির্দিষ্ট রান্না করার তারিখ সময় দিয়ে রাখতে। কিন্তু এই রেস্টুরেন্টের মালিক বাজার থেকে নোংরা পলিথিন কিনে এনে সেই পলিথিনের মধ্যে খাবারগুলো রেখে দিয়েছে। তার মধ্যে কোন তারিখ নেই আবার সব খাবার একই ফ্রিজে রাখা হয়েছে। নওগাঁতে এটিই তাদের প্রথম অভিযান উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্যের যে আইন রয়েছে খুবই শক্ত এবং জরিমানার পরিমাণও বেশি। সেজন্যই আমরা গত দু' বছর ধরে বুঝানোর কাজ করে আসছি। পাশাপাশি রেস্টুরেন্ট গুলো নিয়মিত মনিটরিং করা হয়েছে। এখন থেকে কোন রেস্টুরেন্ট-এ এই সমস্ত অপরাধ ধরা পড়ে তাহলে আমরা তাদেরকে জরিমানার আওতায় আনবো। 

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষেও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা বলেন, যে সকল রেস্টুরেন্ট মালিকদের প্রশিক্ষণ ও সচেতন করার পরও কথা শুনছে না তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় আনছি। এরই ধারাবাহিকতায় এই রেস্টুরেন্ট-এ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানাকৃত টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে। আগামীতেও ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর